নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতীক বরাদ্দের পর আজ বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হচ্ছে। কুমিল্লার ১১ টি আসনের ৮০ জন প্রার্থী গতকাল প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। এরপর তাঁরা নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে প্রচারণার প্রস্তুতি নিয়েছেন।
এবার নির্বাচনে উত্তাপ ছড়িয়েছে কুমিল্লার বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র তিন প্রার্থী। তাঁরা হলেন কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনে খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস প্রকৌশলী মো. আবদুল মতিন, কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল আলম শাওন, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি প্রয়াত মো. আনোয়ার উল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলা। এর মধ্যে মতিন তালা মার্কা, আতিকুল কলস মার্কা ও দোলা ফুটবল মার্কা নিয়ে নির্বাচন করছেন।
আতিকুল আলম শাওন চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি। তাঁর সঙ্গে দলের নেতাকর্মীরা সবাই নির্বাচনী মাঠে আছেন। এ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে।
এদিকে কুমিল্লা-৯ আসনে সামিরা আজিম দোলা প্রার্থী হওয়ায় জামায়াতের প্রার্থী ছৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দীন ছিদ্দীকির জন্য সুবিধা হয়েছে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন। দোলার কোন পদ পদবি নেই। কুমিল্লা-২ আসনের প্রার্থী মো. আবদুল মতিন তিতাস উপজেলায় ভাল ভোট পাবেন বলে তাঁর অনুসারীরা মনে করছেন। হোমনা উপজেলা পরিষদের বিএনপিপন্থী সাবেক চেয়ারম্যান মো. জহিরুল হক জহর বলেন, মতিন ভাই হোমনাতেও বেশি ভোট পাবেন।
এদিকে প্রচারণা উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের স্ত্রী ও সন্তানেরা নির্বাচনী এলাকায় চলে এসেছেন। তাঁরা মহিলা সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন। এবাড়ি ওবাড়ি যাচ্ছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, আচরণবিধি মেনে প্রার্থীকে প্রচারণা চালাতে হবে। অন্যথায় আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী কমিশন ব্যবস্থা নেবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
কুমিল্লা জেলার ১১ টি আসনে ১ হাজার ৪৯১ টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৬৬ টি কক্ষে ভোট হবে। এ জেলায় ভোটার সংখ্যা ৪৮ লাখ ৮০ হাজার ৭৬০ জন। এই জেলায় পোস্টাল ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ১১ হাজার ৫৫০ জন।
রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে ১০৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। প্রাথমিক বাছাইয়ে ৭৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়, অবৈধ ঘোষণা করা হয় ৩১ প্রার্থীর মনোনয়ন। ওই প্রার্থীদের মধ্যে ২৮ জন প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করেন। তাঁদের মধ্যে ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফিরে পান। এছাড়া প্রার্থিতা ফিরে পেতে এখনও আইনি লড়াইয়ে আছেন বিএনপির মনোনীত দুই প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ও মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া।

প্রতীক বরাদ্দের পর আজ বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হচ্ছে। কুমিল্লার ১১ টি আসনের ৮০ জন প্রার্থী গতকাল প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। এরপর তাঁরা নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে প্রচারণার প্রস্তুতি নিয়েছেন।
এবার নির্বাচনে উত্তাপ ছড়িয়েছে কুমিল্লার বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র তিন প্রার্থী। তাঁরা হলেন কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনে খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস প্রকৌশলী মো. আবদুল মতিন, কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল আলম শাওন, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি প্রয়াত মো. আনোয়ার উল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলা। এর মধ্যে মতিন তালা মার্কা, আতিকুল কলস মার্কা ও দোলা ফুটবল মার্কা নিয়ে নির্বাচন করছেন।
আতিকুল আলম শাওন চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি। তাঁর সঙ্গে দলের নেতাকর্মীরা সবাই নির্বাচনী মাঠে আছেন। এ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে।
এদিকে কুমিল্লা-৯ আসনে সামিরা আজিম দোলা প্রার্থী হওয়ায় জামায়াতের প্রার্থী ছৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দীন ছিদ্দীকির জন্য সুবিধা হয়েছে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন। দোলার কোন পদ পদবি নেই। কুমিল্লা-২ আসনের প্রার্থী মো. আবদুল মতিন তিতাস উপজেলায় ভাল ভোট পাবেন বলে তাঁর অনুসারীরা মনে করছেন। হোমনা উপজেলা পরিষদের বিএনপিপন্থী সাবেক চেয়ারম্যান মো. জহিরুল হক জহর বলেন, মতিন ভাই হোমনাতেও বেশি ভোট পাবেন।
এদিকে প্রচারণা উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের স্ত্রী ও সন্তানেরা নির্বাচনী এলাকায় চলে এসেছেন। তাঁরা মহিলা সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন। এবাড়ি ওবাড়ি যাচ্ছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, আচরণবিধি মেনে প্রার্থীকে প্রচারণা চালাতে হবে। অন্যথায় আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী কমিশন ব্যবস্থা নেবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
কুমিল্লা জেলার ১১ টি আসনে ১ হাজার ৪৯১ টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৬৬ টি কক্ষে ভোট হবে। এ জেলায় ভোটার সংখ্যা ৪৮ লাখ ৮০ হাজার ৭৬০ জন। এই জেলায় পোস্টাল ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ১১ হাজার ৫৫০ জন।
রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে ১০৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। প্রাথমিক বাছাইয়ে ৭৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়, অবৈধ ঘোষণা করা হয় ৩১ প্রার্থীর মনোনয়ন। ওই প্রার্থীদের মধ্যে ২৮ জন প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করেন। তাঁদের মধ্যে ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফিরে পান। এছাড়া প্রার্থিতা ফিরে পেতে এখনও আইনি লড়াইয়ে আছেন বিএনপির মনোনীত দুই প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ও মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া।