গোমতীর বেড়িবাঁধ
রুমি নাজমুল, তিতাস

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার গোমতীর বেড়িবাঁধ থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে নোটিশ দিয়েছে কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ড। অবৈধভাবে দখল করে থাকা আসমানিয়া বাজার এলাকার ১২২ জন দখলকারকে গত ৭ জানুয়ারি এই নোটিশ প্রদান করা হয়। নোটিশে আগামী সাতদিনের মধ্যে নিজ দায়িত্বে সকল স্থাপনা সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর আগে গত ২০ ডিসেম্বর দৈনিক আমার শহরে ‘তিতাসে পাউবোর জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপরই নড়েচড়ে বসে কুমিল্লার পানি উন্নয়ন বোর্ড।
কুমিল্লা পাউবো ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোমতী নদীর পাড় আসমানিয়া বাজারের বিশাল এলাকায় বেড়িবাঁধের অংশে পাউবোর জায়গা দখল করে দোকানপাট নির্মাণ করা হয়েছে। এসব দোকানপাটের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী অফিসও আছে। দীর্ঘবছর যাবৎ এইসব জায়গা পর্যায়ক্রমে দখল করা হয়েছে। এইসব জায়গা প্রতিবছর ভাড়া ও পজেশন হস্তান্তরের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য হয়ে আসছে। খলিলাবাদ গ্রামের পাশের খাল থেকে বেড়িবাঁধের ভেতর দিয়ে একটি পাইপ ছিল। যা দিয়ে ওই এলাকার পানি গোমতীতে পড়তো। বর্তমানে এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কয়েক গ্রামের জলাবদ্ধতা স্থায়ী হয়েছে। ২০১৬ ও ২০২০ সালে দুই দফা নোটিশ প্রদান এবং উচ্ছেদের জন্য দরপত্র আহ্বান করে কার্যাদেশ দেওয়া হলেও তৎকালীন সরকারের সময় দখলকারীদের বাধার কারণে উচ্ছেদ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।
দড়িকান্দি গ্রামের মো. জয়নাল আবেদিন বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে ওই জমি দখল করে সেখানে মার্কেট নির্মাণ করেছে এবং ভাড়া দিয়ে আসছে। এতে বেড়িবাঁধের অপরপ্রান্তে থাকা ফসলি জমিগুলোতে স্থায়ী জলাবদ্ধতা বিরাজ করছে। ২০১৬ ও ২০২০ সালে দুইদফা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তৎকালীন সরকারের প্রভাব খাটিয়ে অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হয়।
নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আরিফুজ্জামান খোকা বলেন, আমরা লিজের জন্য দরখাস্ত করেছিলাম, এর মধ্যে তারা নোটিশ জারি করেছে। পাউবো যাদের জায়গা অধিগ্রহণ করেছে তারাই দখলে আছে। যদি দোকানপাট ভাঙে তাহলে আসমানিয়া বাজার শেষ হয়ে যাবে।
কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, আমরা আসমানিয়া বাজার এলাকায় আমাদের বেড়িবাঁধের জায়গা দখল করে রাখা অবৈধ দখলদারদের একটি তালিকা করেছি এবং তালিকা অনুযায়ী সকলকে তাদের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, তিতাস উপজেলার আসমানিয়া বাজারে আমাদের অধিগ্রহণকৃত জায়গা দখল করে বিভিন্ন ব্যক্তি দোকান ও স্থাপনা করে দখল করে আছে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর আমরা ১২২ জনের একটি তালিকা করেছি। চলতি মাসের ৭ তারিখে প্রত্যেককে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে সাতদিনের মধ্যে তাদের অবৈধস্থাপনা সরিয়ে নিতে। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের চিঠি দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রাশেদ শাহরিয়ার বলেন, তিতাসে আমাদের বাঁধের জায়গা দখল করে যারা স্থাপনা নির্মাণ করেছেন তাদের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে দখলদারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি ওইসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নেয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এসব জায়গা দখলমুক্ত করা হবে।

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার গোমতীর বেড়িবাঁধ থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে নোটিশ দিয়েছে কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ড। অবৈধভাবে দখল করে থাকা আসমানিয়া বাজার এলাকার ১২২ জন দখলকারকে গত ৭ জানুয়ারি এই নোটিশ প্রদান করা হয়। নোটিশে আগামী সাতদিনের মধ্যে নিজ দায়িত্বে সকল স্থাপনা সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর আগে গত ২০ ডিসেম্বর দৈনিক আমার শহরে ‘তিতাসে পাউবোর জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপরই নড়েচড়ে বসে কুমিল্লার পানি উন্নয়ন বোর্ড।
কুমিল্লা পাউবো ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোমতী নদীর পাড় আসমানিয়া বাজারের বিশাল এলাকায় বেড়িবাঁধের অংশে পাউবোর জায়গা দখল করে দোকানপাট নির্মাণ করা হয়েছে। এসব দোকানপাটের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী অফিসও আছে। দীর্ঘবছর যাবৎ এইসব জায়গা পর্যায়ক্রমে দখল করা হয়েছে। এইসব জায়গা প্রতিবছর ভাড়া ও পজেশন হস্তান্তরের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য হয়ে আসছে। খলিলাবাদ গ্রামের পাশের খাল থেকে বেড়িবাঁধের ভেতর দিয়ে একটি পাইপ ছিল। যা দিয়ে ওই এলাকার পানি গোমতীতে পড়তো। বর্তমানে এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কয়েক গ্রামের জলাবদ্ধতা স্থায়ী হয়েছে। ২০১৬ ও ২০২০ সালে দুই দফা নোটিশ প্রদান এবং উচ্ছেদের জন্য দরপত্র আহ্বান করে কার্যাদেশ দেওয়া হলেও তৎকালীন সরকারের সময় দখলকারীদের বাধার কারণে উচ্ছেদ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।
দড়িকান্দি গ্রামের মো. জয়নাল আবেদিন বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে ওই জমি দখল করে সেখানে মার্কেট নির্মাণ করেছে এবং ভাড়া দিয়ে আসছে। এতে বেড়িবাঁধের অপরপ্রান্তে থাকা ফসলি জমিগুলোতে স্থায়ী জলাবদ্ধতা বিরাজ করছে। ২০১৬ ও ২০২০ সালে দুইদফা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তৎকালীন সরকারের প্রভাব খাটিয়ে অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হয়।
নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আরিফুজ্জামান খোকা বলেন, আমরা লিজের জন্য দরখাস্ত করেছিলাম, এর মধ্যে তারা নোটিশ জারি করেছে। পাউবো যাদের জায়গা অধিগ্রহণ করেছে তারাই দখলে আছে। যদি দোকানপাট ভাঙে তাহলে আসমানিয়া বাজার শেষ হয়ে যাবে।
কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, আমরা আসমানিয়া বাজার এলাকায় আমাদের বেড়িবাঁধের জায়গা দখল করে রাখা অবৈধ দখলদারদের একটি তালিকা করেছি এবং তালিকা অনুযায়ী সকলকে তাদের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, তিতাস উপজেলার আসমানিয়া বাজারে আমাদের অধিগ্রহণকৃত জায়গা দখল করে বিভিন্ন ব্যক্তি দোকান ও স্থাপনা করে দখল করে আছে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর আমরা ১২২ জনের একটি তালিকা করেছি। চলতি মাসের ৭ তারিখে প্রত্যেককে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে সাতদিনের মধ্যে তাদের অবৈধস্থাপনা সরিয়ে নিতে। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের চিঠি দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রাশেদ শাহরিয়ার বলেন, তিতাসে আমাদের বাঁধের জায়গা দখল করে যারা স্থাপনা নির্মাণ করেছেন তাদের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে দখলদারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি ওইসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নেয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এসব জায়গা দখলমুক্ত করা হবে।