বিবিসি

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি আরোপ করেছে দেশটির সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীরা আর অস্ট্রেলিয়ায় পরিবারের সদস্যদের নিতে পারবেন না। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এ ঘোষণা দিয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়া সরকারের হিসাবে, ২০২৬ সালের মার্চ থেকে আগের এক বছরে দেশটির জনসংখ্যা ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ২ কোটি ৭৯ লাখ হয়েছে। এর মধ্যে অভিবাসন করা ২ লাখ ৯২ হাজার ১০০ জন রয়েছেন। ২০২৮ সালের মধ্যে অভিবাসন ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনতে চায় অস্ট্রেলিয়া সরকার।
নতুন নিয়মের বিষয়ে টনি বার্ক বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থীদের অস্ট্রেলিয়ায় পরিবার নিয়ে আসার সুযোগ আর বাড়ানো হবে না। তবে ইতিমধ্যে যাঁরা অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করছেন, তাঁরা ছাড় পাবেন। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর আবেদনকারীদেরও ছাড় দেওয়া হবে। এ ছাড়া পিএইচডির শিক্ষার্থীরা সঙ্গে পরিবার আনতে পারবেন।
বিদেশি শিক্ষার্থীদের আরেকটি বিষয় নিয়েও বিধিনিষেধের কথা জানান অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তা হলো 'ভিসা হপিং'। এর অর্থ, অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করতে যাওয়া শিক্ষার্থীরা একটি ডিগ্রি শেষ হওয়ার পর আরেকটি ডিগ্রি নেওয়ার জন্য ভর্তির আবেদন করেন, যেন দেশটিতে থাকার মেয়াদ বাড়ানো যায়। অনেক ক্ষেত্রে পরের কোর্সগুলো হয় আগের চেয়ে কম মানের
এ বিষয়ে টনি বার্ক বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থীরা যদি 'আরও উচ্চমানের' ডিগ্রি নিতে চান, তাহলে তা করতে পারবেন। যেমন কোনো শিক্ষার্থী যদি স্নাতক ডিগ্রি শেষ করার পর স্নাতোকত্তর ডিগ্রি নিতে চান, তাহলে অনুমোদন দেওয়া হবে। এর ব্যতিক্রম হলে ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হবে না।
'ওয়ার্কিং হলিডে' ভিসায়ও বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন টনি বার্ক। এ ভিসায় বিদেশিরা অস্ট্রেলিয়ায় ১২ মাস কাজ করতে পারেন। পরে তাঁরা এ সময় দুই বা তিন বছর পর্যন্ত বাড়াতে পারেন। নতুন নিয়মে দ্বিতীয় বছরের জন্য যাঁরা যোগ্য হবেন, তাঁদের লটারিতে অংশ নিতে হবে। লটারির মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৪৫ হাজার ভিসা দেওয়া হবে। আর তৃতীয় বছরের জন্য লটারির মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৫ হাজার জনকে নেওয়া হবে।

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি আরোপ করেছে দেশটির সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীরা আর অস্ট্রেলিয়ায় পরিবারের সদস্যদের নিতে পারবেন না। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এ ঘোষণা দিয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়া সরকারের হিসাবে, ২০২৬ সালের মার্চ থেকে আগের এক বছরে দেশটির জনসংখ্যা ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ২ কোটি ৭৯ লাখ হয়েছে। এর মধ্যে অভিবাসন করা ২ লাখ ৯২ হাজার ১০০ জন রয়েছেন। ২০২৮ সালের মধ্যে অভিবাসন ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনতে চায় অস্ট্রেলিয়া সরকার।
নতুন নিয়মের বিষয়ে টনি বার্ক বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থীদের অস্ট্রেলিয়ায় পরিবার নিয়ে আসার সুযোগ আর বাড়ানো হবে না। তবে ইতিমধ্যে যাঁরা অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করছেন, তাঁরা ছাড় পাবেন। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর আবেদনকারীদেরও ছাড় দেওয়া হবে। এ ছাড়া পিএইচডির শিক্ষার্থীরা সঙ্গে পরিবার আনতে পারবেন।
বিদেশি শিক্ষার্থীদের আরেকটি বিষয় নিয়েও বিধিনিষেধের কথা জানান অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তা হলো 'ভিসা হপিং'। এর অর্থ, অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করতে যাওয়া শিক্ষার্থীরা একটি ডিগ্রি শেষ হওয়ার পর আরেকটি ডিগ্রি নেওয়ার জন্য ভর্তির আবেদন করেন, যেন দেশটিতে থাকার মেয়াদ বাড়ানো যায়। অনেক ক্ষেত্রে পরের কোর্সগুলো হয় আগের চেয়ে কম মানের
এ বিষয়ে টনি বার্ক বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থীরা যদি 'আরও উচ্চমানের' ডিগ্রি নিতে চান, তাহলে তা করতে পারবেন। যেমন কোনো শিক্ষার্থী যদি স্নাতক ডিগ্রি শেষ করার পর স্নাতোকত্তর ডিগ্রি নিতে চান, তাহলে অনুমোদন দেওয়া হবে। এর ব্যতিক্রম হলে ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হবে না।
'ওয়ার্কিং হলিডে' ভিসায়ও বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন টনি বার্ক। এ ভিসায় বিদেশিরা অস্ট্রেলিয়ায় ১২ মাস কাজ করতে পারেন। পরে তাঁরা এ সময় দুই বা তিন বছর পর্যন্ত বাড়াতে পারেন। নতুন নিয়মে দ্বিতীয় বছরের জন্য যাঁরা যোগ্য হবেন, তাঁদের লটারিতে অংশ নিতে হবে। লটারির মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৪৫ হাজার ভিসা দেওয়া হবে। আর তৃতীয় বছরের জন্য লটারির মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৫ হাজার জনকে নেওয়া হবে।