বদরুল হুদা জেনু

লোয়ার-অর্ডারে কাজী নাহিদের টর্নেডো ব্যাটিং এবং পরবর্তীতে বোলারদের সম্মিলিত বিধ্বংসী আক্রমণে প্রাইম ব্যাংক ডিভিশনাল রাউন্ড স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বিশাল জয় পেয়েছে কুমিল্লা হাইস্কুল। টপ-অর্ডারের বিপর্যয় সামাল দিয়ে অপরাজিত ৫১ রানের পর বল হাতে ৪ রানে ২ উইকেট নিলেন নাহিদ। আজ শনিবার নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বৃষ্টি বিঘিœত ২৫ ওভারের ম্যাচে ফেনী ছাগলনাইয়া সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়কে ৭৪ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছে কুমিল্লা। ব্যাটিং ও বোলিং- দুই বিভাগেই দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচের একক নায়ক বনে গেছেন কুমিল্লার নয় নম্বর ব্যাটসম্যান কাজী নাহিদ।
ম্যাচের শুরুতে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ফেনী ছাগলনাইয়া সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়। আম্পায়ার ধীমান মজুমদার ও লুৎফুর রহমানের পরিচালনায় ২৫ ওভারে পুনর্নির্ধারণ করা ম্যাচে ব্যাটিংয়ে নেমে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে কুমিল্লা হাইস্কুল। প্রতিপক্ষের বোলার মিনহাজুল ইসলামের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে মাত্র ৪৯ রানেই ৫ উইকেট এবং পরবর্তীতে ৬০ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে দল যখন ১০০ রানের নিচে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায়, ঠিক তখনই দৃশ্যপটে আসেন কাজী নাহিদ।
নয় নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ফেনীর বোলারদের ওপর রীতিমতো তান্ডব চালান নাহিদ। মাত্র ৪০ বলে ৪টি দৃষ্টিনন্দন চার এবং ৪টি বিশাল ছক্কার সাহায্যে খেলেন ৫১ রানের এক অপরাজিত টর্নেডো ইনিংস। তাকে সঙ্গ দেন দশ নম্বরে নামা ইমাজ উদ্দিন (১৯ বলে ১৬*)। এই দুই লোয়ার-অর্ডার ব্যাটসম্যানের অবিচ্ছিন্ন জুটির ওপর ভর করে নির্ধারিত ২৫ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রানের লড়াকু পুঁজি দাঁড় করায় কুমিল্লা হাই স্কুল। ফেনীর পক্ষে মিনহাজুল ইসলাম ৫ ওভারে ১২ রান খরচায় ৩টি উইকেট শিকার করেন।

১৪০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কুমিল্লার বোলিং তোপের মুখে পড়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ফেনী ছাগলনাইয়া সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের ব্যাটিং লাইনআপ। কুমিল্লার নিয়ন্ত্রিত ও আক্রমণাত্মক বোলিংয়ের সামনে কোনো ব্যাটসম্যানই ক্রিজে থিতু হতে পারেননি। দলীয় ৭ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে হারাতে মাত্র ১৬ দশমিক ৪ ওভারে ৬৫ রানেই অল-আউট হয়ে যায় ফেনী। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন মনসিফ আল হাসান এবং ওপেনার আবুল কাশিম করেন ১২ রান। বাকি ৯ জন ব্যাটসম্যানের কেউই দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি।
ব্যাট হাতে ঝড় তোলার পর বল হাতেও আগুন ঝরিয়েছেন কাজী নাহিদ। ৩ ওভারে ১টি মেইডেনসহ মাত্র ৪ রান দিয়ে তিনি তুলে নেন ২টি উইকেট। এছাড়া ইমাজ উদ্দিন ৪ ওভারে ১৩ রান দিয়ে ৩টি এবং মোয়াজ্জেম হোসেন ২ ওভারে মাত্র ১ রান দিয়ে ২টি উইকেট শিকার করে ফেনীর ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে দিতে মূল ভ‚মিকা রাখেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
কুমিল্লা হাইস্কুল: ১৩৯/৮ (২৫ ওভার); কাজী নাহিদ ৫১*, মোহাম্মদ ফারহান ১৭, ইমাজ উদ্দিন ১৬*। মিনহাজুল ৩/১২, আব্দুল কাদির ২/১৬।
ফেনী ছাগলনাইয়া সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়: ৬৫/১০ (১৬.৪ ওভার); মনসিফ ১৪*, আবুল কাশিম ১২। ইমাজ উদ্দিন ৩/১৩, কাজী নাহিদ ২/৪, মোয়াজ্জেম ২/১।
ফলাফল: কুমিল্লা হাইস্কুল ৭৪ রানে জয়ী।

লোয়ার-অর্ডারে কাজী নাহিদের টর্নেডো ব্যাটিং এবং পরবর্তীতে বোলারদের সম্মিলিত বিধ্বংসী আক্রমণে প্রাইম ব্যাংক ডিভিশনাল রাউন্ড স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বিশাল জয় পেয়েছে কুমিল্লা হাইস্কুল। টপ-অর্ডারের বিপর্যয় সামাল দিয়ে অপরাজিত ৫১ রানের পর বল হাতে ৪ রানে ২ উইকেট নিলেন নাহিদ। আজ শনিবার নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বৃষ্টি বিঘিœত ২৫ ওভারের ম্যাচে ফেনী ছাগলনাইয়া সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়কে ৭৪ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছে কুমিল্লা। ব্যাটিং ও বোলিং- দুই বিভাগেই দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচের একক নায়ক বনে গেছেন কুমিল্লার নয় নম্বর ব্যাটসম্যান কাজী নাহিদ।
ম্যাচের শুরুতে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ফেনী ছাগলনাইয়া সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়। আম্পায়ার ধীমান মজুমদার ও লুৎফুর রহমানের পরিচালনায় ২৫ ওভারে পুনর্নির্ধারণ করা ম্যাচে ব্যাটিংয়ে নেমে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে কুমিল্লা হাইস্কুল। প্রতিপক্ষের বোলার মিনহাজুল ইসলামের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে মাত্র ৪৯ রানেই ৫ উইকেট এবং পরবর্তীতে ৬০ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে দল যখন ১০০ রানের নিচে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায়, ঠিক তখনই দৃশ্যপটে আসেন কাজী নাহিদ।
নয় নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ফেনীর বোলারদের ওপর রীতিমতো তান্ডব চালান নাহিদ। মাত্র ৪০ বলে ৪টি দৃষ্টিনন্দন চার এবং ৪টি বিশাল ছক্কার সাহায্যে খেলেন ৫১ রানের এক অপরাজিত টর্নেডো ইনিংস। তাকে সঙ্গ দেন দশ নম্বরে নামা ইমাজ উদ্দিন (১৯ বলে ১৬*)। এই দুই লোয়ার-অর্ডার ব্যাটসম্যানের অবিচ্ছিন্ন জুটির ওপর ভর করে নির্ধারিত ২৫ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রানের লড়াকু পুঁজি দাঁড় করায় কুমিল্লা হাই স্কুল। ফেনীর পক্ষে মিনহাজুল ইসলাম ৫ ওভারে ১২ রান খরচায় ৩টি উইকেট শিকার করেন।

১৪০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কুমিল্লার বোলিং তোপের মুখে পড়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ফেনী ছাগলনাইয়া সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের ব্যাটিং লাইনআপ। কুমিল্লার নিয়ন্ত্রিত ও আক্রমণাত্মক বোলিংয়ের সামনে কোনো ব্যাটসম্যানই ক্রিজে থিতু হতে পারেননি। দলীয় ৭ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে হারাতে মাত্র ১৬ দশমিক ৪ ওভারে ৬৫ রানেই অল-আউট হয়ে যায় ফেনী। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন মনসিফ আল হাসান এবং ওপেনার আবুল কাশিম করেন ১২ রান। বাকি ৯ জন ব্যাটসম্যানের কেউই দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি।
ব্যাট হাতে ঝড় তোলার পর বল হাতেও আগুন ঝরিয়েছেন কাজী নাহিদ। ৩ ওভারে ১টি মেইডেনসহ মাত্র ৪ রান দিয়ে তিনি তুলে নেন ২টি উইকেট। এছাড়া ইমাজ উদ্দিন ৪ ওভারে ১৩ রান দিয়ে ৩টি এবং মোয়াজ্জেম হোসেন ২ ওভারে মাত্র ১ রান দিয়ে ২টি উইকেট শিকার করে ফেনীর ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে দিতে মূল ভ‚মিকা রাখেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
কুমিল্লা হাইস্কুল: ১৩৯/৮ (২৫ ওভার); কাজী নাহিদ ৫১*, মোহাম্মদ ফারহান ১৭, ইমাজ উদ্দিন ১৬*। মিনহাজুল ৩/১২, আব্দুল কাদির ২/১৬।
ফেনী ছাগলনাইয়া সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়: ৬৫/১০ (১৬.৪ ওভার); মনসিফ ১৪*, আবুল কাশিম ১২। ইমাজ উদ্দিন ৩/১৩, কাজী নাহিদ ২/৪, মোয়াজ্জেম ২/১।
ফলাফল: কুমিল্লা হাইস্কুল ৭৪ রানে জয়ী।