কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে বড় পুরস্কার দিয়েছে দল। তিনি কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তাঁর মন্ত্রী হওয়ার খবরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। কুমিল্লা -৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) আসনে তিনি এমপি হওয়ার জন্য দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। দল তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দেয়নি। ক্ষমতায় আসায় মন্ত্রী করেছেন।
এর আগে কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন বিএনপির কুমিল্লার এম কে আনোয়ার, আওয়ামী লীগের মতিয়া চৌধুরী ও ড. আবদুর রাজ্জাক।
কুমিল্লা-৬ আসনের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান কথা রেখেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে তিনি দক্ষিণ কুমিল্লার ছয়টি নির্বাচনী এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে কাজ করেছেন। পাঁচটি আসনে তাঁর সমন্বয়কের নেতৃত্বে বিএনপি প্রত্যাশিত ফল অর্জন করেছে। মোহাম্মদ আমিন-উর-রশিদ ইয়াছিনের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৩ জানুয়ারি। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের পরানপুর গ্রামে। বাবা প্রয়াত আলী মিয়া ও মা আমেনা বেগম। স্ত্রীর নাম মোসাম্মৎ তাহমিনা আক্তার। তাঁর দুই ছেলে। তিনি ও ছেলেরা ব্যবসা করেন। আরকু অগানিক ফুড ও লালমাই ফুটওয়্যার তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম। কুমিল্লা নগরের ১১ নং ওয়ার্ডের কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ সংলগ্ন মনোহরপুর নিমতলী এলাকায় তিনি বাড়ি করেছেন। ওই এলাকার ভোটার তিনি। থাকেন কুমিল্লা নগরের ১০ নং ওয়ার্ডের হোয়াইট হাউজ বাসার ফ্ল্যাটে।
ইয়াছিন ১৯৯০ সালের পর কুমিল্লায় বিএনপির রাজনীতিতে সতিনা হন। তিনি কোতোয়ালি থানা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিলুপ্ত কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। দুইবারই তিনি পরাজিত হন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি কুমিল্লা-৬ আসনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে টানা ৭৯ দিন কর্মসূচি পালন করেন। এক পর্যায়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দেন। পরে ১৫ জানুয়ারি তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন।
তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হন ২০০৯ সালের ২৪ নভেম্বর। ২০২২ সালের ৩০ মে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক হন। ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওই দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য হন। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যার সময় কাজ করেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য।
কুমিল্লা নগরের সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আছে। মানুষের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ। তাঁর সঙ্গে আড্ডা দিয়ে মজা পান নগরের সংস্কৃতি অঙ্গনের নানা পেশার মানুষ।
কান্দিরপাড় এলাকার এক ব্যবসায়ী বলেন, 'চেয়েছিলাম এমপি, পেয়ে গেলাম মন্ত্রী। তাঁর মনোনয়ন ফেরাতে আমরা কতকিছু করেছিলাম। আজ সেই দুঃখ মুছে গেছে।'
জানতে চাইলে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ইয়াছিন ভাই একজন সৎ, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। তিনি চেয়ারম্যান মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। বিএনপি তাঁকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করায় আমরা তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি তৃণমূলের কর্মীদের অভিভাবক। মোহাম্মদ আমিন-উর-রশিদ ইয়াছিন বলেন, 'সবকিছুর জন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। আমি সবার কাছে দোয়া চাই।

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে বড় পুরস্কার দিয়েছে দল। তিনি কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তাঁর মন্ত্রী হওয়ার খবরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। কুমিল্লা -৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) আসনে তিনি এমপি হওয়ার জন্য দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। দল তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দেয়নি। ক্ষমতায় আসায় মন্ত্রী করেছেন।
এর আগে কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন বিএনপির কুমিল্লার এম কে আনোয়ার, আওয়ামী লীগের মতিয়া চৌধুরী ও ড. আবদুর রাজ্জাক।
কুমিল্লা-৬ আসনের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান কথা রেখেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে তিনি দক্ষিণ কুমিল্লার ছয়টি নির্বাচনী এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে কাজ করেছেন। পাঁচটি আসনে তাঁর সমন্বয়কের নেতৃত্বে বিএনপি প্রত্যাশিত ফল অর্জন করেছে। মোহাম্মদ আমিন-উর-রশিদ ইয়াছিনের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৩ জানুয়ারি। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের পরানপুর গ্রামে। বাবা প্রয়াত আলী মিয়া ও মা আমেনা বেগম। স্ত্রীর নাম মোসাম্মৎ তাহমিনা আক্তার। তাঁর দুই ছেলে। তিনি ও ছেলেরা ব্যবসা করেন। আরকু অগানিক ফুড ও লালমাই ফুটওয়্যার তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম। কুমিল্লা নগরের ১১ নং ওয়ার্ডের কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ সংলগ্ন মনোহরপুর নিমতলী এলাকায় তিনি বাড়ি করেছেন। ওই এলাকার ভোটার তিনি। থাকেন কুমিল্লা নগরের ১০ নং ওয়ার্ডের হোয়াইট হাউজ বাসার ফ্ল্যাটে।
ইয়াছিন ১৯৯০ সালের পর কুমিল্লায় বিএনপির রাজনীতিতে সতিনা হন। তিনি কোতোয়ালি থানা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিলুপ্ত কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। দুইবারই তিনি পরাজিত হন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি কুমিল্লা-৬ আসনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে টানা ৭৯ দিন কর্মসূচি পালন করেন। এক পর্যায়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দেন। পরে ১৫ জানুয়ারি তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন।
তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হন ২০০৯ সালের ২৪ নভেম্বর। ২০২২ সালের ৩০ মে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক হন। ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওই দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য হন। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যার সময় কাজ করেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য।
কুমিল্লা নগরের সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আছে। মানুষের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ। তাঁর সঙ্গে আড্ডা দিয়ে মজা পান নগরের সংস্কৃতি অঙ্গনের নানা পেশার মানুষ।
কান্দিরপাড় এলাকার এক ব্যবসায়ী বলেন, 'চেয়েছিলাম এমপি, পেয়ে গেলাম মন্ত্রী। তাঁর মনোনয়ন ফেরাতে আমরা কতকিছু করেছিলাম। আজ সেই দুঃখ মুছে গেছে।'
জানতে চাইলে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ইয়াছিন ভাই একজন সৎ, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। তিনি চেয়ারম্যান মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। বিএনপি তাঁকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করায় আমরা তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি তৃণমূলের কর্মীদের অভিভাবক। মোহাম্মদ আমিন-উর-রশিদ ইয়াছিন বলেন, 'সবকিছুর জন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। আমি সবার কাছে দোয়া চাই।