• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> স্বাস্থ্য

শীতে ঠান্ডা না গরম, কোন পানি দিয়ে গোসল করা বেশি ভালো

আমার শহর লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪: ১০
logo

শীতে ঠান্ডা না গরম, কোন পানি দিয়ে গোসল করা বেশি ভালো

আমার শহর লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪: ১০
Photo

এখনো শীত পুরোপরি নামেনি। তবে শীত নামাটা সময়ের ব্যাপার। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমছে। আর এই শীতের সময় অন্যান্য সময়ের মতো ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল করা বেশ কষ্টসাধ্য বিষয়। এই সময় ঠান্ডা আবহাওয়া থেকে রক্ষার জন্য নানা কাজ করা হয় আমাদের। গরম ও মোটা কাপড় পরাসহ নিজেকে সবসময় বাতাস থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হয়। কেউ কেউ আবার কিছুক্ষণ পরপরই গরম পানি পান বা চা-কফিতে চুমুক দেন। সবই মূলত ঠান্ডা থেকে বাঁচতে করা হয়।

শীতে সব থেকে বড় সমস্যা দেখা দেয় গোসল নিয়ে। এ সময় গোসল করা অনেকের কাছেই এক প্রকার যুদ্ধের মতো। ঠান্ডার ভয়ে বেলা বাড়ার পর গোসল করা হয়। এ সময় কেউ ঠান্ডা পানি দিয়েই গোসল করেন, আবার কেউ হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করেন। কিন্তু এই গোসলের পানি ঠান্ডা না গরম কোনটি ভালো, এ নিয়ে আবার নানা মত রয়েছে। যা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এনডিটিভি। তাহলে এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক।

শীতে গরম পানিতে গোসলের উপকারিতা:

গরম পানির উষ্ণতা পেশীর টানটান ভাব দূর করতে সহায়তা করতে পারে। এটি চাপ কমানোর সহজ উপায় হিসেবেও কাজ করে। শীতের ব্যথা বা ক্লান্তি অনুভব করা মানুষদের কাছে গরম পানিতে গোসল আদর্শ। গরম পানি রক্তনালীকে প্রসারিত করে, এটি রক্ত প্রবাহ উন্নত করতে এবং ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে সৃষ্ট শক্ত হওয়া বা ব্যথা থেকে মুক্তি দিতেও কাজ করে। গরম পানি থেকে উঠা বাষ্প নাকের পথ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং নাকের ময়লা কমাতেও কাজ করে। শীতের ঠান্ডা থেকে মুক্তি দিতেও কার্যকর।

গরম পানিতে গোসলের অপকারিতা:

গরম পানিতে দীর্ঘক্ষণ থাকার কারণে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হতে পারে। এটি শীতে ত্বকের শুষ্কতা আরও বাড়াতে পারে এবং জ্বালাপোড়ার পাশাপাশি চুলকানির কারণও হতে পারে। গরম পানিতে গোসল করলে ত্বকের বাইরের স্তরের ক্ষতি হয়। ফলে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার এবং পরিবেশগত আক্রমণকারীদের হাত থেকে রক্ষা করার কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। শীতে ত্বকের প্রয়োজনীয় তেল হ্রাস পাওয়ার জন্য গরম পানিতে গোসল করা একজিমা বা সোরিয়াসিসের মতো কিছু রোগ আরও খারাপ হতে পারে।

শীতে ঠান্ডা পানিতে গোসলের উপকারিতা:

নিয়মিত ঠান্ডা পানিতে গোসলের কারণে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় বলে বিশ্বাস করা হয়। এটি শ্বেত রক্তকণিকার উৎপাদন এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধির কারণে হয়ে থাকে। ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে শরীর শক্তি পায়। এতে অলসতা কাটে এবং মনোযোগ বাড়ে বলে ধারণা করা হয়। ঠান্ডা পানিতে গোসলের পর ঠান্ডা তাপমাত্রা শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ফলে ব্যথা কমাসহ ফোলা জয়েন্টগুলো প্রশমিত হয়।

ঠান্ডা পানিতে গোসলের অসুবিধা:

হঠাৎ ঠান্ডা পানিতে গোসলের কারণে শ্বাসকষ্ট হতে পারে অথবা হাঁপানি বা ব্রঙ্কাইটিসের মতো শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। আবার যাদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, রক্ত সঞ্চালন দুর্বল অথবা হৃদরোগ রয়েছে, তাদের ঠান্ডা পানিতে গোসল করা শরীরের জন্য অত্যধিক চাপের কারণ হতে পারে, বিশেষ করে শীতের সময়। আবার ক্ষেত্রবিশেষ কিছু মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে ঠান্ডা অনুভব করেন, যা শীতের আরাম থেকে বঞ্চিত করে থাকে।

পরামর্শ:
শীতে কোন পানি দিয়ে গোসল করবেন, তা নির্ভর করছে আপনার শরীরের ওপর। তবে একটি ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতি নির্বাচন করা উত্তম। সঠিক তাপমাত্রার জন্য হালকা গরম পানি আদর্শ হতে পারে।

Thumbnail image

এখনো শীত পুরোপরি নামেনি। তবে শীত নামাটা সময়ের ব্যাপার। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমছে। আর এই শীতের সময় অন্যান্য সময়ের মতো ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল করা বেশ কষ্টসাধ্য বিষয়। এই সময় ঠান্ডা আবহাওয়া থেকে রক্ষার জন্য নানা কাজ করা হয় আমাদের। গরম ও মোটা কাপড় পরাসহ নিজেকে সবসময় বাতাস থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হয়। কেউ কেউ আবার কিছুক্ষণ পরপরই গরম পানি পান বা চা-কফিতে চুমুক দেন। সবই মূলত ঠান্ডা থেকে বাঁচতে করা হয়।

শীতে সব থেকে বড় সমস্যা দেখা দেয় গোসল নিয়ে। এ সময় গোসল করা অনেকের কাছেই এক প্রকার যুদ্ধের মতো। ঠান্ডার ভয়ে বেলা বাড়ার পর গোসল করা হয়। এ সময় কেউ ঠান্ডা পানি দিয়েই গোসল করেন, আবার কেউ হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করেন। কিন্তু এই গোসলের পানি ঠান্ডা না গরম কোনটি ভালো, এ নিয়ে আবার নানা মত রয়েছে। যা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এনডিটিভি। তাহলে এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক।

শীতে গরম পানিতে গোসলের উপকারিতা:

গরম পানির উষ্ণতা পেশীর টানটান ভাব দূর করতে সহায়তা করতে পারে। এটি চাপ কমানোর সহজ উপায় হিসেবেও কাজ করে। শীতের ব্যথা বা ক্লান্তি অনুভব করা মানুষদের কাছে গরম পানিতে গোসল আদর্শ। গরম পানি রক্তনালীকে প্রসারিত করে, এটি রক্ত প্রবাহ উন্নত করতে এবং ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে সৃষ্ট শক্ত হওয়া বা ব্যথা থেকে মুক্তি দিতেও কাজ করে। গরম পানি থেকে উঠা বাষ্প নাকের পথ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং নাকের ময়লা কমাতেও কাজ করে। শীতের ঠান্ডা থেকে মুক্তি দিতেও কার্যকর।

গরম পানিতে গোসলের অপকারিতা:

গরম পানিতে দীর্ঘক্ষণ থাকার কারণে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হতে পারে। এটি শীতে ত্বকের শুষ্কতা আরও বাড়াতে পারে এবং জ্বালাপোড়ার পাশাপাশি চুলকানির কারণও হতে পারে। গরম পানিতে গোসল করলে ত্বকের বাইরের স্তরের ক্ষতি হয়। ফলে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার এবং পরিবেশগত আক্রমণকারীদের হাত থেকে রক্ষা করার কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। শীতে ত্বকের প্রয়োজনীয় তেল হ্রাস পাওয়ার জন্য গরম পানিতে গোসল করা একজিমা বা সোরিয়াসিসের মতো কিছু রোগ আরও খারাপ হতে পারে।

শীতে ঠান্ডা পানিতে গোসলের উপকারিতা:

নিয়মিত ঠান্ডা পানিতে গোসলের কারণে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় বলে বিশ্বাস করা হয়। এটি শ্বেত রক্তকণিকার উৎপাদন এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধির কারণে হয়ে থাকে। ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে শরীর শক্তি পায়। এতে অলসতা কাটে এবং মনোযোগ বাড়ে বলে ধারণা করা হয়। ঠান্ডা পানিতে গোসলের পর ঠান্ডা তাপমাত্রা শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ফলে ব্যথা কমাসহ ফোলা জয়েন্টগুলো প্রশমিত হয়।

ঠান্ডা পানিতে গোসলের অসুবিধা:

হঠাৎ ঠান্ডা পানিতে গোসলের কারণে শ্বাসকষ্ট হতে পারে অথবা হাঁপানি বা ব্রঙ্কাইটিসের মতো শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। আবার যাদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, রক্ত সঞ্চালন দুর্বল অথবা হৃদরোগ রয়েছে, তাদের ঠান্ডা পানিতে গোসল করা শরীরের জন্য অত্যধিক চাপের কারণ হতে পারে, বিশেষ করে শীতের সময়। আবার ক্ষেত্রবিশেষ কিছু মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে ঠান্ডা অনুভব করেন, যা শীতের আরাম থেকে বঞ্চিত করে থাকে।

পরামর্শ:
শীতে কোন পানি দিয়ে গোসল করবেন, তা নির্ভর করছে আপনার শরীরের ওপর। তবে একটি ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতি নির্বাচন করা উত্তম। সঠিক তাপমাত্রার জন্য হালকা গরম পানি আদর্শ হতে পারে।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

কুমিল্লায় প্রথমবার ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অল্প খরচে আধুনিক এন্ডোস্কোপিক এডেনোটনসিলেকটমি

২

শীতে ঠান্ডা না গরম, কোন পানি দিয়ে গোসল করা বেশি ভালো

৩

সকল রোগের মহৌষধ কালোজিরা

৪

খেজুর খাওয়ার যত উপকার

৫

শীতের সবজি সবার জন্য নয়

সম্পর্কিত

কুমিল্লায় প্রথমবার ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অল্প খরচে আধুনিক এন্ডোস্কোপিক এডেনোটনসিলেকটমি

কুমিল্লায় প্রথমবার ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অল্প খরচে আধুনিক এন্ডোস্কোপিক এডেনোটনসিলেকটমি

০৫ জানুয়ারি ২০২৬
সকল রোগের মহৌষধ কালোজিরা

সকল রোগের মহৌষধ কালোজিরা

৩০ নভেম্বর ২০২৫
খেজুর খাওয়ার যত উপকার

খেজুর খাওয়ার যত উপকার

৩০ নভেম্বর ২০২৫
শীতের সবজি সবার জন্য নয়

শীতের সবজি সবার জন্য নয়

২৭ নভেম্বর ২০২৫