কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার শুরু হচ্ছে সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এই নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী কে তা নিয়ে চলছে আলোচনা।
এ পর্যন্ত চারজনের নাম আলোচনায় আছে। তাঁরা হলেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু ও সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু। এর বাইরে আলোচনায় আছে সাবেক মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য কাউসার জামান বাপ্পী। এর মধ্যে সাক্কু বিএনপি থেকে আজীবনের জন্য বহিস্কৃত। তাঁকে এখনও দল ফিরিয়ে নেয়নি। তবে তিনি বিএনপির সব কর্মসূচি পালন করছেন। কুমিল্লা-৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর জন্য কাজ করেছেন। সাধারণ ভোটারদের কাছে তাঁর কদর আছে।
কাউসার জামান বাপ্পী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য। তিনি এবিএস ক্যাবলসের স্বত্বাধিকারী। আলহাজ্ব নূরুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান। তাঁর সঙ্গে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের যোগাযোগ আছে। দলে ঐক্য ও কোন্দল নিরসনের ক্ষেত্রে তিনি ‘ঐক্যের’ প্রতীক হতে পারেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন।
বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, মূলত এই মুহুর্তে বিএনপিতে মেয়র প্রার্থী দুইজন। তাঁরা হলেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু ও সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু। এর মধ্যে দুইজন দুইটি পক্ষের অনুসারী। দুইজনের পক্ষে একজন করে মন্ত্রী আছেন। একজনের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিবও আছেন। আবু ‘মানবিক কুমিল্লা’ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প করেছেন নগরে ১৮ টি। এই সংগঠনের মাধ্যমে তিনি কাজ করছেন। অন্যদিকে করোনাকালীন সময় থেকে করোনা রোগীদের সাহায্য ও লাশ দাফনে অংশ নেন ইউসুফ মোল্লা টিপু। টিপু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিবেক এর মাধ্যমে কাজ করছেন। তাঁর পক্ষে একজন মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব ও তাঁর শ্বশুরও আছেন। এই দুই নেতার মধ্যে ঐক্যমত না হলে, এইক্ষেত্রে দলীয় প্রার্থী হতে পারেন কাউসার জামান বাপ্পী। আর নির্বাচনের আগে দলে ফিরতে পারলে সাক্কুও হতে পারেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী।
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু বলেন, দলের কাছে সমর্থন ও মনোনয়ন চাইব। দল দিলে নির্বাচন করব।
মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আছি। দলের চেয়ারম্যান মহোদয় যে সিদ্ধান্ত দেন আমি সেটি মেনে নেব।
কাউসার জামান বাপ্পী বলেন, দল চাইলে নির্বাচন করতে প্রস্তুত আছি। আমি সব সময় কুমিল্লাবাসীর সেবা করতে চাই। করোনা ও বন্যার সময় কাজ করেছি। নিরবে কাজ চলছে।
মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমি নির্বাচনমুখী মানুষ। আমি বিএনপির রাজনীতি করি। নগরের ২৭ ওয়ার্ডে দলীয় নেতাকর্মীরা আছেন। আমার নিজস্ব কর্মী রয়েছে। নির্বাচন আসলে দল নিশ্চয়ই আমার কথা ভাববে। আমি তো দল ছেড়ে যাইনি। দলের কাম করতেছি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার শুরু হচ্ছে সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এই নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী কে তা নিয়ে চলছে আলোচনা।
এ পর্যন্ত চারজনের নাম আলোচনায় আছে। তাঁরা হলেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু ও সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু। এর বাইরে আলোচনায় আছে সাবেক মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য কাউসার জামান বাপ্পী। এর মধ্যে সাক্কু বিএনপি থেকে আজীবনের জন্য বহিস্কৃত। তাঁকে এখনও দল ফিরিয়ে নেয়নি। তবে তিনি বিএনপির সব কর্মসূচি পালন করছেন। কুমিল্লা-৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর জন্য কাজ করেছেন। সাধারণ ভোটারদের কাছে তাঁর কদর আছে।
কাউসার জামান বাপ্পী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য। তিনি এবিএস ক্যাবলসের স্বত্বাধিকারী। আলহাজ্ব নূরুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান। তাঁর সঙ্গে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের যোগাযোগ আছে। দলে ঐক্য ও কোন্দল নিরসনের ক্ষেত্রে তিনি ‘ঐক্যের’ প্রতীক হতে পারেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন।
বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, মূলত এই মুহুর্তে বিএনপিতে মেয়র প্রার্থী দুইজন। তাঁরা হলেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু ও সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু। এর মধ্যে দুইজন দুইটি পক্ষের অনুসারী। দুইজনের পক্ষে একজন করে মন্ত্রী আছেন। একজনের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিবও আছেন। আবু ‘মানবিক কুমিল্লা’ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প করেছেন নগরে ১৮ টি। এই সংগঠনের মাধ্যমে তিনি কাজ করছেন। অন্যদিকে করোনাকালীন সময় থেকে করোনা রোগীদের সাহায্য ও লাশ দাফনে অংশ নেন ইউসুফ মোল্লা টিপু। টিপু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিবেক এর মাধ্যমে কাজ করছেন। তাঁর পক্ষে একজন মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব ও তাঁর শ্বশুরও আছেন। এই দুই নেতার মধ্যে ঐক্যমত না হলে, এইক্ষেত্রে দলীয় প্রার্থী হতে পারেন কাউসার জামান বাপ্পী। আর নির্বাচনের আগে দলে ফিরতে পারলে সাক্কুও হতে পারেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী।
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু বলেন, দলের কাছে সমর্থন ও মনোনয়ন চাইব। দল দিলে নির্বাচন করব।
মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আছি। দলের চেয়ারম্যান মহোদয় যে সিদ্ধান্ত দেন আমি সেটি মেনে নেব।
কাউসার জামান বাপ্পী বলেন, দল চাইলে নির্বাচন করতে প্রস্তুত আছি। আমি সব সময় কুমিল্লাবাসীর সেবা করতে চাই। করোনা ও বন্যার সময় কাজ করেছি। নিরবে কাজ চলছে।
মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমি নির্বাচনমুখী মানুষ। আমি বিএনপির রাজনীতি করি। নগরের ২৭ ওয়ার্ডে দলীয় নেতাকর্মীরা আছেন। আমার নিজস্ব কর্মী রয়েছে। নির্বাচন আসলে দল নিশ্চয়ই আমার কথা ভাববে। আমি তো দল ছেড়ে যাইনি। দলের কাম করতেছি।