নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনে মহিলা সংসদ সদস্য হতে চান কেন্দ্রীয় মহিলা দলের কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী নাজিয়া হক। তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। পেশায় শিক্ষক নাজিয়া কুমিল্লার ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি।
নাজিয়া কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সাবেক সচিব ও কুমিল্লা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কাজী হারুনুল হকের মেয়ে। তাঁর মা সামসী জাহান আত্মনিবেদিতা মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ছিলেন। অধ্যাপক কাজী হারুনুল হকের দুই ছেলে ও এক মেয়ে। নাজিয়ার বাসা কুমিল্লা হাউজিং এস্টেট এলাকায়। তিনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১৮ নং ওয়ার্ডের ভোটার।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৯ সালের ৭ জানুয়ারি তাঁর জন্ম। তিনি ১৯৮৪ সালে আওয়ার লেডি অব ফাতিমা গার্লস হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পাস করেন। ১৯৮৬ সালে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে এইচএসসি পাস করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স করেন। পরে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে এমএড ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় রোকেয়া হল ছাত্রদলের নেত্রী ছিলেন। তিনি মগবাজার গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক ছিলেন। এছাড়া তিনি মৌচাক মডার্ন টিচার্স ট্রেনিং কলেজেরও সিনিয়র প্রভাষক ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ছিলেন। তাঁর স্বামী পেশায় চিকিৎসক ও সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তাঁর এক মেয়ে ও এক ছেলে।
জানতে চাইলে কাজী নাজিয়া হক বলেন, দীর্ঘদিন থেকে বিএনপির রাজনীতি করছি। মহিলা দলের নেতৃত্ব দিচ্ছি। দলের দুঃসময়ে মাঠে ছিলাম। এখন দল ত্যাগীদের মূল্যায়ন করছে। আশা করি দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবদিক বিবেচনা করে আমাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্য করবেন। সেই লক্ষে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনে মহিলা সংসদ সদস্য হতে চান কেন্দ্রীয় মহিলা দলের কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী নাজিয়া হক। তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। পেশায় শিক্ষক নাজিয়া কুমিল্লার ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি।
নাজিয়া কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সাবেক সচিব ও কুমিল্লা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কাজী হারুনুল হকের মেয়ে। তাঁর মা সামসী জাহান আত্মনিবেদিতা মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ছিলেন। অধ্যাপক কাজী হারুনুল হকের দুই ছেলে ও এক মেয়ে। নাজিয়ার বাসা কুমিল্লা হাউজিং এস্টেট এলাকায়। তিনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১৮ নং ওয়ার্ডের ভোটার।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৯ সালের ৭ জানুয়ারি তাঁর জন্ম। তিনি ১৯৮৪ সালে আওয়ার লেডি অব ফাতিমা গার্লস হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পাস করেন। ১৯৮৬ সালে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে এইচএসসি পাস করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স করেন। পরে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে এমএড ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় রোকেয়া হল ছাত্রদলের নেত্রী ছিলেন। তিনি মগবাজার গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক ছিলেন। এছাড়া তিনি মৌচাক মডার্ন টিচার্স ট্রেনিং কলেজেরও সিনিয়র প্রভাষক ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ছিলেন। তাঁর স্বামী পেশায় চিকিৎসক ও সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তাঁর এক মেয়ে ও এক ছেলে।
জানতে চাইলে কাজী নাজিয়া হক বলেন, দীর্ঘদিন থেকে বিএনপির রাজনীতি করছি। মহিলা দলের নেতৃত্ব দিচ্ছি। দলের দুঃসময়ে মাঠে ছিলাম। এখন দল ত্যাগীদের মূল্যায়ন করছে। আশা করি দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবদিক বিবেচনা করে আমাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্য করবেন। সেই লক্ষে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।