তিতাস প্রতিনিধি

যারা আমার মা-বোনদের জামা-কাপড় খুলে নিতে চায় তাদের কাছে বাংলাদেশ নিরাপদ না। আজকে তারা নারীদের কাপড় খুলে নিতে চাইবে, ক্ষমতায় আসার পর তারা পুরো বাংলাদেশকে বিবস্ত্র করে ছাড়বে। প্রিয়, হোমনা-তিতাসবাসী আপনারা জানেন, আপনাদের এলাকায় বালুখেকো রয়েছে। এই এলাকার নেতাকর্মীরা আমাকে ফোন করে বলে, আমরা এই বালুখেকো থেকে মুক্তি চাই, ভন্ড শিক্ষক থেকে মুক্তি চাই, কমিটি বাণিজ্য থেকে মুক্তি চাই।
তিনি বলেন, এইগুলো আমাদের কথা নয়, হোমনা-তিতাসের তৃর্ণমূল বিএনপির নেতাকর্মীদের কথা। মেঘনায় বালু বিক্রি করে এক প্রার্থীর সংসার চলে, তাকে হোমনা তিতাস থেকে উৎখাত করতে হবে। সময় এসেছে জবাব দেওয়ার, আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকবে হবে, দাঁড়িপাল্লায় ভোটের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
গত শনিবার রাত ৭টায় কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উদ্যোগে তিতাস উপজেলার গাজীপুর খান মডেল সরকারি স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির মূখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ ( দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহ একথা বলেন।
তিনি বলেন বলেন, প্রশাসন সাপোর্ট দিয়ে হাসিনাকে টিকাইয়া রাখতে পারে না। কামান গোলাবারুদ হাসিনাকে টিকাইয়া রাখতে পারে না। বেনজির-হারুন হাসিনাকে টিকাইয়া রাখতে পারে না। জনগণ যখন জাগে তখন অন্যায় জুলুম এই আল্লাহ জমিনে ধুলিসাৎ হয়ে যায়। আপনারা মেধা দিয়ে নিজের যোগ্যতা দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের সেবা দিতে চাকরিতে এসেছেন। আপনারা কোন দলীয় দাস হতে আসেন নাই। আপনারা শুধু জনগণের কাছে দায়বব্ধ নিজেদের আর রাজনীতিকরণ করবেন না। আপনারা কোন রাজনৈতিক দলের গোলাম হবেন না। ১৭ বছরে আপনাদের প্রতি মানুষের যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে আগামী নির্বাচনে সে অনাস্থাকে পুনরুদ্ধার আপনাদের ক্যাচম্যাপ ও পরীক্ষা হচ্ছে ১২ তারিখের নির্বাচন।
২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরো বলেন, এই সেনাবাহিনীর ভাইয়েরা ৫ আগষ্ট হাসিনার অর্ডার মানে নাই। তারা জনগণের সাথে আমাদের সাথে রাস্তায় এসে হাসিনার পতন ঘটিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, আমার সেনাবাহিনীর ভাইয়েরা তাদের হারানো গৌরব, তাদের হারানো সম্মান এই ১২ তারিখ পুনরুদ্ধার করবে ইনশাআল্লাহ। দেশপ্রেমিক অফিসারদের ২০০৯ সালে পিলখানায় ভারতের প্রেসক্রিপশনে হত্যা করেছে সেটির সমুচিত জবাব ১২ তারিখ দেবে ইনশাআল্লাহ। তারা কোন রাজনীতি পক্ষপাতিত্ব করবেন না, তারা জনগণের পক্ষে ১২ তারিখ মাঠে থেকে ভোট পরিচালনা করবেন ইনশাআল্লাহ। আর যদি আপনারা এটি করতে ব্যর্থ হন তাহলে বাংলাদেশ ১০০ বছরের জন্য পিছিয়ে যাবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মিডিয়া আগের মতো বিশেষ একটি দলকে সুবিধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ এনে হাসনাত আবদুল্লাহ্ তার বক্তব্যে কঠোর সমালোচনা করেন।
কুমিল্লা-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের জামায়াতের প্রার্থী কেন্দ্রীয় মজলিসের শুরা সদস্য মো. নাজিম উদ্দীন মোল্লার সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। জামায়াতের কেন্দ্রীয় অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা এটিএম মাসুম, কুমিল্লা নোয়াখালী অঞ্চলের টিম সদস্য আব্দুস সাত্তার, কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আব্দুল মতিন, নায়েবে আমির অধ্যাপক আলমগীর সরকার, সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহিদ প্রমূখ। এছাড়াও এতে আরো উপস্থিত ছিলেন তিতাস, দাউদকান্দি, হোমনা উপজেলা জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

যারা আমার মা-বোনদের জামা-কাপড় খুলে নিতে চায় তাদের কাছে বাংলাদেশ নিরাপদ না। আজকে তারা নারীদের কাপড় খুলে নিতে চাইবে, ক্ষমতায় আসার পর তারা পুরো বাংলাদেশকে বিবস্ত্র করে ছাড়বে। প্রিয়, হোমনা-তিতাসবাসী আপনারা জানেন, আপনাদের এলাকায় বালুখেকো রয়েছে। এই এলাকার নেতাকর্মীরা আমাকে ফোন করে বলে, আমরা এই বালুখেকো থেকে মুক্তি চাই, ভন্ড শিক্ষক থেকে মুক্তি চাই, কমিটি বাণিজ্য থেকে মুক্তি চাই।
তিনি বলেন, এইগুলো আমাদের কথা নয়, হোমনা-তিতাসের তৃর্ণমূল বিএনপির নেতাকর্মীদের কথা। মেঘনায় বালু বিক্রি করে এক প্রার্থীর সংসার চলে, তাকে হোমনা তিতাস থেকে উৎখাত করতে হবে। সময় এসেছে জবাব দেওয়ার, আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকবে হবে, দাঁড়িপাল্লায় ভোটের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
গত শনিবার রাত ৭টায় কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উদ্যোগে তিতাস উপজেলার গাজীপুর খান মডেল সরকারি স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির মূখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ ( দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহ একথা বলেন।
তিনি বলেন বলেন, প্রশাসন সাপোর্ট দিয়ে হাসিনাকে টিকাইয়া রাখতে পারে না। কামান গোলাবারুদ হাসিনাকে টিকাইয়া রাখতে পারে না। বেনজির-হারুন হাসিনাকে টিকাইয়া রাখতে পারে না। জনগণ যখন জাগে তখন অন্যায় জুলুম এই আল্লাহ জমিনে ধুলিসাৎ হয়ে যায়। আপনারা মেধা দিয়ে নিজের যোগ্যতা দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের সেবা দিতে চাকরিতে এসেছেন। আপনারা কোন দলীয় দাস হতে আসেন নাই। আপনারা শুধু জনগণের কাছে দায়বব্ধ নিজেদের আর রাজনীতিকরণ করবেন না। আপনারা কোন রাজনৈতিক দলের গোলাম হবেন না। ১৭ বছরে আপনাদের প্রতি মানুষের যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে আগামী নির্বাচনে সে অনাস্থাকে পুনরুদ্ধার আপনাদের ক্যাচম্যাপ ও পরীক্ষা হচ্ছে ১২ তারিখের নির্বাচন।
২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরো বলেন, এই সেনাবাহিনীর ভাইয়েরা ৫ আগষ্ট হাসিনার অর্ডার মানে নাই। তারা জনগণের সাথে আমাদের সাথে রাস্তায় এসে হাসিনার পতন ঘটিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, আমার সেনাবাহিনীর ভাইয়েরা তাদের হারানো গৌরব, তাদের হারানো সম্মান এই ১২ তারিখ পুনরুদ্ধার করবে ইনশাআল্লাহ। দেশপ্রেমিক অফিসারদের ২০০৯ সালে পিলখানায় ভারতের প্রেসক্রিপশনে হত্যা করেছে সেটির সমুচিত জবাব ১২ তারিখ দেবে ইনশাআল্লাহ। তারা কোন রাজনীতি পক্ষপাতিত্ব করবেন না, তারা জনগণের পক্ষে ১২ তারিখ মাঠে থেকে ভোট পরিচালনা করবেন ইনশাআল্লাহ। আর যদি আপনারা এটি করতে ব্যর্থ হন তাহলে বাংলাদেশ ১০০ বছরের জন্য পিছিয়ে যাবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মিডিয়া আগের মতো বিশেষ একটি দলকে সুবিধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ এনে হাসনাত আবদুল্লাহ্ তার বক্তব্যে কঠোর সমালোচনা করেন।
কুমিল্লা-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের জামায়াতের প্রার্থী কেন্দ্রীয় মজলিসের শুরা সদস্য মো. নাজিম উদ্দীন মোল্লার সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। জামায়াতের কেন্দ্রীয় অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা এটিএম মাসুম, কুমিল্লা নোয়াখালী অঞ্চলের টিম সদস্য আব্দুস সাত্তার, কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আব্দুল মতিন, নায়েবে আমির অধ্যাপক আলমগীর সরকার, সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহিদ প্রমূখ। এছাড়াও এতে আরো উপস্থিত ছিলেন তিতাস, দাউদকান্দি, হোমনা উপজেলা জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।