কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের ছয় জেলার ৯১ হাজার ৪৯৪ টি আবেদন জমা পড়েছে।
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত ১১ আগস্ট থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুরু হয়ে ১৭ আগস্ট রাতে শেষ হয়। আবেদনকারীদের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের কাজ চলছে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা রয়েছে।
বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ বলেন, ‘এবার ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন রেকর্ডসংখ্যক। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দিয়ে দ্রুততার সঙ্গে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের কাজ চলছে, যাতে নির্ধারিত সময়েই ফল প্রকাশ করা যায়।’
এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার এক হাজার ৮২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এক লাখ ৪৫ হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ৯৫ হাজার ৩৯৯ জন। পাসের হার ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।
উত্তীর্ণদের মধ্যে ছেলেদের পাসের হার ৬৩ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং মেয়েদের ৬৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এবার মোট ৯ হাজার ৮১৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের মধ্যে ছাত্রী ৫ হাজার ৮৪৮ জন।
বোর্ড সংশ্লিষ্টরা জানান, ফেল করা শিক্ষার্থীদের কেউ একাধিক বিষয়ের খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছে। আবার অনেক উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী নম্বর বাড়ার আশায় পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছে।

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের ছয় জেলার ৯১ হাজার ৪৯৪ টি আবেদন জমা পড়েছে।
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত ১১ আগস্ট থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুরু হয়ে ১৭ আগস্ট রাতে শেষ হয়। আবেদনকারীদের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের কাজ চলছে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা রয়েছে।
বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ বলেন, ‘এবার ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন রেকর্ডসংখ্যক। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দিয়ে দ্রুততার সঙ্গে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের কাজ চলছে, যাতে নির্ধারিত সময়েই ফল প্রকাশ করা যায়।’
এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার এক হাজার ৮২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এক লাখ ৪৫ হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ৯৫ হাজার ৩৯৯ জন। পাসের হার ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।
উত্তীর্ণদের মধ্যে ছেলেদের পাসের হার ৬৩ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং মেয়েদের ৬৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এবার মোট ৯ হাজার ৮১৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের মধ্যে ছাত্রী ৫ হাজার ৮৪৮ জন।
বোর্ড সংশ্লিষ্টরা জানান, ফেল করা শিক্ষার্থীদের কেউ একাধিক বিষয়ের খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছে। আবার অনেক উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী নম্বর বাড়ার আশায় পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছে।