নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লায় এই প্রথম ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মাইক্রোডিভাইডার অ্যাসিস্টেড এন্ডোস্কোপিক এডেনোটনসিলেকটমি নিয়মিতভাবে সফলভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে। এই উন্নত ও প্রযুক্তিনির্ভর সার্জারিটি স্বনামধন্য নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. কলিম উল্লাহর নেতৃত্বে পরিচালনা করছেন ডা. মোঃ মঈনুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক, নাক-কান-গলা বিভাগ, ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ।
এ প্রসঙ্গে উক্ত বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. এ কে এম আফজালুর রহমান বলেন, আগে প্রচলিত এডেনয়েড সার্জারিতে সরাসরি না দেখে ( Blind Technique) অপারেশন করা হতো। এতে অনেক সময় পুরো এডেনয়েড টিস্যু সম্পূর্ণভাবে অপসারণ সম্ভব হতো না এবং অপারেশনের পর পুনরায় সমস্যা দেখা দিত। পাশাপাশি রক্তপাতের পরিমাণও তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল।
বর্তমান এন্ডোস্কোপিক এডেনয়েড সার্জারিতে আধুনিক এন্ডোস্কোপিক ক্যামেরা ও মনিটরের মাধ্যমে ভেতরের অংশ সরাসরি দেখা যায়। ফলে পুরো এডেনয়েড টিস্যু নির্ভুলভাবে অপসারণ করা সম্ভব হচ্ছে।
মাইক্রো ডেব্রাইডারের সাহায্যে ধাপে ধাপে অপ্রয়োজনীয় টিস্যু কেটে ফেলা হয়, যার ফলে রক্তপাত কম হয় এবং আশপাশের স্বাভাবিক টিস্যু অক্ষত থাকে।
ডা. মো. মঈনুল ইসলাম জানান, এই পদ্ধতিতে অপারেশনের সময় কম লাগে, জটিলতার ঝুঁকি কম থাকে এবং রোগী দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের নাক বন্ধ থাকা, মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া, ঘন ঘন সর্দি-কাশি ও কানের সমস্যার ক্ষেত্রে এই সার্জারি অত্যন্ত কার্যকর।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো-এতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হলেও এই সার্জারির খরচ সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যেই রাখা হয়েছে। এর ফলে কুমিল্লাসহ আশপাশের জেলার রোগীরা এখন ঢাকায় না গিয়েও নিজ এলাকায় উন্নতমানের নাক-কান-গলা চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অত্র বিভাগে কুমিল্লার প্রথিতযশা নাক, কান ও গলা বিভাগের বিশিষ্ট চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. কলিম উল্লাহ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ আনোয়ার উল আলম, সহকারী অধ্যাপক ডা. এ.কে.এম. আফজালুর রহমান, কনসালটেন্ট ডা. মোঃ মঈনুল ইসলাম সহ ৮ জন চিকিৎসক ২০১০ সাল থেকে নিয়মিত চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছেন।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ মোহাম্মদ সেলিম ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা মনে করছেন, কুমিল্লায় এই প্রথম এ ধরনের আধুনিক এন্ডোস্কোপিক সার্জারি চালু হওয়ায় স্বাস্থ্যসেবায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।
এছাড়াও এ বিভাগে খুবই অল্প খরচে নাক ডাকা, নাকের হাড় বাকা, কানের পর্দা লাগানো সহ থাইরয়েডের সকল সার্জারি নিয়মিত সম্পন্ন হয়ে আসছে।

কুমিল্লায় এই প্রথম ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মাইক্রোডিভাইডার অ্যাসিস্টেড এন্ডোস্কোপিক এডেনোটনসিলেকটমি নিয়মিতভাবে সফলভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে। এই উন্নত ও প্রযুক্তিনির্ভর সার্জারিটি স্বনামধন্য নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. কলিম উল্লাহর নেতৃত্বে পরিচালনা করছেন ডা. মোঃ মঈনুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক, নাক-কান-গলা বিভাগ, ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ।
এ প্রসঙ্গে উক্ত বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. এ কে এম আফজালুর রহমান বলেন, আগে প্রচলিত এডেনয়েড সার্জারিতে সরাসরি না দেখে ( Blind Technique) অপারেশন করা হতো। এতে অনেক সময় পুরো এডেনয়েড টিস্যু সম্পূর্ণভাবে অপসারণ সম্ভব হতো না এবং অপারেশনের পর পুনরায় সমস্যা দেখা দিত। পাশাপাশি রক্তপাতের পরিমাণও তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল।
বর্তমান এন্ডোস্কোপিক এডেনয়েড সার্জারিতে আধুনিক এন্ডোস্কোপিক ক্যামেরা ও মনিটরের মাধ্যমে ভেতরের অংশ সরাসরি দেখা যায়। ফলে পুরো এডেনয়েড টিস্যু নির্ভুলভাবে অপসারণ করা সম্ভব হচ্ছে।
মাইক্রো ডেব্রাইডারের সাহায্যে ধাপে ধাপে অপ্রয়োজনীয় টিস্যু কেটে ফেলা হয়, যার ফলে রক্তপাত কম হয় এবং আশপাশের স্বাভাবিক টিস্যু অক্ষত থাকে।
ডা. মো. মঈনুল ইসলাম জানান, এই পদ্ধতিতে অপারেশনের সময় কম লাগে, জটিলতার ঝুঁকি কম থাকে এবং রোগী দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের নাক বন্ধ থাকা, মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া, ঘন ঘন সর্দি-কাশি ও কানের সমস্যার ক্ষেত্রে এই সার্জারি অত্যন্ত কার্যকর।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো-এতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হলেও এই সার্জারির খরচ সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যেই রাখা হয়েছে। এর ফলে কুমিল্লাসহ আশপাশের জেলার রোগীরা এখন ঢাকায় না গিয়েও নিজ এলাকায় উন্নতমানের নাক-কান-গলা চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অত্র বিভাগে কুমিল্লার প্রথিতযশা নাক, কান ও গলা বিভাগের বিশিষ্ট চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. কলিম উল্লাহ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ আনোয়ার উল আলম, সহকারী অধ্যাপক ডা. এ.কে.এম. আফজালুর রহমান, কনসালটেন্ট ডা. মোঃ মঈনুল ইসলাম সহ ৮ জন চিকিৎসক ২০১০ সাল থেকে নিয়মিত চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছেন।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ মোহাম্মদ সেলিম ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা মনে করছেন, কুমিল্লায় এই প্রথম এ ধরনের আধুনিক এন্ডোস্কোপিক সার্জারি চালু হওয়ায় স্বাস্থ্যসেবায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।
এছাড়াও এ বিভাগে খুবই অল্প খরচে নাক ডাকা, নাকের হাড় বাকা, কানের পর্দা লাগানো সহ থাইরয়েডের সকল সার্জারি নিয়মিত সম্পন্ন হয়ে আসছে।