আমার শহর ডেস্ক

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর পুনর্নিরীক্ষণের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা যাবে। আজ সোমবার সকাল ১০টায় এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।
এবার পরীক্ষায় পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। গত ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সারা দেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ। একইসঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও।
এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষা, যেখানে গতবছর পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র সম্পূর্ণরূপে পুনরায় মূল্যায়ন করা হবে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ত্রুটি ধরা পড়লে তা সংশোধনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু জানান, মঙ্গলবার থেকে আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা যাবে। এ জন্য https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। এরপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর মোবাইল ফোন নম্বর দিতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ হলে এ নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। পরে স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। এক বা একাধিক বিষয়ে ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে। দুই পত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয়পত্রের আবেদন করতে হবে।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর পুনর্নিরীক্ষণের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা যাবে। আজ সোমবার সকাল ১০টায় এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।
এবার পরীক্ষায় পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। গত ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সারা দেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ। একইসঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও।
এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষা, যেখানে গতবছর পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র সম্পূর্ণরূপে পুনরায় মূল্যায়ন করা হবে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ত্রুটি ধরা পড়লে তা সংশোধনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু জানান, মঙ্গলবার থেকে আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা যাবে। এ জন্য https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। এরপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর মোবাইল ফোন নম্বর দিতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ হলে এ নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। পরে স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। এক বা একাধিক বিষয়ে ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে। দুই পত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয়পত্রের আবেদন করতে হবে।