নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়; এটি দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, অতীতের নির্বাচনগুলো নিয়ে নানা সমালোচনা থাকলেও এবার একটি গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়াই নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য। তিনি জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রামের পর সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন কুমিল্লা জেলায়। ফলে এখানে নির্বাচনী কার্যক্রমের পরিধি ও কর্মব্যস্ততা তুলনামূলকভাবে বেশি। এ কারণে জেলা প্রশাসন, নির্বাচন অফিস এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য হবে। পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রগুলোকে শতভাগ সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনার নির্দেশনা দেন তিনি।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজিজুল, ১০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ, কুমিল্লা সেনানিবাসের ২৩ বীরের অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহমুদ, র্যাব-১১ কুমিল্লার অধিনায়ক মিঠুন কুমার কুন্ডু, এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক মো. আবু আবদুল্লাহ, ডিজিএফআইয়ের উপপরিচালক কাজী রাজীব রুবায়েতসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়; এটি দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, অতীতের নির্বাচনগুলো নিয়ে নানা সমালোচনা থাকলেও এবার একটি গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়াই নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য। তিনি জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রামের পর সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন কুমিল্লা জেলায়। ফলে এখানে নির্বাচনী কার্যক্রমের পরিধি ও কর্মব্যস্ততা তুলনামূলকভাবে বেশি। এ কারণে জেলা প্রশাসন, নির্বাচন অফিস এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য হবে। পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রগুলোকে শতভাগ সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনার নির্দেশনা দেন তিনি।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজিজুল, ১০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ, কুমিল্লা সেনানিবাসের ২৩ বীরের অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহমুদ, র্যাব-১১ কুমিল্লার অধিনায়ক মিঠুন কুমার কুন্ডু, এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক মো. আবু আবদুল্লাহ, ডিজিএফআইয়ের উপপরিচালক কাজী রাজীব রুবায়েতসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।