আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

দক্ষিণ কোরিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্রের মধ্যকার বিশ্বকাপ ম্যাচে গ্যালারিতে হাজার হাজার খালি আসন দেখার পরও ঘোষিত দর্শকসংখ্যা সঠিক ছিল বলে দাবি করেছে ফিফা।
গতকাল শুক্রবার ভোরে মেক্সিকোর গুয়ারাডালাহারা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘এ’-এর ম্যাচে দর্শকসংখ্যা ঘোষণা করা হয় ৪৪,৯৮৫, যা প্রায় পূর্ণ ধারণক্ষমতার সমান। তবে টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে অনেক খালি আসন চোখে পড়ায় অনেকেই এই সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
এর জবাবে ফিফা জানায়, উপস্থিতির হিসাব ভেরিফাইড অপারেশনাল ডাটার ভিত্তিতে করা হয়েছে।
তাদের মতে, এই সংখ্যা শুধু আসনে বসে থাকা দর্শকদের নয়, বরং স্টেডিয়াম চত্বরে উপস্থিত সকল টিকিটধারী দর্শককে অন্তর্ভুক্ত করে গণনা করা হয়েছে।
ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ‘সরকারি উপস্থিতির সংখ্যা নির্ধারণ করা হয় স্ক্যান করা টিকিট এবং স্টেডিয়ম চত্বরে উপস্থিত দর্শকের সংখ্যার ভিত্তিতে, ম্যাচ চলাকালে আসনগুলো দৃশ্যত কতটা পূর্ণ ছিল তার ওপর নয়। প্রকাশিত সব সংখ্যা যেন যাচাইকৃত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে হয়, তা নিশ্চিত করতে ফিফা স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ ও টিকিটিং দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে।’
ফিফার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, গুয়াদালাহারায় অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচে অনেক টিকিটধারী দর্শক পুরো সময় নিজেদের নির্ধারিত আসনে না বসে কনকোর্স বা চলাচলের এলাকায় দাঁড়িয়ে খেলা দেখছিলেন। ফলে টেলিভিশনের ক্যামেরায় কিছু অংশে খালি আসন দেখা গেলেও সরকারি হিসাব অনুযায়ী দর্শকসংখ্যা কম ছিল না।
এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে ফিফা স্পষ্ট করেছে যে উপস্থিতির সরকারি হিসাব আসনের দৃশ্যমান দখল নয়, বরং স্টেডিয়ামে প্রবেশ করা দর্শকের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে।

দক্ষিণ কোরিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্রের মধ্যকার বিশ্বকাপ ম্যাচে গ্যালারিতে হাজার হাজার খালি আসন দেখার পরও ঘোষিত দর্শকসংখ্যা সঠিক ছিল বলে দাবি করেছে ফিফা।
গতকাল শুক্রবার ভোরে মেক্সিকোর গুয়ারাডালাহারা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘এ’-এর ম্যাচে দর্শকসংখ্যা ঘোষণা করা হয় ৪৪,৯৮৫, যা প্রায় পূর্ণ ধারণক্ষমতার সমান। তবে টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে অনেক খালি আসন চোখে পড়ায় অনেকেই এই সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
এর জবাবে ফিফা জানায়, উপস্থিতির হিসাব ভেরিফাইড অপারেশনাল ডাটার ভিত্তিতে করা হয়েছে।
তাদের মতে, এই সংখ্যা শুধু আসনে বসে থাকা দর্শকদের নয়, বরং স্টেডিয়াম চত্বরে উপস্থিত সকল টিকিটধারী দর্শককে অন্তর্ভুক্ত করে গণনা করা হয়েছে।
ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ‘সরকারি উপস্থিতির সংখ্যা নির্ধারণ করা হয় স্ক্যান করা টিকিট এবং স্টেডিয়ম চত্বরে উপস্থিত দর্শকের সংখ্যার ভিত্তিতে, ম্যাচ চলাকালে আসনগুলো দৃশ্যত কতটা পূর্ণ ছিল তার ওপর নয়। প্রকাশিত সব সংখ্যা যেন যাচাইকৃত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে হয়, তা নিশ্চিত করতে ফিফা স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ ও টিকিটিং দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে।’
ফিফার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, গুয়াদালাহারায় অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচে অনেক টিকিটধারী দর্শক পুরো সময় নিজেদের নির্ধারিত আসনে না বসে কনকোর্স বা চলাচলের এলাকায় দাঁড়িয়ে খেলা দেখছিলেন। ফলে টেলিভিশনের ক্যামেরায় কিছু অংশে খালি আসন দেখা গেলেও সরকারি হিসাব অনুযায়ী দর্শকসংখ্যা কম ছিল না।
এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে ফিফা স্পষ্ট করেছে যে উপস্থিতির সরকারি হিসাব আসনের দৃশ্যমান দখল নয়, বরং স্টেডিয়ামে প্রবেশ করা দর্শকের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে।