নিজস্ব প্রতিবেদক

শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী আজ। মণ্ডপে মণ্ডপে বাজবে বিদায়ের সুর। মহাষষ্ঠী পূজার মধ্যদিয়ে শুক্রবার শুরু হয় সার্বজনীন দুর্গোৎসব। আগামীকাল বুধবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে শারদীয় উৎসব। কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে দীর্ঘ লাইন ধরে মণ্ডপে প্রবেশ করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মায়ের আরাধনায় মণ্ডপের সামনে উলুধ্বনি দেন তাঁরা। ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনিতে কুমিল্লা নগরের কান্দিরপাড় কাত্যায়নী কালিবাড়ি এলাকায় ছড়িয়ে যায় শারদীয় দুর্গোৎসবের আমেজ।
দুর্গাপূজার অন্যতম প্রধান দিন হলো মহানবমী। এই দিনে দেবী দুর্গার মহাপূজা ও বিশেষ কিছু আচার-অনুষ্ঠান করা হয়। মহানবমীতে মহাস্নান ও ষোড়শোপচার পূজা হয়। এদিন সকালে
দেবীর মহাস্নান ও নবমীর বিহিত পূজা শুরু হয়। এই দিনে দেবী দুর্গাকে মহিষাসুরমর্দিনী রূপ অর্থাৎ অশুভ শক্তির বিনাশকারী হিসেবে আরাধনা করা হয়।
অনেক পরিবার ও মণ্ডপে দেবীর সন্তুষ্টির জন্য এবং অশুভ শক্তি তাড়াতে বৈদিক নিয়ম মেনে বিশেষ যজ্ঞ বা হোম করা হয়।
শাক্ত ঐতিহ্য অনুযায়ী অনেক স্থানে মহানবমীতে প্রতীকী বা ঐতিহ্যবাহী বলির প্রথা রয়েছে। তবে সময়ের সাথে সাথে অনেক জায়গায় ফল বা লাউয়ের মতো নিরামিষ বলি দেওয়া হয়।
কোনো কোনো অঞ্চলে বা মণ্ডপে নবমীর মধ্যরাতে মহামারী বা বিশেষ রূপের দেবীর পূজা হয়ে থাকে। ভক্তরা সকালে দেবীর চরণে অঞ্জলি দেন এবং সন্ধ্যায় আরতিতে অংশ নেন। দেবীকে অন্নভোগ, লুচি, মিষ্টি ও বিভিন্ন পদের ভোগ নিবেদন করা হয়। বলির প্রথা থাকলে তা দেবীর উদ্দেশ্যে অর্পণ করা হয়।
পঞ্জিকামতে, জগতের মঙ্গল কামনায় এবার দেবী দুর্গা ঘোড়ায় চড়ে স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যে আগমন করবেন। অন্যদিকে, দেবী নৌকায় চড়ে স্বর্গলোকে গমন করবেন।
এবছরও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য রাজধানীসহ সারা দেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। পূজা মণ্ডপগুলোতে আনসার, পুলিশ ও এসআরবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ ও এসআরবির পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী দায়িত্ব পালন করছে।
হিন্দু সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সরকার এ বছর নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে দুর্গাপূজার ছুটি তিন দিন পর্যন্ত বর্ধিত করেছে। শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে এই বর্ধিত ছুটি যুক্ত হয়ে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত মোট পাঁচ দিনের ছুটি পাওয়া যাবে।
দুর্গাপূজা কেবল একটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব হিসেবেই নয়, বরং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেও উদযাপিত হয়।
এই উৎসব হিন্দু সম্প্রদায় ও অন্যান্য ধর্মের মানুষকে একত্রিত করে, যা দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহ্যকেই তুলে ধরে।

শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী আজ। মণ্ডপে মণ্ডপে বাজবে বিদায়ের সুর। মহাষষ্ঠী পূজার মধ্যদিয়ে শুক্রবার শুরু হয় সার্বজনীন দুর্গোৎসব। আগামীকাল বুধবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে শারদীয় উৎসব। কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে দীর্ঘ লাইন ধরে মণ্ডপে প্রবেশ করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মায়ের আরাধনায় মণ্ডপের সামনে উলুধ্বনি দেন তাঁরা। ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনিতে কুমিল্লা নগরের কান্দিরপাড় কাত্যায়নী কালিবাড়ি এলাকায় ছড়িয়ে যায় শারদীয় দুর্গোৎসবের আমেজ।
দুর্গাপূজার অন্যতম প্রধান দিন হলো মহানবমী। এই দিনে দেবী দুর্গার মহাপূজা ও বিশেষ কিছু আচার-অনুষ্ঠান করা হয়। মহানবমীতে মহাস্নান ও ষোড়শোপচার পূজা হয়। এদিন সকালে
দেবীর মহাস্নান ও নবমীর বিহিত পূজা শুরু হয়। এই দিনে দেবী দুর্গাকে মহিষাসুরমর্দিনী রূপ অর্থাৎ অশুভ শক্তির বিনাশকারী হিসেবে আরাধনা করা হয়।
অনেক পরিবার ও মণ্ডপে দেবীর সন্তুষ্টির জন্য এবং অশুভ শক্তি তাড়াতে বৈদিক নিয়ম মেনে বিশেষ যজ্ঞ বা হোম করা হয়।
শাক্ত ঐতিহ্য অনুযায়ী অনেক স্থানে মহানবমীতে প্রতীকী বা ঐতিহ্যবাহী বলির প্রথা রয়েছে। তবে সময়ের সাথে সাথে অনেক জায়গায় ফল বা লাউয়ের মতো নিরামিষ বলি দেওয়া হয়।
কোনো কোনো অঞ্চলে বা মণ্ডপে নবমীর মধ্যরাতে মহামারী বা বিশেষ রূপের দেবীর পূজা হয়ে থাকে। ভক্তরা সকালে দেবীর চরণে অঞ্জলি দেন এবং সন্ধ্যায় আরতিতে অংশ নেন। দেবীকে অন্নভোগ, লুচি, মিষ্টি ও বিভিন্ন পদের ভোগ নিবেদন করা হয়। বলির প্রথা থাকলে তা দেবীর উদ্দেশ্যে অর্পণ করা হয়।
পঞ্জিকামতে, জগতের মঙ্গল কামনায় এবার দেবী দুর্গা ঘোড়ায় চড়ে স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যে আগমন করবেন। অন্যদিকে, দেবী নৌকায় চড়ে স্বর্গলোকে গমন করবেন।
এবছরও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য রাজধানীসহ সারা দেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। পূজা মণ্ডপগুলোতে আনসার, পুলিশ ও এসআরবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ ও এসআরবির পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী দায়িত্ব পালন করছে।
হিন্দু সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সরকার এ বছর নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে দুর্গাপূজার ছুটি তিন দিন পর্যন্ত বর্ধিত করেছে। শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে এই বর্ধিত ছুটি যুক্ত হয়ে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত মোট পাঁচ দিনের ছুটি পাওয়া যাবে।
দুর্গাপূজা কেবল একটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব হিসেবেই নয়, বরং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেও উদযাপিত হয়।
এই উৎসব হিন্দু সম্প্রদায় ও অন্যান্য ধর্মের মানুষকে একত্রিত করে, যা দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহ্যকেই তুলে ধরে।