নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেল চারটায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ থেকে র্যালি করবেন সাবেক মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু। এতে ১০ হাজার লোক থাকবে বলে জানিয়েছেন সাবেক মেয়রের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা।
শোভাযাত্রাটি কুমিল্লা নগরের ঈদগাহ থেকে শুরু হবে। এরপর জিলা স্কুল সড়ক দিয়ে কান্দিরপাড়, মনোহরপুর, রাজগঞ্জ হয়ে নানুয়া দিঘিরপাড় মেয়রের বাড়ির সামনে গিয়ে শেষ হবে।
মো. মনিরুল হক সাক্কু বর্তমানে বিএনপি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কৃত। ২০২২ সালের ১৫ জুন দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে মেয়র নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তাঁকে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। এরপর থেকে সাক্কু দলীয় ব্যানার ব্যবহার করে মঞ্চে উঠে কোনো বক্তব্য দিচ্ছেন না। তবে তিনি দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, তারেক রহমানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। দলের প্রতিটি কর্মসূচি তিনি আলাদাভাবে করছেন। তাঁর একটি বড় ধরনের অনুসারি রয়েছে। দলে ফেরার জন্য গত চার বছর তিনি নানা ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি কুমিল্লা পৌরসভার চেয়ারম্যান, মেয়র ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের টানা দুইবারের মেয়র ছিলেন। একবার দলীয় সমর্থনে ও আরেকবার দলীয় মনোনয়ন প্রতীকে মেয়র নির্বাচিত হন। একসময় কুমিল্লায় বিএনপির রাজনীতিতে ফ্যাক্টর মনিরুল হক সাক্কু দলে ফেরার জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। দলে ফেরার জন্যই তিনি বহিষ্কারের পর দলীয় কর্মসূচিতে বেশি মনোযোগী হন।
মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি ছিলেন। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ছিলেন। দল তাঁকে বিএনপি থেকে আজীবন বহিষ্কার করায় এখন তাঁর দলে কোনো সাধারণ সদস্য পদও নেই। তবে তাঁর অনুসারিরা এখন জেলা ও মহানগর কমিটির শীর্ষ পদে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানেও পদ পেয়েছেন।
মনিরুল হক সাক্কু এরপরও তিনি দলীয় কর্মসূচিতে আছেন। কর্মীদের দেখাশোনা করেন।
জানতে চাইলে সাবেক মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমি ও আমার পরিবার কুমিল্লায় আদি বিএনপি। বিএনপির রাজনীতিতে আছি থাকব। দল বহিষ্কারাদেশ তুলবে এটা আমার বিশ্বাস। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচন করেছিলাম তখন জনগণের চাপে। এজন্য দলের কাছে ব্যাখ্যা দিয়েছি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান প্রসঙ্গ এলে ঘরে থাকতে পারি না। আমি দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সবসময় করি।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেল চারটায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ থেকে র্যালি করবেন সাবেক মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু। এতে ১০ হাজার লোক থাকবে বলে জানিয়েছেন সাবেক মেয়রের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা।
শোভাযাত্রাটি কুমিল্লা নগরের ঈদগাহ থেকে শুরু হবে। এরপর জিলা স্কুল সড়ক দিয়ে কান্দিরপাড়, মনোহরপুর, রাজগঞ্জ হয়ে নানুয়া দিঘিরপাড় মেয়রের বাড়ির সামনে গিয়ে শেষ হবে।
মো. মনিরুল হক সাক্কু বর্তমানে বিএনপি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কৃত। ২০২২ সালের ১৫ জুন দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে মেয়র নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তাঁকে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। এরপর থেকে সাক্কু দলীয় ব্যানার ব্যবহার করে মঞ্চে উঠে কোনো বক্তব্য দিচ্ছেন না। তবে তিনি দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, তারেক রহমানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। দলের প্রতিটি কর্মসূচি তিনি আলাদাভাবে করছেন। তাঁর একটি বড় ধরনের অনুসারি রয়েছে। দলে ফেরার জন্য গত চার বছর তিনি নানা ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি কুমিল্লা পৌরসভার চেয়ারম্যান, মেয়র ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের টানা দুইবারের মেয়র ছিলেন। একবার দলীয় সমর্থনে ও আরেকবার দলীয় মনোনয়ন প্রতীকে মেয়র নির্বাচিত হন। একসময় কুমিল্লায় বিএনপির রাজনীতিতে ফ্যাক্টর মনিরুল হক সাক্কু দলে ফেরার জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। দলে ফেরার জন্যই তিনি বহিষ্কারের পর দলীয় কর্মসূচিতে বেশি মনোযোগী হন।
মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি ছিলেন। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ছিলেন। দল তাঁকে বিএনপি থেকে আজীবন বহিষ্কার করায় এখন তাঁর দলে কোনো সাধারণ সদস্য পদও নেই। তবে তাঁর অনুসারিরা এখন জেলা ও মহানগর কমিটির শীর্ষ পদে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানেও পদ পেয়েছেন।
মনিরুল হক সাক্কু এরপরও তিনি দলীয় কর্মসূচিতে আছেন। কর্মীদের দেখাশোনা করেন।
জানতে চাইলে সাবেক মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমি ও আমার পরিবার কুমিল্লায় আদি বিএনপি। বিএনপির রাজনীতিতে আছি থাকব। দল বহিষ্কারাদেশ তুলবে এটা আমার বিশ্বাস। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচন করেছিলাম তখন জনগণের চাপে। এজন্য দলের কাছে ব্যাখ্যা দিয়েছি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান প্রসঙ্গ এলে ঘরে থাকতে পারি না। আমি দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সবসময় করি।