নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে অধিক মূল্যে জ¦ালানি তেল বিক্রি ও লাইসেন্স না থাকার অপরাধে এক প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া গোপনীয় স্থানে তেল সংরক্ষণ করার অপরাধে আরেকটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে রাজাপাড়া উত্তর চৌমুহনীর হোসেন এন্টারপ্রাইজকে নির্ধারিত মূল্যের অধিক মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রয় করা ও লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা পরিচালনা করার অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা অর্থদÐ প্রদান করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানে পাওয়া ৪৮ লিটার অকটেন উপস্থিত ক্রেতাদের (ক্রেতা প্রতি সর্বোচ্চ দুই লিটার) মধ্যে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রয় করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
অভিযানে অপর একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. জসীম উদ্দীনকে গোপনীয় স্থানে জ্বালানি তেল মজুদ সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্ত বা স্থান পরিদর্শনে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে বাধা প্রদান এবং অসহযোগিতা করায় পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী ২০(২) ধারা অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে লাইসেন্স ব্যতীত দাহ্য পেট্রোলিয়াম পণ্য (পেট্রোল/ডিজেল/অকটেন) অবৈধভাবে সংরক্ষণ ও বিক্রয় করে আসছিলেন। এছাড়া তিনি অননুমোদিত পাত্রে পণ্য বিক্রয় করছিলেন, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।
অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সজীব তালুকদারের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সিপিসি-২, র্যাব, কুমিল্লার সিনিয়র এএসপি ও স্কোয়াড কমান্ডার মিঠুন কুমার কুন্ডু, অন্যান্য র্যাব সদস্য ও স্থানীয় বিপুলসংখ্যক লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) বলেন, জ্বালানি তেলের অননুমোদিত মজুদ ও কালোবাজারি প্রতিরোধে তথা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রশাসন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে অধিক মূল্যে জ¦ালানি তেল বিক্রি ও লাইসেন্স না থাকার অপরাধে এক প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া গোপনীয় স্থানে তেল সংরক্ষণ করার অপরাধে আরেকটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে রাজাপাড়া উত্তর চৌমুহনীর হোসেন এন্টারপ্রাইজকে নির্ধারিত মূল্যের অধিক মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রয় করা ও লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা পরিচালনা করার অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা অর্থদÐ প্রদান করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানে পাওয়া ৪৮ লিটার অকটেন উপস্থিত ক্রেতাদের (ক্রেতা প্রতি সর্বোচ্চ দুই লিটার) মধ্যে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রয় করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
অভিযানে অপর একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. জসীম উদ্দীনকে গোপনীয় স্থানে জ্বালানি তেল মজুদ সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্ত বা স্থান পরিদর্শনে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে বাধা প্রদান এবং অসহযোগিতা করায় পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী ২০(২) ধারা অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে লাইসেন্স ব্যতীত দাহ্য পেট্রোলিয়াম পণ্য (পেট্রোল/ডিজেল/অকটেন) অবৈধভাবে সংরক্ষণ ও বিক্রয় করে আসছিলেন। এছাড়া তিনি অননুমোদিত পাত্রে পণ্য বিক্রয় করছিলেন, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।
অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সজীব তালুকদারের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সিপিসি-২, র্যাব, কুমিল্লার সিনিয়র এএসপি ও স্কোয়াড কমান্ডার মিঠুন কুমার কুন্ডু, অন্যান্য র্যাব সদস্য ও স্থানীয় বিপুলসংখ্যক লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) বলেন, জ্বালানি তেলের অননুমোদিত মজুদ ও কালোবাজারি প্রতিরোধে তথা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রশাসন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।