ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যাচের প্রথমার্ধ জুড়ে কেবলই সুযোগ নষ্টের মহড়া। বিরতির পর উল্টো গোল হজম করে স্তব্ধ হয়ে পড়া। চরম নাটকীয়তায় মোড়ানো ম্যাচে এমন খাদের কিনারা থেকেই রূপকথার মতো ঘুরে দাঁড়াল দক্ষিণ কোরিয়া। হুয়াং ইন-বমের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স আর বদলি নামা ওহ হিয়ুন-গিউর শেষ মুহূর্তের ম্যাজিকে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত জয় দিয়ে খাতা খুলল এশিয়ান পরাশক্তিরা।
মেক্সিকোর গুয়াদালাহারা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘এ’ গ্রুপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
ম্যাচের শুরু থেকেই চেকেদের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে দক্ষিণ কোরিয়া।
ম্যাচের ১২ মিনিটেই লিড নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পান অধিনায়ক সন হিউং-মিন। তবে জে-সুংয়ের বাড়ানো নিখুঁত পাসটি ডি-বক্সে নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হন টটেনহামের এই তারকা। এর ঠিক দুই মিনিট পর বক্সের বাইরে থেকে জে-সুংয়ের নেওয়া বুলেট গতির শট দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন চেক গোলরক্ষক মাতেই কোভার।
৩৮ মিনিটে আবারও একক নৈপুণ্যে চেকেদের রক্ষণভাগে কাঁপুনি ধরান সন।
দুই ডিফেন্ডারকে ছিটকে ফেলে বাম পায়ের কোণাকুণি শট নিলেও তা পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগটি হাতছাড়া করে কোরিয়া। সতীর্থ লি কাং-ইনের সঙ্গে দারুণ ওয়ান-টু-ওয়ান পাসিংয়ে গোলপোস্টের একদম সামনে বল পেয়েও শেষ মুহূর্তে ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান সন। ফলে নিশ্চিত গোলবঞ্চিত হয়ে হতাশায় প্রথমার্ধ শেষ করে কোরিয়া।
বিরতির পর ফিরে আবারও আক্রমণে ধার বাড়ায় কোরিয়া।
চেক রক্ষণভাগে বল পেয়ে ভেতরে ঢুকে এক দারুণ নিচু শট নেন হুয়াং। প্রথম দফায় ঝাঁপিয়ে পড়ে শটটি রুখে দেন চেকেদের দেয়াল হয়ে ওঠা কোভার। ফিরতি বলে লি কাং-ইন শট নিলেও দ্বিতীয় দফায় তা আটকে দেন এই চেক গোলকিপার। ৫৬ মিনিটে আবারও সনের বিপজ্জনক শট নিজের শরীর দিয়ে ব্লক করে কোরিয়াকে গোলবঞ্চিত করেন কোভার।
ম্যাচের ৫৯ মিনিটে আকস্মিক গোলে স্তব্ধ হয়ে যায় কোরিয়ান শিবির। ডান প্রান্ত থেকে ভ্লাদিমির সুফালের লং থ্রো-ইনে শূন্যে লাফিয়ে হেডে কোরিয়ার জাল কাঁপান চেক অধিনায়ক লাদিস্লাভ ক্রেইচি।
পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি এশিয়ান পরাশক্তিরা। মাত্র ৮ মিনিটের মাথায়, খেলার ৬৭ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরায় কোরিয়া। চেকেদের ডি-বক্সে বল পান ফেইনুর্দ মিডফিল্ডার হুয়াং ইন-বম। তাকে রুখতে প্রতিপক্ষের গোলকিপার মাতেই কোভার দ্রুত পজিশন ছেড়ে সামনে ছুটে এলে ঠান্ডা মাথায় তার মাথার ওপর দিয়ে আলতো চিপে বল জালে জড়িয়ে দেন এই কোরিয়ান তারকা।
ম্যাচের ৭৭ মিনিটে অল্পের জন্য রক্ষা পায় দক্ষিণ কোরিয়া। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বাম প্রান্তে হ্লোজেক ফাউলের শিকার হলে ফ্রি-কিক পায় চেক প্রজাতন্ত্র। সাদিলেকের নেওয়া চমৎকার ফ্রি-কিক থেকে হেডে কোরিয়ার জালে বল পাঠান তমাস সৌচেক। চেকেদের উল্লাসের মাঝেই লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলেন।
৮০ মিনিটে দুর্দান্ত এক আক্রমণে ব্যবধান ২-১ করে দক্ষিণ কোরিয়া। মাঝমাঠ থেকে বাতাসে ভাসানো এক নিখুঁত পাস খুঁজে নেয় ডান প্রান্তে থাকা হুয়াং ইন-বমকে। বক্সে তাঁর চমৎকার কাট-ব্যাক থেকে আলতো ছোঁয়ায় বল জালে জড়ান বদলি নামা ওহ হিয়ুন-গিউ।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সমতায় ফেরার সহজ সুযোগ হাতছাড়া করে চেক প্রজাতন্ত্র। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ডি-বক্সে কাছে বল পান সাদিলেক। তাঁর নেওয়া শটে গতি না থাকায় দক্ষিণ কোরিয়ার গোলকিপার সহজেই বলটি লুফে নেন।

ম্যাচের প্রথমার্ধ জুড়ে কেবলই সুযোগ নষ্টের মহড়া। বিরতির পর উল্টো গোল হজম করে স্তব্ধ হয়ে পড়া। চরম নাটকীয়তায় মোড়ানো ম্যাচে এমন খাদের কিনারা থেকেই রূপকথার মতো ঘুরে দাঁড়াল দক্ষিণ কোরিয়া। হুয়াং ইন-বমের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স আর বদলি নামা ওহ হিয়ুন-গিউর শেষ মুহূর্তের ম্যাজিকে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত জয় দিয়ে খাতা খুলল এশিয়ান পরাশক্তিরা।
মেক্সিকোর গুয়াদালাহারা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘এ’ গ্রুপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
ম্যাচের শুরু থেকেই চেকেদের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে দক্ষিণ কোরিয়া।
ম্যাচের ১২ মিনিটেই লিড নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পান অধিনায়ক সন হিউং-মিন। তবে জে-সুংয়ের বাড়ানো নিখুঁত পাসটি ডি-বক্সে নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হন টটেনহামের এই তারকা। এর ঠিক দুই মিনিট পর বক্সের বাইরে থেকে জে-সুংয়ের নেওয়া বুলেট গতির শট দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন চেক গোলরক্ষক মাতেই কোভার।
৩৮ মিনিটে আবারও একক নৈপুণ্যে চেকেদের রক্ষণভাগে কাঁপুনি ধরান সন।
দুই ডিফেন্ডারকে ছিটকে ফেলে বাম পায়ের কোণাকুণি শট নিলেও তা পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগটি হাতছাড়া করে কোরিয়া। সতীর্থ লি কাং-ইনের সঙ্গে দারুণ ওয়ান-টু-ওয়ান পাসিংয়ে গোলপোস্টের একদম সামনে বল পেয়েও শেষ মুহূর্তে ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান সন। ফলে নিশ্চিত গোলবঞ্চিত হয়ে হতাশায় প্রথমার্ধ শেষ করে কোরিয়া।
বিরতির পর ফিরে আবারও আক্রমণে ধার বাড়ায় কোরিয়া।
চেক রক্ষণভাগে বল পেয়ে ভেতরে ঢুকে এক দারুণ নিচু শট নেন হুয়াং। প্রথম দফায় ঝাঁপিয়ে পড়ে শটটি রুখে দেন চেকেদের দেয়াল হয়ে ওঠা কোভার। ফিরতি বলে লি কাং-ইন শট নিলেও দ্বিতীয় দফায় তা আটকে দেন এই চেক গোলকিপার। ৫৬ মিনিটে আবারও সনের বিপজ্জনক শট নিজের শরীর দিয়ে ব্লক করে কোরিয়াকে গোলবঞ্চিত করেন কোভার।
ম্যাচের ৫৯ মিনিটে আকস্মিক গোলে স্তব্ধ হয়ে যায় কোরিয়ান শিবির। ডান প্রান্ত থেকে ভ্লাদিমির সুফালের লং থ্রো-ইনে শূন্যে লাফিয়ে হেডে কোরিয়ার জাল কাঁপান চেক অধিনায়ক লাদিস্লাভ ক্রেইচি।
পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি এশিয়ান পরাশক্তিরা। মাত্র ৮ মিনিটের মাথায়, খেলার ৬৭ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরায় কোরিয়া। চেকেদের ডি-বক্সে বল পান ফেইনুর্দ মিডফিল্ডার হুয়াং ইন-বম। তাকে রুখতে প্রতিপক্ষের গোলকিপার মাতেই কোভার দ্রুত পজিশন ছেড়ে সামনে ছুটে এলে ঠান্ডা মাথায় তার মাথার ওপর দিয়ে আলতো চিপে বল জালে জড়িয়ে দেন এই কোরিয়ান তারকা।
ম্যাচের ৭৭ মিনিটে অল্পের জন্য রক্ষা পায় দক্ষিণ কোরিয়া। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বাম প্রান্তে হ্লোজেক ফাউলের শিকার হলে ফ্রি-কিক পায় চেক প্রজাতন্ত্র। সাদিলেকের নেওয়া চমৎকার ফ্রি-কিক থেকে হেডে কোরিয়ার জালে বল পাঠান তমাস সৌচেক। চেকেদের উল্লাসের মাঝেই লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলেন।
৮০ মিনিটে দুর্দান্ত এক আক্রমণে ব্যবধান ২-১ করে দক্ষিণ কোরিয়া। মাঝমাঠ থেকে বাতাসে ভাসানো এক নিখুঁত পাস খুঁজে নেয় ডান প্রান্তে থাকা হুয়াং ইন-বমকে। বক্সে তাঁর চমৎকার কাট-ব্যাক থেকে আলতো ছোঁয়ায় বল জালে জড়ান বদলি নামা ওহ হিয়ুন-গিউ।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সমতায় ফেরার সহজ সুযোগ হাতছাড়া করে চেক প্রজাতন্ত্র। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ডি-বক্সে কাছে বল পান সাদিলেক। তাঁর নেওয়া শটে গতি না থাকায় দক্ষিণ কোরিয়ার গোলকিপার সহজেই বলটি লুফে নেন।