ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার সমীকরণ সামনে রেখে লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে আজ যেন এক দ্বৈরথের আবহ। শেষ চারের টিকিটের লড়াইয়ে আজ রাত ১টায় মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের দুই চেনা প্রতিপক্ষ স্পেন ও বেলজিয়াম। একদিকে লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট দল স্পেন, যারা এখন পর্যন্ত নিজেদের জাল অক্ষত করে রেখেছে। অন্যদিকে খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো রোমাঞ্চকর এক বেলজিয়াম।
বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মের দুই কাণ্ডারি কেভিন ডি ব্রুইনে এবং রোমেলু লুকাকুর জন্য সম্ভবত এটাই শেষ বিশ্বকাপ। ফলে নিজেদের নিংড়ে দিতে মুখিয়ে আছেন তারা। চলতি আসরে বেলজিয়ামের হয়ে লুকাকু সর্বোচ্চ তিনটি গোল করেছেন, আর মাঝমাঠে লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ড ও ইউরি টিলেমানসরা রয়েছেন দারুণ ছন্দে।
অপরদিকে স্পেনের শক্তি বাড়াচ্ছেন বার্সেলোনার তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল। ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা এই বিস্ময় বালক গোলসংখ্যায় কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও তার গতি আর ড্রিবলিং প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে তটস্থ করে রাখছে, যার সুবিধা নিচ্ছেন স্পেনের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিকেল ওয়ারজাবাল।
বেলজিয়ামের তারকা গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া নিজেই বলছিলেন, ‘আমার কাছে স্পেন হলো আমার দ্বিতীয় বাড়ি। আমি বলব না যে আমি নিজেকে অর্ধেক স্প্যানিশ মনে করি, তবে প্রায় কাছাকাছি। আমার সন্তানদের স্প্যানিশ পাসপোর্ট রয়েছে।’ স্পেনের অপ্রতিরোধ্য ফর্ম মাথায় রাখার পাশাপাশি লামিনে ইয়ামালকে নিয়েও ভাবতে হচ্ছে বেলজিয়ামের। কোর্তোয়া বলেন, ‘তারা ভালো খেলছে, খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করছে শান্তভাবে। তারা এখনো কোনো গোল হজম করেনি। ইয়ামাল দারুণ প্রতিভাবান, তাকে আমাদের কড়া নজরে রাখতে হবে।’
স্পেনও অবশ্য প্রতিপক্ষকে নিয়ে বিন্দুমাত্র গা ভাসিয়ে দিচ্ছে না। কেভিন ডি ব্রুইনা-রোমেলু লুকাকুদের কারণে অভিজ্ঞতায় স্পেনের চেয়ে ভারী বেলজিয়াম। বিশেষ করে কোর্তোয়া নামক প্রাচীর ভাঙার চ্যালেঞ্জটা ভালোই জানা আছে স্প্যানিশ মিডফিল্ডার দানি অলমোর। পর্তুগালের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের জয় স্প্যানিশ ড্রেসিংরুমের চেহারা বদলে দিয়েছে জানিয়ে অলমো বলেন, ‘আমরা দারুণ অনুভব করছি, খুব উত্তেজিত এবং ম্যাচের জন্য অত্যন্ত অনুপ্রাণিত। পর্তুগালের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয়, বিশেষ করে মিকেলের শেষ মুহূর্তের গোলটি আমাদের শক্তির একটা বড় বুস্ট দিয়েছে। সেই সম্মিলিত প্রচেষ্টার পর, এখন আমাদের সেরাটা ধরে রাখা আমাদের ওপরই নির্ভর করছে।’
বিশ্বকাপে এর আগে দুই দলের দেখা হয়েছে দুবার। ১৯৮৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনকে টাইব্রেকারে হারিয়েছিল বেলজিয়াম, আর ১৯৯০ ইতালি বিশ্বকাপে প্রতিশোধ নিয়ে ২-১ গোলে জিতেছিল স্পেন। আজ তাই লস অ্যাঞ্জেলসের মাঠে সমতা ভাঙার লড়াইও। স্পেনের নিখুঁত পাসিং ফুটবল আর বেলজিয়ামের গতিময় পাল্টা আক্রমণের এই ধ্রুপদি লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কারা শেষ চারের টিকিট কাটে, সেদিকেই তাকিয়ে আছে ফুটবল-বিশ্ব।

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার সমীকরণ সামনে রেখে লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে আজ যেন এক দ্বৈরথের আবহ। শেষ চারের টিকিটের লড়াইয়ে আজ রাত ১টায় মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের দুই চেনা প্রতিপক্ষ স্পেন ও বেলজিয়াম। একদিকে লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট দল স্পেন, যারা এখন পর্যন্ত নিজেদের জাল অক্ষত করে রেখেছে। অন্যদিকে খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো রোমাঞ্চকর এক বেলজিয়াম।
বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মের দুই কাণ্ডারি কেভিন ডি ব্রুইনে এবং রোমেলু লুকাকুর জন্য সম্ভবত এটাই শেষ বিশ্বকাপ। ফলে নিজেদের নিংড়ে দিতে মুখিয়ে আছেন তারা। চলতি আসরে বেলজিয়ামের হয়ে লুকাকু সর্বোচ্চ তিনটি গোল করেছেন, আর মাঝমাঠে লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ড ও ইউরি টিলেমানসরা রয়েছেন দারুণ ছন্দে।
অপরদিকে স্পেনের শক্তি বাড়াচ্ছেন বার্সেলোনার তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল। ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা এই বিস্ময় বালক গোলসংখ্যায় কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও তার গতি আর ড্রিবলিং প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে তটস্থ করে রাখছে, যার সুবিধা নিচ্ছেন স্পেনের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিকেল ওয়ারজাবাল।
বেলজিয়ামের তারকা গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া নিজেই বলছিলেন, ‘আমার কাছে স্পেন হলো আমার দ্বিতীয় বাড়ি। আমি বলব না যে আমি নিজেকে অর্ধেক স্প্যানিশ মনে করি, তবে প্রায় কাছাকাছি। আমার সন্তানদের স্প্যানিশ পাসপোর্ট রয়েছে।’ স্পেনের অপ্রতিরোধ্য ফর্ম মাথায় রাখার পাশাপাশি লামিনে ইয়ামালকে নিয়েও ভাবতে হচ্ছে বেলজিয়ামের। কোর্তোয়া বলেন, ‘তারা ভালো খেলছে, খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করছে শান্তভাবে। তারা এখনো কোনো গোল হজম করেনি। ইয়ামাল দারুণ প্রতিভাবান, তাকে আমাদের কড়া নজরে রাখতে হবে।’
স্পেনও অবশ্য প্রতিপক্ষকে নিয়ে বিন্দুমাত্র গা ভাসিয়ে দিচ্ছে না। কেভিন ডি ব্রুইনা-রোমেলু লুকাকুদের কারণে অভিজ্ঞতায় স্পেনের চেয়ে ভারী বেলজিয়াম। বিশেষ করে কোর্তোয়া নামক প্রাচীর ভাঙার চ্যালেঞ্জটা ভালোই জানা আছে স্প্যানিশ মিডফিল্ডার দানি অলমোর। পর্তুগালের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের জয় স্প্যানিশ ড্রেসিংরুমের চেহারা বদলে দিয়েছে জানিয়ে অলমো বলেন, ‘আমরা দারুণ অনুভব করছি, খুব উত্তেজিত এবং ম্যাচের জন্য অত্যন্ত অনুপ্রাণিত। পর্তুগালের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয়, বিশেষ করে মিকেলের শেষ মুহূর্তের গোলটি আমাদের শক্তির একটা বড় বুস্ট দিয়েছে। সেই সম্মিলিত প্রচেষ্টার পর, এখন আমাদের সেরাটা ধরে রাখা আমাদের ওপরই নির্ভর করছে।’
বিশ্বকাপে এর আগে দুই দলের দেখা হয়েছে দুবার। ১৯৮৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনকে টাইব্রেকারে হারিয়েছিল বেলজিয়াম, আর ১৯৯০ ইতালি বিশ্বকাপে প্রতিশোধ নিয়ে ২-১ গোলে জিতেছিল স্পেন। আজ তাই লস অ্যাঞ্জেলসের মাঠে সমতা ভাঙার লড়াইও। স্পেনের নিখুঁত পাসিং ফুটবল আর বেলজিয়ামের গতিময় পাল্টা আক্রমণের এই ধ্রুপদি লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কারা শেষ চারের টিকিট কাটে, সেদিকেই তাকিয়ে আছে ফুটবল-বিশ্ব।