আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

এল ক্লাসিকোর সেই উত্তপ্ত রাতগুলোর কথা ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে আজও জীবন্ত। রিয়াল মাদ্রিদের সাদা জার্সিতে মাঝমাঠে অতন্দ্র প্রহরী হয়ে দাঁড়াতেন কাসেমিরো, আর বার্সেলোনার ১০ নম্বর জার্সিতে সেই পাহাড়ে ফাটল ধরাতে মরিয়া হয়ে উঠতেন লিওনেল মেসি। মাঠের সেই লড়াইয়ে একে অপরকে কোনো ছাড় দেননি। কিন্তু সময়ের আবর্তে ফুটবলের গল্প বদলায়, বদলে যায় সম্পর্কের সমীকরণও। গতকালের সেই রক্তক্ষয়ী প্রতিদ্বন্দ্বীই আজ এক লক্ষ্য, এক স্বপ্নের সতীর্থ!
ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনেই লিওনেল মেসির প্রতি নিজের মুগ্ধতার কথা জানালেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরো। তিনি বলেছেন, ফুটবল ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়ের পাশে খেলতেই মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) এসেছেন এবং মেসিকে আরও শিরোপা জিততে সাহায্য করাই এখন তার অন্যতম লক্ষ্য।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ার পর গত সপ্তাহে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন ৩৪ বছর বয়সী কাসেমিরো। ২০২৭ এমএলএস মৌসুম পর্যন্ত তার সঙ্গে চুক্তি করেছে ক্লাবটি। চাইলে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত সেই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও থাকবে।
মায়ামির ড্রেসিংরুমে পা রেখে সংবাদ সম্মেলনে অকপট স্বীকারোক্তি কাসেমিরোর, ‘কোনো সন্দেহ নেই, আমি এখানে এসেছি সর্বকালের সেরা ফুটবলারের সঙ্গে একই জার্সিতে মাঠ মাতাতে।’
মেসিকে কোনো রূপকের আড়ালে না রেখে তিনি সরাসরি বসালেন ফুটবলের সর্বোচ্চ আসনে, ‘আমার চোখে সে (মেসি) ফুটবলের ঈশ্বর। ক্লাসিকোতে সে আমাকে যতটা কষ্টে ফেলেছে, তাতে তার সঙ্গে খেলার স্বপ্ন দেখাটাই স্বাভাবিক ছিল। তাকে একা সামলানো অসম্ভব ছিল, সবসময় সতীর্থদের সহায়তা লাগত। এখন সেই ঈশ্বরের পাশেই আমি দাঁড়িয়েছি। আমার কাজ একটাই—তাকে আরও জেতানো, তার ট্রফির শোকেসকে আরও ভারী করা।’
রিয়াল মাদ্রিদে দীর্ঘ সময় কাটানোর কারণে কাসেমিরোর ক্যারিয়ারের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বার্সেলোনার মেসি। সেই স্মৃতিও তুলে ধরেছেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার, ‘মেসি আমাকে যত সমস্যায় ফেলেছে, তাতে অবশ্যই একদিন তার সঙ্গে খেলার স্বপ্ন দেখতাম। আমি সবসময় সেরাদের সঙ্গে খেলতে চেয়েছি। তাকে কখনো একা থামাতে পারিনি, সবসময় সতীর্থদের সাহায্য প্রয়োজন হতো। এখন আমি তার সঙ্গে একই দলে খেলছি, এটা ভেবে খুবই আনন্দ হচ্ছে। আমি তার সঙ্গে আরও শিরোপা জিততে চাই।’
ইতোমধ্যে ইন্টার মায়ামির হয়ে অভিষেকও হয়ে গেছে কাসেমিরোর। কানাডায় সিএফ মন্ট্রিয়ালের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ের ম্যাচে প্রথমবারের মতো মাঠে নামেন তিনি।

এল ক্লাসিকোর সেই উত্তপ্ত রাতগুলোর কথা ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে আজও জীবন্ত। রিয়াল মাদ্রিদের সাদা জার্সিতে মাঝমাঠে অতন্দ্র প্রহরী হয়ে দাঁড়াতেন কাসেমিরো, আর বার্সেলোনার ১০ নম্বর জার্সিতে সেই পাহাড়ে ফাটল ধরাতে মরিয়া হয়ে উঠতেন লিওনেল মেসি। মাঠের সেই লড়াইয়ে একে অপরকে কোনো ছাড় দেননি। কিন্তু সময়ের আবর্তে ফুটবলের গল্প বদলায়, বদলে যায় সম্পর্কের সমীকরণও। গতকালের সেই রক্তক্ষয়ী প্রতিদ্বন্দ্বীই আজ এক লক্ষ্য, এক স্বপ্নের সতীর্থ!
ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনেই লিওনেল মেসির প্রতি নিজের মুগ্ধতার কথা জানালেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরো। তিনি বলেছেন, ফুটবল ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়ের পাশে খেলতেই মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) এসেছেন এবং মেসিকে আরও শিরোপা জিততে সাহায্য করাই এখন তার অন্যতম লক্ষ্য।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ার পর গত সপ্তাহে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন ৩৪ বছর বয়সী কাসেমিরো। ২০২৭ এমএলএস মৌসুম পর্যন্ত তার সঙ্গে চুক্তি করেছে ক্লাবটি। চাইলে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত সেই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও থাকবে।
মায়ামির ড্রেসিংরুমে পা রেখে সংবাদ সম্মেলনে অকপট স্বীকারোক্তি কাসেমিরোর, ‘কোনো সন্দেহ নেই, আমি এখানে এসেছি সর্বকালের সেরা ফুটবলারের সঙ্গে একই জার্সিতে মাঠ মাতাতে।’
মেসিকে কোনো রূপকের আড়ালে না রেখে তিনি সরাসরি বসালেন ফুটবলের সর্বোচ্চ আসনে, ‘আমার চোখে সে (মেসি) ফুটবলের ঈশ্বর। ক্লাসিকোতে সে আমাকে যতটা কষ্টে ফেলেছে, তাতে তার সঙ্গে খেলার স্বপ্ন দেখাটাই স্বাভাবিক ছিল। তাকে একা সামলানো অসম্ভব ছিল, সবসময় সতীর্থদের সহায়তা লাগত। এখন সেই ঈশ্বরের পাশেই আমি দাঁড়িয়েছি। আমার কাজ একটাই—তাকে আরও জেতানো, তার ট্রফির শোকেসকে আরও ভারী করা।’
রিয়াল মাদ্রিদে দীর্ঘ সময় কাটানোর কারণে কাসেমিরোর ক্যারিয়ারের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বার্সেলোনার মেসি। সেই স্মৃতিও তুলে ধরেছেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার, ‘মেসি আমাকে যত সমস্যায় ফেলেছে, তাতে অবশ্যই একদিন তার সঙ্গে খেলার স্বপ্ন দেখতাম। আমি সবসময় সেরাদের সঙ্গে খেলতে চেয়েছি। তাকে কখনো একা থামাতে পারিনি, সবসময় সতীর্থদের সাহায্য প্রয়োজন হতো। এখন আমি তার সঙ্গে একই দলে খেলছি, এটা ভেবে খুবই আনন্দ হচ্ছে। আমি তার সঙ্গে আরও শিরোপা জিততে চাই।’
ইতোমধ্যে ইন্টার মায়ামির হয়ে অভিষেকও হয়ে গেছে কাসেমিরোর। কানাডায় সিএফ মন্ট্রিয়ালের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ের ম্যাচে প্রথমবারের মতো মাঠে নামেন তিনি।