তিতাস প্রতিনিধি

কুমিল্লার তিতাসে মাঠজুড়ে সরিষার হলুদ ফুলে উঁকি দিচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষক বাম্পার ফলন এবং লক্ষ্যমাত্রা চেয়ের অধিক ফলন উৎপাদন হবে বলে কৃষি বিভাগ আশা করছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় ৪শ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও ইতিমধ্যে এই লক্ষ্যমাত্রা অধিক সরিষা আবাদ করা হয়েছে। উপজেলায় বারি-১৪, বারি-১৫, বারি-১৭, বারি-২০ এবং বিনা সরিষা-৪, বিনা সরিষা-৯ ও বিনা সরিষা-১১ আদায় হয়েছে। তবে বারি-১৪ সরিষার আবাদ বেশি। উপজেলার কলাকান্দি, বলরামপুর, জগতপুর, সাতানী ও মজিদপুর এলাকায় এবার সরিষার ফলন ভালো হয়েছে।
উপজেলার ঐচারচর গ্রামের কিষানী রুবি বেগম জানান, এবার আমি ৩ একর জমিতে বারি সরিষা-১৪ আবাদ করেছি। সরিষার ফুল দেখে মনটা ভরে যায় আশা করি স্বপ্ন পূরণ হবে। কৃষি অফিস আমাকে বীজ ও সার দিয়েছে। উক্ত জমি চাষে আমার প্রায় আড়াই হাজার টাকা খরচ হয়েছে তবে আশা করছি প্রায় ১৮ থেকে ১৯ হাজার টাকা ফলন পাবো।
জগতপুর গ্রামের কৃষক ফিরোজ মিয়া বলেন, এবার কোন ঝড়-বৃষ্টি হয়নি। সে কারণে সরিষার কোনো ক্ষতি হয়নি। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার ফলন ভালো হবে বলে আমরা আশা করছি।
উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. কাউছার আহমেদ জানান, এখন সরিষার গাছে ফুল এসেছে। ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে মাঠ। মূলত ৭০ থেকে ৭৫ দিনের মধ্যে সরিষা সংগ্রহ করা যায়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতিটি চাষী তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলন পাবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভোজ্যতেলের আমদানি নির্ভরতা কমানো, শস্য নিবিড়তা ও জমির উবর্রতা বৃদ্ধির জন্য সরিষা চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এ বছর কৃষকদের পর্যাপ্ত সার ও বীজ দেয়া হয়েছে। ফলন ভালো পেতে আমরা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি। আমরা আশা করছি, এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি সরিষা পাব।

কুমিল্লার তিতাসে মাঠজুড়ে সরিষার হলুদ ফুলে উঁকি দিচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষক বাম্পার ফলন এবং লক্ষ্যমাত্রা চেয়ের অধিক ফলন উৎপাদন হবে বলে কৃষি বিভাগ আশা করছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় ৪শ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও ইতিমধ্যে এই লক্ষ্যমাত্রা অধিক সরিষা আবাদ করা হয়েছে। উপজেলায় বারি-১৪, বারি-১৫, বারি-১৭, বারি-২০ এবং বিনা সরিষা-৪, বিনা সরিষা-৯ ও বিনা সরিষা-১১ আদায় হয়েছে। তবে বারি-১৪ সরিষার আবাদ বেশি। উপজেলার কলাকান্দি, বলরামপুর, জগতপুর, সাতানী ও মজিদপুর এলাকায় এবার সরিষার ফলন ভালো হয়েছে।
উপজেলার ঐচারচর গ্রামের কিষানী রুবি বেগম জানান, এবার আমি ৩ একর জমিতে বারি সরিষা-১৪ আবাদ করেছি। সরিষার ফুল দেখে মনটা ভরে যায় আশা করি স্বপ্ন পূরণ হবে। কৃষি অফিস আমাকে বীজ ও সার দিয়েছে। উক্ত জমি চাষে আমার প্রায় আড়াই হাজার টাকা খরচ হয়েছে তবে আশা করছি প্রায় ১৮ থেকে ১৯ হাজার টাকা ফলন পাবো।
জগতপুর গ্রামের কৃষক ফিরোজ মিয়া বলেন, এবার কোন ঝড়-বৃষ্টি হয়নি। সে কারণে সরিষার কোনো ক্ষতি হয়নি। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার ফলন ভালো হবে বলে আমরা আশা করছি।
উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. কাউছার আহমেদ জানান, এখন সরিষার গাছে ফুল এসেছে। ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে মাঠ। মূলত ৭০ থেকে ৭৫ দিনের মধ্যে সরিষা সংগ্রহ করা যায়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতিটি চাষী তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলন পাবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভোজ্যতেলের আমদানি নির্ভরতা কমানো, শস্য নিবিড়তা ও জমির উবর্রতা বৃদ্ধির জন্য সরিষা চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এ বছর কৃষকদের পর্যাপ্ত সার ও বীজ দেয়া হয়েছে। ফলন ভালো পেতে আমরা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি। আমরা আশা করছি, এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি সরিষা পাব।