ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যাচ শেষে যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন স্টেডিয়াম ছাড়ছিলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। এ সময় হাসিমুখে কিছু ভক্তদেরকে অটোগ্রাফও দেন তিনি। তবে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র নিয়ে যে খুব একটা খুশি নয় সেটিও অকপটে স্বীকার করেছেন।
ম্যাচে পর্তুগাল খেলোয়াড়দের নিবেদনে কোনো কমতি ছিল কি না জানতে চাইলে রোনালদো পাল্টা প্রশ্ন করেন- ‘কিসের কমতি ছিল?’ এরপর অবশ্য নিজেই জানান, ‘কোনো কিছুরই কমতি ছিল না, ফুটবল এমনই। পর্তুগাল জিততেও পারত, আবার হারতেও পারত। ম্যাচটা যে কোনো দিকেই যেতে পারত।’
এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখলে আধিপত্য ছিল পর্তুগালের। ডিআর কঙ্গোকে নিচে নামিয়ে রেখে আক্রমণ সাজাতে থাকে রোবের্তো মার্তিনেজের দল। ফলও পায় দ্রুত। ষষ্ঠ মিনিটে ডান দিক থেকে পেদ্রো নেতোর দারুণ ক্রসে হেড করেন নেভেস। বল যায় দূরের কোণে। এগিয়ে যায় পর্তুগাল। পর্তুগালের জার্সিতে এটি নেভেসের চতুর্থ গোল।
গোলের পরও বেশির ভাগ সময় বল ছিল পর্তুগালের পায়ে। প্রথমার্ধে একসময় তাদের দখলে ছিল ৮০ শতাংশ বল। তবে এত দখল নিয়েও পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না তারা।
তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আসে ডিআর কঙ্গোর ইতিহাস গড়ার মুহূর্ত। ছোট করে নেওয়া কর্নারের পর পর্তুগাল রক্ষণে ভুল করে বসে। ব্রুনো ফার্নান্দেস সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেন, তমাস আরাউজোও উইসাকে ফাঁকা রেখে দেন। সুযোগ পেয়ে দারুণ হেডে বল ওপরের বাঁ কোণে পাঠান উইসা। এটি ছিল ডিআর কঙ্গোর ৫২ বছরের মধ্যে প্রথম বিশ্বকাপ গোল। সেই গোলেই বিরতিতে ম্যাচ যায় ১-১ সমতায়।
দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দলের লড়াই চলে সমান তালে। ৫৫ মিনিটে ফের এগিয়ে যেতে পারতো পর্তুগাল। বক্সের মধ্যে ক্যানসেলো অসাধারণ দক্ষতায় এক বাইসাইকেল কিকে বলটি সরাসরি জালের ওপরের কোণে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু গোল উদযাপনের আগেই সহকারী রেফারির পতাকা ওপরে উঠে যায়, অফসাইড।
এদিন সবার নজর ছিল রোনালদোর দিকে। তবে তিনি প্রথমার্ধে যেমন নিষ্প্রভ ছিলেন, দ্বিতীয়ার্ধেও প্রত্যাশার ছাপ রাখতে পারেননি রোনালদো। বেশ কয়েকবার বল পেলেও গোলমুখে কোনো শটই নিতে পারেননি তিনি। বরং সুযোগ নষ্ট করেছেন একাধিক। ফলে শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্রয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে পর্তুগালকে।
তবে এদিন গোল করতে না পারায় রোনালদোর বড় টুর্নামেন্টে গোলখরা আরও দীর্ঘ হয়েছে। ২০২২ বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করার পর থেকে বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচে গোলের দেখা পাননি তিনি।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এটি তার সবচেয়ে দীর্ঘ গোলশূন্য অধ্যায়। এছাড়া ওপেন প্লে থেকে বড় টুর্নামেন্টে তার সর্বশেষ গোল এসেছিল ইউরো ২০২০-এ জার্মানির বিপক্ষে।

ম্যাচ শেষে যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন স্টেডিয়াম ছাড়ছিলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। এ সময় হাসিমুখে কিছু ভক্তদেরকে অটোগ্রাফও দেন তিনি। তবে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র নিয়ে যে খুব একটা খুশি নয় সেটিও অকপটে স্বীকার করেছেন।
ম্যাচে পর্তুগাল খেলোয়াড়দের নিবেদনে কোনো কমতি ছিল কি না জানতে চাইলে রোনালদো পাল্টা প্রশ্ন করেন- ‘কিসের কমতি ছিল?’ এরপর অবশ্য নিজেই জানান, ‘কোনো কিছুরই কমতি ছিল না, ফুটবল এমনই। পর্তুগাল জিততেও পারত, আবার হারতেও পারত। ম্যাচটা যে কোনো দিকেই যেতে পারত।’
এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখলে আধিপত্য ছিল পর্তুগালের। ডিআর কঙ্গোকে নিচে নামিয়ে রেখে আক্রমণ সাজাতে থাকে রোবের্তো মার্তিনেজের দল। ফলও পায় দ্রুত। ষষ্ঠ মিনিটে ডান দিক থেকে পেদ্রো নেতোর দারুণ ক্রসে হেড করেন নেভেস। বল যায় দূরের কোণে। এগিয়ে যায় পর্তুগাল। পর্তুগালের জার্সিতে এটি নেভেসের চতুর্থ গোল।
গোলের পরও বেশির ভাগ সময় বল ছিল পর্তুগালের পায়ে। প্রথমার্ধে একসময় তাদের দখলে ছিল ৮০ শতাংশ বল। তবে এত দখল নিয়েও পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না তারা।
তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আসে ডিআর কঙ্গোর ইতিহাস গড়ার মুহূর্ত। ছোট করে নেওয়া কর্নারের পর পর্তুগাল রক্ষণে ভুল করে বসে। ব্রুনো ফার্নান্দেস সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেন, তমাস আরাউজোও উইসাকে ফাঁকা রেখে দেন। সুযোগ পেয়ে দারুণ হেডে বল ওপরের বাঁ কোণে পাঠান উইসা। এটি ছিল ডিআর কঙ্গোর ৫২ বছরের মধ্যে প্রথম বিশ্বকাপ গোল। সেই গোলেই বিরতিতে ম্যাচ যায় ১-১ সমতায়।
দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দলের লড়াই চলে সমান তালে। ৫৫ মিনিটে ফের এগিয়ে যেতে পারতো পর্তুগাল। বক্সের মধ্যে ক্যানসেলো অসাধারণ দক্ষতায় এক বাইসাইকেল কিকে বলটি সরাসরি জালের ওপরের কোণে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু গোল উদযাপনের আগেই সহকারী রেফারির পতাকা ওপরে উঠে যায়, অফসাইড।
এদিন সবার নজর ছিল রোনালদোর দিকে। তবে তিনি প্রথমার্ধে যেমন নিষ্প্রভ ছিলেন, দ্বিতীয়ার্ধেও প্রত্যাশার ছাপ রাখতে পারেননি রোনালদো। বেশ কয়েকবার বল পেলেও গোলমুখে কোনো শটই নিতে পারেননি তিনি। বরং সুযোগ নষ্ট করেছেন একাধিক। ফলে শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্রয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে পর্তুগালকে।
তবে এদিন গোল করতে না পারায় রোনালদোর বড় টুর্নামেন্টে গোলখরা আরও দীর্ঘ হয়েছে। ২০২২ বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করার পর থেকে বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচে গোলের দেখা পাননি তিনি।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এটি তার সবচেয়ে দীর্ঘ গোলশূন্য অধ্যায়। এছাড়া ওপেন প্লে থেকে বড় টুর্নামেন্টে তার সর্বশেষ গোল এসেছিল ইউরো ২০২০-এ জার্মানির বিপক্ষে।