আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

ফুটবল ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাল এক অবিশ্বাস্য ও নজিরবিহীন ঘটনা। ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলের একটি ম্যাচে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাসহ মোট ৫৩ জনকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করেছেন রেফারি।
ব্রাজিলে উবারলান্দিয়া এবং মামোরের অনূর্ধ্ব-২০ দলের ম্যাচটি সাধারণ আর দশটা সাধারণ ম্যাচের মতোই এগোচ্ছিল। তবে শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তে মামোরের খেলোয়াড়রা ৩-১ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরই মূলত উত্তেজনার পারদ চড়ে বশে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
শেষ গোলে জয় নিশ্চিত বলে মনে হওয়া সেই গোলটির পর মামোরের খেলোয়াড় দাভি ফার্নান্দেস বিটানকোর্ট সোজাসুজি স্বাগতিক দলের বেঞ্চের দিকে ছুটে যান এবং রেফারি ম্যাচ রিপোর্টে উল্লেখ করেন যে, তিনি প্রতিপক্ষকে নানা অঙ্গভঙ্গি ও উসকানিমূলক কথাবার্তায় প্ররোচিত করেছিলেন। এরপরই শুরু হয় তুলকালাম কাণ্ড।
এই অসংলগ্ন আচরণ সহজভাবে নিতে পারেনি উবারলান্দিয়া। তাদের গোলকিপার কোচ পাওলো সার্জিও দিয়াস দোস সান্তোস দৌড়ে মাঠে ঢুকে মামোরের ওই খেলোয়াড়কে সজোরে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন।
আর তাতেই আগুন জ্বলে ওঠে মাঠে! শুরু হয় রণক্ষেত্র—উভয় দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে মারামারি, ঘুষি ও লাথির উৎসব। বাতাসের ওপর দিয়ে উড়তে থাকে চেয়ার ও স্ট্রেচার। এমনকি মাঠের ৬ জন বল বয়ও এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে!
পরিস্থিতি পুরোপুরি হাতের বাইরে চলে গেলে প্রধান রেফারি পাত্রিক নির্ধারিত সময়ের আগেই বাঁশি বাজিয়ে ম্যাচ সমাপ্তি ঘোষণা করেন এবং সেনাবাহিনীকে ডেকে পাঠাতে বাধ্য হন (১৭তম মিলিটারি পুলিশ ব্যাটালিয়ন)।
ম্যাচ রেফারি ফার্নান্দো প্যাট্রিক তার অফিশিয়াল ম্যাচ প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, মাঠের ওই ভয়াবহ সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি শান্ত করতে তিনি মোট ৪০ জন খেলোয়াড় এবং ৮ জন কর্মকর্তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। এর আগে ম্যাচ চলাকালীন নিয়মরক্ষার লড়াইয়ে আরও ৩ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে গিয়েছিলেন।
শুধু তাই নয়, উবেরলান্দিয়ার পরিচালনা পর্ষদের আরও দুই সদস্যকেও বহিষ্কারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সব মিলিয়ে এই ম্যাচে বহিষ্কৃত বা লাল কার্ড পাওয়া ব্যক্তির মোট সংখ্যা দাঁড়ায় বিস্ময়কর ৫৩টিতে!
উভয়পক্ষের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের মধ্যে চলা এই দফায় দফায় সংঘর্ষের কারণে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে ম্যাচটির খেলা পুরোপুরি বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে পরিবেশ সম্পূর্ণ শান্ত করতে ব্যর্থ হয়ে ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে বাধ্য হন রেফারি।
এদিকে ম্যাচ পণ্ড হওয়ার পর দুই দলের বিরুদ্ধেই একে অপরের বিরুদ্ধে গুরুতর সব পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের আঙুল তুলে বলা হচ্ছে, উবেরলান্দিয়ার কর্মকর্তারা প্রতিপক্ষ মামোরের খেলার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ভাঙচুর ও ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। অন্যদিকে মামোরের দলের বিক্ষুব্ধ সদস্যরাও স্বাগতিক দলের ড্রেসিংরুমে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এর আগের বিশ্বরেকর্ডটি হয়েছিল ২০১১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। আর্জেন্টিনার পঞ্চম ডিভিশনের ক্লাব আতলেতিকো ক্লেপোলে এবং ভিক্তোরিয়ানো আরেনাসের মধ্যকার এক ম্যাচে সেবার মোট ৩৬ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল।

ফুটবল ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাল এক অবিশ্বাস্য ও নজিরবিহীন ঘটনা। ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলের একটি ম্যাচে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাসহ মোট ৫৩ জনকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করেছেন রেফারি।
ব্রাজিলে উবারলান্দিয়া এবং মামোরের অনূর্ধ্ব-২০ দলের ম্যাচটি সাধারণ আর দশটা সাধারণ ম্যাচের মতোই এগোচ্ছিল। তবে শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তে মামোরের খেলোয়াড়রা ৩-১ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরই মূলত উত্তেজনার পারদ চড়ে বশে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
শেষ গোলে জয় নিশ্চিত বলে মনে হওয়া সেই গোলটির পর মামোরের খেলোয়াড় দাভি ফার্নান্দেস বিটানকোর্ট সোজাসুজি স্বাগতিক দলের বেঞ্চের দিকে ছুটে যান এবং রেফারি ম্যাচ রিপোর্টে উল্লেখ করেন যে, তিনি প্রতিপক্ষকে নানা অঙ্গভঙ্গি ও উসকানিমূলক কথাবার্তায় প্ররোচিত করেছিলেন। এরপরই শুরু হয় তুলকালাম কাণ্ড।
এই অসংলগ্ন আচরণ সহজভাবে নিতে পারেনি উবারলান্দিয়া। তাদের গোলকিপার কোচ পাওলো সার্জিও দিয়াস দোস সান্তোস দৌড়ে মাঠে ঢুকে মামোরের ওই খেলোয়াড়কে সজোরে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন।
আর তাতেই আগুন জ্বলে ওঠে মাঠে! শুরু হয় রণক্ষেত্র—উভয় দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে মারামারি, ঘুষি ও লাথির উৎসব। বাতাসের ওপর দিয়ে উড়তে থাকে চেয়ার ও স্ট্রেচার। এমনকি মাঠের ৬ জন বল বয়ও এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে!
পরিস্থিতি পুরোপুরি হাতের বাইরে চলে গেলে প্রধান রেফারি পাত্রিক নির্ধারিত সময়ের আগেই বাঁশি বাজিয়ে ম্যাচ সমাপ্তি ঘোষণা করেন এবং সেনাবাহিনীকে ডেকে পাঠাতে বাধ্য হন (১৭তম মিলিটারি পুলিশ ব্যাটালিয়ন)।
ম্যাচ রেফারি ফার্নান্দো প্যাট্রিক তার অফিশিয়াল ম্যাচ প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, মাঠের ওই ভয়াবহ সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি শান্ত করতে তিনি মোট ৪০ জন খেলোয়াড় এবং ৮ জন কর্মকর্তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। এর আগে ম্যাচ চলাকালীন নিয়মরক্ষার লড়াইয়ে আরও ৩ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে গিয়েছিলেন।
শুধু তাই নয়, উবেরলান্দিয়ার পরিচালনা পর্ষদের আরও দুই সদস্যকেও বহিষ্কারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সব মিলিয়ে এই ম্যাচে বহিষ্কৃত বা লাল কার্ড পাওয়া ব্যক্তির মোট সংখ্যা দাঁড়ায় বিস্ময়কর ৫৩টিতে!
উভয়পক্ষের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের মধ্যে চলা এই দফায় দফায় সংঘর্ষের কারণে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে ম্যাচটির খেলা পুরোপুরি বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে পরিবেশ সম্পূর্ণ শান্ত করতে ব্যর্থ হয়ে ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে বাধ্য হন রেফারি।
এদিকে ম্যাচ পণ্ড হওয়ার পর দুই দলের বিরুদ্ধেই একে অপরের বিরুদ্ধে গুরুতর সব পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের আঙুল তুলে বলা হচ্ছে, উবেরলান্দিয়ার কর্মকর্তারা প্রতিপক্ষ মামোরের খেলার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ভাঙচুর ও ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। অন্যদিকে মামোরের দলের বিক্ষুব্ধ সদস্যরাও স্বাগতিক দলের ড্রেসিংরুমে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এর আগের বিশ্বরেকর্ডটি হয়েছিল ২০১১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। আর্জেন্টিনার পঞ্চম ডিভিশনের ক্লাব আতলেতিকো ক্লেপোলে এবং ভিক্তোরিয়ানো আরেনাসের মধ্যকার এক ম্যাচে সেবার মোট ৩৬ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল।