উচ্চরক্তচাপের রোগীরা খাবার নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তায় থাকেন। কী খাবেন, কী খাবেন না, এটা নিয়েও টেনশন বেড়ে যায়। নিম্নে এ ধরনের রোগীদের খাবার নিয়ে পরামর্শ দেওয়া হলো-
- দুধ রক্তচাপের মাত্রা কমাতে অপরিহার্য। বায়োঅ্যাকটিভ পেপটাইড হলো দুধের এক ধরনের প্রোটিন যা রক্তচাপের মাত্রা সঠিক রাখে।
- মধু রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। এটি হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য রক্ষা করতেও সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না, দিনে ১-২ চা চামচ।
- সবুজ চা (গ্রিন টি) রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে উচ্চরক্তচাপ পরিচালনা করতে সহায়তা করতে পারে। হার্টের টিস্যুেত প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে। এ ছাড়া গ্রিন-টিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিরা দিনে এক বা দুই কাপ গ্রিন টি পান করতে পারেন।
- উচ্চরক্তচাপের রোগীদের জন্য প্রতিদিন ছয় থেকে আট গ্লাস পানি পান করে হাইড্রেটেড থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।
- ডিমের উচ্চরক্তচাপের ওপর কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব নেই। সীমিত পরিমাণে খাওয়া হলে, উচ্চরক্তচাপের ক্ষেত্রেও ডিম নিরাপদ। তবে ডিম অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পেতে পারে। উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণে হার্টের জন্য আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে। এটি শেষ পর্যন্ত রক্তচাপের মাত্রা বাড়ায়।
- কলা উচ্চরক্তচাপের জন্য ভালো। কলা পটাশিয়ামসমৃদ্ধ এবং সোডিয়াম কম থাকে। পটাশিয়াম গ্রহণ শরীরকে অতিরিক্ত পরিমাণে সোডিয়াম থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করে। কারণ, অনেক বেশি সোডিয়াম ধমনিকে সংকুচিত করে। এটি রক্ত প্রবাহকে বাধা দেয়, রক্ত পাম্প করার সময় হৃৎপিণ্ডর ওপর আরও চাপ বাড়ায়।
- কাঁচা লবণ বা ভাজা লবণের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ খাবারের টেবিলে লবণ রাখে যাতে ভাতে আলগা করে নিতে পারেন। এটি তাদের অভ্যাসগত সমস্যা। এটি পরিহার করুন।