ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

মরক্কোর বিপক্ষে শুরুতেই বিপাকে পড়েছিল ব্রাজিল। ২১তম মিনিটে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে সেলেসাওরা। তবে ভিনিসিয়ূস জুনিয়রের দুর্দান্ত গোলে ১-১ গোলের সমতায় থেকেই বিরতিতে যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শেষ ড্র করে মাঠ ছেড়েছে দু'দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই মরক্কোর দুরন্ত গতি আর পরিকল্পিত আক্রমণে দিশেহারা মনে হচ্ছিল ব্রাজিলকে। গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্টরা শুরু থেকেই যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তাতে যেন খেই হারিয়ে ফেলছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের শুরুতেই আশরাফ হাকিমির একটি জোরালো শট ব্রাজিলের রক্ষণভাগে বাধা পেয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে বড় বিপদ থেকে বেঁচে যায় সেলেসাওরা। পরের মিনিটেই গোলের সুযোগ এসেছিল ব্রাজিলের সামনে, কিন্তু ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ক্রসে মাথা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন ইগর থিয়াগো।
ব্রাজিল যখনই গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই ছন্দপতন। ২১ মিনিটে আফ্রিকান সিংহদের গর্জন শোনা গেল ইসমাইল সাইবারির পায়ে। ব্রাজিলের রক্ষণভাগ কিছুটা ওপরে উঠে আসায় মাঝমাঠ থেকে ব্রাহিম দিয়াজের বাড়ানো থ্রু-পাসটি ছিল নিখুঁত। মার্কিনিয়োস ও গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েসকে গতির লড়াইয়ে পেছনে ফেলে এগিয়ে আসা আলিসন বেকারের মাথার ওপর দিয়ে পিএসভি আইন্দহোভেনের এই ফরোয়ার্ড বল জড়িয়ে দেন জালে।
তবে বিরতির আগেই জ্বলে ওঠেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার পর মুহুর্মুহু আক্রমণে মরক্কোর রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে ব্রাজিল। এক পর্যায়ে বাঁ প্রান্ত দিয়ে দ্রুত ওপরে উঠে ব্রুনো গিমারেসের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে ডি-বক্সের কোনা দিয়ে ভেতরে ঢোকেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। এরপর গিমারেসের ফিরতি পাস থেকে ডান পায়ের এক দুর্দান্ত কার্ভ শটে গোলকিপার ইয়াসিন বুনোকে পরাস্ত করে দলকে ৩২ মিনিটে সমতায় ফেরান ভিনি।
বিরতির ঠিক আগমুহূর্তে ব্রাজিল এগিয়ে যাওয়ার দারুণ এক সুযোগ তৈরি করেছিল। ডি-বক্সের ভেতর থেকে লুকাস পাকেতার নেওয়া জোরালো ভলিটি গোলমুখে যাওয়ার অপেক্ষায় ছিল, কিন্তু অভিজ্ঞ বুনো দারুণ ক্ষিপ্রতায় তা কর্নারের বিনিময়ে রুখে দিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি।
বিরতির পর বল পায়ে আধিপত্য দেখায় ব্রাজিল। ৫২ মিনিটে ব্যবধান ২-১ করার দারুণ এক সুযোগও আসে। ব্রাজিলের একটি দ্রুত থ্রো-ইন থেকে বল পেয়ে ইগর থিয়াগোকে দুর্দান্ত এক পাস বাড়িয়ে দেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। থিয়াগো গোলমুখে জোরালো শটও নিয়েছিলেন, কিন্তু একেবারে শেষ মুহূর্তে দারুণ ক্ষিপ্রতায় দুই হাত উঁচিয়ে সেই নিশ্চিত গোল নসাৎ করে দেন ইয়াসিন বুনো।
৬১ মিনিটে দুই বদল আনেন আনচেলত্তি। লুকাস পাকেতার পরিবর্তে মাঠে নামেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ম্যাথিউস কুনিয়া। এরপরই মাঠ ছাড়েন ইগর থিয়াগো, আর তাঁর জায়গায় বদলি হিসেবে নামেন জেনিত সেন্ট পিটার্সবার্গের আরেক খেলোয়াড় লুইজ এনরিকে।
মিনিট তিনেক পর পরিবর্তন আনেন মরক্কো কোচ মোহাম্মদ কোহাবিও। ব্রাহিম দিয়াজের জায়গায় মাঠে নামেন চেমসদিন তালবি। এরপর দ্বিতীয় পরিবর্তন হিসেবে উনাহির পরিবর্তে স্ট্রাসবুর্গের ১৯ বছর বয়সী তরুণ সামির এল মোরাবেত নামেন। তাঁর ক্যারিয়ারের এটি প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে ব্রাজিলের একক দাপট চলতে থাকে। ৬৭ মিনিটে রাফিনিয়ার বাঁকানো এক বিপজ্জনক ক্রস ভাসান ডি-বক্সে, তবে মরক্কোর ডিফেন্ডার রিয়াদ তা হেডে বিপদমুক্ত করেন। গিমারেস দ্রুত বলটি আবারও বক্সে ফেরত পাঠান! কিন্তু রাফিনিয়া বলের নাগালই পেলেন না। বাকি সময় কোনো দলই বলার মতো সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না কোনো দলই।
নির্ধাররিত সময়ের পর ১০ মিনিট যোগ করা সময়ে সুযোগ এসেছিল মরক্কোর। তবে আলিসনের জোড়া সেভে হাঁফ ছেড়ে বাঁচল ব্রাজিল এল আইনাউই দূরপাল্লা থেকে ডানদিকের কোণা লক্ষ্য করে একটি বাঁকানো শট নিয়েছিলেন। প্রথমবার বল ধরতে গিয়ে কিছুটা হিমশিম খেলেও, দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ব্রাজিল গোলকিপার দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় বলটি ঝাঁপিয়ে পড়ে আমাইমুনি-এশগোইয়াবের পায়ের কাছ থেকে কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন!
‘সি’ গ্রুপে ব্রাজিলের পরের ম্যাচ ২০ জুন হাইতির বিপক্ষে। বাংলাদেশ সময় সকাল ৬.৩০ মিনিটে গ্রুপপর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নামবে সেলেসাওরা। আর একই দিন ভোর চারটায় মরক্কোর প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড।

মরক্কোর বিপক্ষে শুরুতেই বিপাকে পড়েছিল ব্রাজিল। ২১তম মিনিটে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে সেলেসাওরা। তবে ভিনিসিয়ূস জুনিয়রের দুর্দান্ত গোলে ১-১ গোলের সমতায় থেকেই বিরতিতে যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শেষ ড্র করে মাঠ ছেড়েছে দু'দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই মরক্কোর দুরন্ত গতি আর পরিকল্পিত আক্রমণে দিশেহারা মনে হচ্ছিল ব্রাজিলকে। গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্টরা শুরু থেকেই যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তাতে যেন খেই হারিয়ে ফেলছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের শুরুতেই আশরাফ হাকিমির একটি জোরালো শট ব্রাজিলের রক্ষণভাগে বাধা পেয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে বড় বিপদ থেকে বেঁচে যায় সেলেসাওরা। পরের মিনিটেই গোলের সুযোগ এসেছিল ব্রাজিলের সামনে, কিন্তু ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ক্রসে মাথা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন ইগর থিয়াগো।
ব্রাজিল যখনই গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই ছন্দপতন। ২১ মিনিটে আফ্রিকান সিংহদের গর্জন শোনা গেল ইসমাইল সাইবারির পায়ে। ব্রাজিলের রক্ষণভাগ কিছুটা ওপরে উঠে আসায় মাঝমাঠ থেকে ব্রাহিম দিয়াজের বাড়ানো থ্রু-পাসটি ছিল নিখুঁত। মার্কিনিয়োস ও গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েসকে গতির লড়াইয়ে পেছনে ফেলে এগিয়ে আসা আলিসন বেকারের মাথার ওপর দিয়ে পিএসভি আইন্দহোভেনের এই ফরোয়ার্ড বল জড়িয়ে দেন জালে।
তবে বিরতির আগেই জ্বলে ওঠেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার পর মুহুর্মুহু আক্রমণে মরক্কোর রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে ব্রাজিল। এক পর্যায়ে বাঁ প্রান্ত দিয়ে দ্রুত ওপরে উঠে ব্রুনো গিমারেসের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে ডি-বক্সের কোনা দিয়ে ভেতরে ঢোকেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। এরপর গিমারেসের ফিরতি পাস থেকে ডান পায়ের এক দুর্দান্ত কার্ভ শটে গোলকিপার ইয়াসিন বুনোকে পরাস্ত করে দলকে ৩২ মিনিটে সমতায় ফেরান ভিনি।
বিরতির ঠিক আগমুহূর্তে ব্রাজিল এগিয়ে যাওয়ার দারুণ এক সুযোগ তৈরি করেছিল। ডি-বক্সের ভেতর থেকে লুকাস পাকেতার নেওয়া জোরালো ভলিটি গোলমুখে যাওয়ার অপেক্ষায় ছিল, কিন্তু অভিজ্ঞ বুনো দারুণ ক্ষিপ্রতায় তা কর্নারের বিনিময়ে রুখে দিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি।
বিরতির পর বল পায়ে আধিপত্য দেখায় ব্রাজিল। ৫২ মিনিটে ব্যবধান ২-১ করার দারুণ এক সুযোগও আসে। ব্রাজিলের একটি দ্রুত থ্রো-ইন থেকে বল পেয়ে ইগর থিয়াগোকে দুর্দান্ত এক পাস বাড়িয়ে দেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। থিয়াগো গোলমুখে জোরালো শটও নিয়েছিলেন, কিন্তু একেবারে শেষ মুহূর্তে দারুণ ক্ষিপ্রতায় দুই হাত উঁচিয়ে সেই নিশ্চিত গোল নসাৎ করে দেন ইয়াসিন বুনো।
৬১ মিনিটে দুই বদল আনেন আনচেলত্তি। লুকাস পাকেতার পরিবর্তে মাঠে নামেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ম্যাথিউস কুনিয়া। এরপরই মাঠ ছাড়েন ইগর থিয়াগো, আর তাঁর জায়গায় বদলি হিসেবে নামেন জেনিত সেন্ট পিটার্সবার্গের আরেক খেলোয়াড় লুইজ এনরিকে।
মিনিট তিনেক পর পরিবর্তন আনেন মরক্কো কোচ মোহাম্মদ কোহাবিও। ব্রাহিম দিয়াজের জায়গায় মাঠে নামেন চেমসদিন তালবি। এরপর দ্বিতীয় পরিবর্তন হিসেবে উনাহির পরিবর্তে স্ট্রাসবুর্গের ১৯ বছর বয়সী তরুণ সামির এল মোরাবেত নামেন। তাঁর ক্যারিয়ারের এটি প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে ব্রাজিলের একক দাপট চলতে থাকে। ৬৭ মিনিটে রাফিনিয়ার বাঁকানো এক বিপজ্জনক ক্রস ভাসান ডি-বক্সে, তবে মরক্কোর ডিফেন্ডার রিয়াদ তা হেডে বিপদমুক্ত করেন। গিমারেস দ্রুত বলটি আবারও বক্সে ফেরত পাঠান! কিন্তু রাফিনিয়া বলের নাগালই পেলেন না। বাকি সময় কোনো দলই বলার মতো সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না কোনো দলই।
নির্ধাররিত সময়ের পর ১০ মিনিট যোগ করা সময়ে সুযোগ এসেছিল মরক্কোর। তবে আলিসনের জোড়া সেভে হাঁফ ছেড়ে বাঁচল ব্রাজিল এল আইনাউই দূরপাল্লা থেকে ডানদিকের কোণা লক্ষ্য করে একটি বাঁকানো শট নিয়েছিলেন। প্রথমবার বল ধরতে গিয়ে কিছুটা হিমশিম খেলেও, দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ব্রাজিল গোলকিপার দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় বলটি ঝাঁপিয়ে পড়ে আমাইমুনি-এশগোইয়াবের পায়ের কাছ থেকে কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন!
‘সি’ গ্রুপে ব্রাজিলের পরের ম্যাচ ২০ জুন হাইতির বিপক্ষে। বাংলাদেশ সময় সকাল ৬.৩০ মিনিটে গ্রুপপর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নামবে সেলেসাওরা। আর একই দিন ভোর চারটায় মরক্কোর প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড।