• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> স্বাস্থ্য

বিটরুটের ১০ উপকারিতা

যেভাবে বিটরুট খাওয়া নিরাপদ

আমার শহর ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৭: ২৮
logo

বিটরুটের ১০ উপকারিতা

আমার শহর ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৭: ২৮
Photo

বিটরুট প্রাকৃতিকভাবে হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখঃ বিটরুটে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রেট আছে। নাইট্রেট রক্তনালিকে শিথিল করে। এতে রক্তসঞ্চালন সহজ হয়। তাই বিটরুট খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে, হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমে।

ব্যায়ামের পারফরম্যান্সে উন্নতি ঘটায়ঃ দৌড়বিদ ও খেলোয়াড়েরা বিটরুটের জুস খান। কারণ, এটি শরীরে অক্সিজেন এফিশিয়েন্সি বাড়ায়। কোনো কাজ করার সময় আপনার শরীর কতটা ভালোভাবে অক্সিজেন ব্যবহার করতে পারে, সেটাই অক্সিজেন এফিশিয়েন্সি। অক্সিজেন এফিশিয়েন্সি বাড়লে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যায়াম বা খেলাধুলা করা যায়। সহজে ক্লান্তি আসে না।

যকৃতের ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়ঃ বিটরুটে বিটেইনস নামের উপাদান থাকে। এটি যকৃতকে কর্মক্ষম রাখে। শরীর থেকে সহজেই ক্ষতিকর পদার্থগুলো বেরিয়ে যায়।

হজমে সহায়তা করেঃ বিটরুটের আঁশ পেটের জন্য ভালো। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। পরিপাকতন্ত্র সুস্থ থাকে।

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়ঃ বিটরুটের নাইট্রেট মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চালন বাড়ায়। এতে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়। স্মৃতিশক্তি বাড়ে। বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ আরও দক্ষতার সঙ্গে করা সম্ভব হয়। এ কারণেই একটু বয়সীদের জন্য বিটরুট এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উপকারী।

রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়ঃ বিটরুটে আছে প্রচুর ভিটামিন সি, আয়রন ও ফোলেট। এসব উপাদান রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায় এবং শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রাখে।

ত্বক সুন্দর করেঃ বিটরুটে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী যৌগ আছে। এসব যৌগ ফ্রি র‍্যাডিক্যাল প্রতিরোধ করে। ত্বক হয় পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারেঃ mবিটরুটে ক্যালরি কম, কিন্ত আঁশ বেশি। তাই বিটরুট খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। এতে ওজন কমানো সহজ হয়।

প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করেঃ বিটরুটে রয়েছে বিটালেইনস। এই যৌগ বিভিন্ন রোগ থেকে সৃষ্ট দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ নির্মূলে শক্তিশালী ভূমিকা রাখে।

ডিটক্স প্রক্রিয়াকে সহায়তা করেঃ নিয়মিত বিটরুট খেলে ডিটক্স, অর্থাৎ শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ার উন্নতি হয়। শরীর থাকে ঝরঝরে ও প্রাণশক্তিতে পরিপূর্ণ।

যেভাবে বিটরুট খাওয়া কিডনির জন্য নিরাপদঃ বিটরুট স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে এতে প্রচুর অক্সালেট আছে। ফলে কিডনিতে পাথর সৃষ্টি হতে পারে। আপনি কি কিডনির সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে সপ্তাহে অল্প করে দু-তিনবার বিটরুট খেতে পারেন। সেদ্ধ করে খেলে ৮০ শতাংশ অক্সালেট দূর হয়ে যায়। পালংশাক, রেউচিনি, বাদাম ইত্যাদির সঙ্গে বিটরুট খাবেন না।

Thumbnail image

বিটরুট প্রাকৃতিকভাবে হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখঃ বিটরুটে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রেট আছে। নাইট্রেট রক্তনালিকে শিথিল করে। এতে রক্তসঞ্চালন সহজ হয়। তাই বিটরুট খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে, হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমে।

ব্যায়ামের পারফরম্যান্সে উন্নতি ঘটায়ঃ দৌড়বিদ ও খেলোয়াড়েরা বিটরুটের জুস খান। কারণ, এটি শরীরে অক্সিজেন এফিশিয়েন্সি বাড়ায়। কোনো কাজ করার সময় আপনার শরীর কতটা ভালোভাবে অক্সিজেন ব্যবহার করতে পারে, সেটাই অক্সিজেন এফিশিয়েন্সি। অক্সিজেন এফিশিয়েন্সি বাড়লে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যায়াম বা খেলাধুলা করা যায়। সহজে ক্লান্তি আসে না।

যকৃতের ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়ঃ বিটরুটে বিটেইনস নামের উপাদান থাকে। এটি যকৃতকে কর্মক্ষম রাখে। শরীর থেকে সহজেই ক্ষতিকর পদার্থগুলো বেরিয়ে যায়।

হজমে সহায়তা করেঃ বিটরুটের আঁশ পেটের জন্য ভালো। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। পরিপাকতন্ত্র সুস্থ থাকে।

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়ঃ বিটরুটের নাইট্রেট মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চালন বাড়ায়। এতে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়। স্মৃতিশক্তি বাড়ে। বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ আরও দক্ষতার সঙ্গে করা সম্ভব হয়। এ কারণেই একটু বয়সীদের জন্য বিটরুট এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উপকারী।

রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়ঃ বিটরুটে আছে প্রচুর ভিটামিন সি, আয়রন ও ফোলেট। এসব উপাদান রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায় এবং শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রাখে।

ত্বক সুন্দর করেঃ বিটরুটে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী যৌগ আছে। এসব যৌগ ফ্রি র‍্যাডিক্যাল প্রতিরোধ করে। ত্বক হয় পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারেঃ mবিটরুটে ক্যালরি কম, কিন্ত আঁশ বেশি। তাই বিটরুট খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। এতে ওজন কমানো সহজ হয়।

প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করেঃ বিটরুটে রয়েছে বিটালেইনস। এই যৌগ বিভিন্ন রোগ থেকে সৃষ্ট দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ নির্মূলে শক্তিশালী ভূমিকা রাখে।

ডিটক্স প্রক্রিয়াকে সহায়তা করেঃ নিয়মিত বিটরুট খেলে ডিটক্স, অর্থাৎ শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ার উন্নতি হয়। শরীর থাকে ঝরঝরে ও প্রাণশক্তিতে পরিপূর্ণ।

যেভাবে বিটরুট খাওয়া কিডনির জন্য নিরাপদঃ বিটরুট স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে এতে প্রচুর অক্সালেট আছে। ফলে কিডনিতে পাথর সৃষ্টি হতে পারে। আপনি কি কিডনির সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে সপ্তাহে অল্প করে দু-তিনবার বিটরুট খেতে পারেন। সেদ্ধ করে খেলে ৮০ শতাংশ অক্সালেট দূর হয়ে যায়। পালংশাক, রেউচিনি, বাদাম ইত্যাদির সঙ্গে বিটরুট খাবেন না।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

কুমিল্লায় প্রথমবার ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অল্প খরচে আধুনিক এন্ডোস্কোপিক এডেনোটনসিলেকটমি

২

শীতে ঠান্ডা না গরম, কোন পানি দিয়ে গোসল করা বেশি ভালো

৩

সকল রোগের মহৌষধ কালোজিরা

৪

খেজুর খাওয়ার যত উপকার

৫

শীতের সবজি সবার জন্য নয়

সম্পর্কিত

কুমিল্লায় প্রথমবার ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অল্প খরচে আধুনিক এন্ডোস্কোপিক এডেনোটনসিলেকটমি

কুমিল্লায় প্রথমবার ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অল্প খরচে আধুনিক এন্ডোস্কোপিক এডেনোটনসিলেকটমি

৭ দিন আগে
শীতে ঠান্ডা না গরম, কোন পানি দিয়ে গোসল করা বেশি ভালো

শীতে ঠান্ডা না গরম, কোন পানি দিয়ে গোসল করা বেশি ভালো

০৭ ডিসেম্বর ২০২৫
সকল রোগের মহৌষধ কালোজিরা

সকল রোগের মহৌষধ কালোজিরা

৩০ নভেম্বর ২০২৫
খেজুর খাওয়ার যত উপকার

খেজুর খাওয়ার যত উপকার

৩০ নভেম্বর ২০২৫