আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক
ক্যারিয়ারের ৪৭তম শিরোপা জিতলেন লিওনেল মেসি। এমএলএস কাপ জিতে হয়ে রইলেন ইতিহাসের সাক্ষী। ইন্টার মায়ামির প্রথম এমএলএস কাপ জেতায় দুটি অ্যাসিস্ট করে মেসি রাখলেন মুখ্য ভূমিকা। ফ্লোরিডার চেজ স্টেডিয়ামে ভ্যানকুইবার হোয়াইটক্যাপসকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা তুলল মায়ামি। মাঠে দারুণ প্রভাব বিস্তার করে হয়েছেন মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ারের পুরস্কার। প্রথম গোলটি আত্মঘাতী। তবে সেটিতে শট নেন তাদেও আলেন্দে। তার কাছে শট নেওয়ার জন্য বল পাঠান মেসি। দ্বিতীয় গোলটি ৭১ মিনিটে রদ্রিগো ডি পল করেন মেসির দারুণ পাসে। অতিরিক্ত সময়ে আলেন্দে গোল করলে ৩-১ ব্যবধানে নিশ্চিত হয় শিরোপা। এই গোলের অ্যাসিস্টও করেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তী। ম্যাচশেষে মেসি বলেন, ‘তিন বছর আগে এমএলএসে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আজ আমরা এমএলএস চ্যাম্পিয়ন। দল পুরো মৌসুমে অসাধারণ পরিশ্রম করেছে। এটি সেই মুহূর্ত, যার জন্য আমরা সবাই অপেক্ষা করছিলাম। খুবই ভালো লাগছে।’ ২০২৩ সালে মায়ামিতে যোগ দিয়ে মেসি কাটিয়েছেন প্রায় আড়াই বছর। লিগস কাপ জিতলেও পৌঁছাতে পারেনি প্রথম মৌসুমে প্লে-অফে। পরের বছর ২০২৪ সালে রেকর্ড ৭৪ পয়েন্টে সাপোর্টার্স শিল্ড জিতলেও অপূর্ণ ছিল এমএলএস কাপের শিরোপা। অবশেষে স্বপ্নপূরণ হয়েছে মায়ামির। কোচ হাভিয়ের মাশেরানো বলেন, ‘মৌসুমজুড়ে মেসি শুধু গোল-অ্যাসিস্টে নয়, ডিফেন্সেও দারুণ ছিল। শেষ কয়েক ম্যাচে তার অতিরিক্ত প্রেসিংই বলে দেয়, এই শিরোপা তার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’
ক্যারিয়ারের ৪৭তম শিরোপা জিতলেন লিওনেল মেসি। এমএলএস কাপ জিতে হয়ে রইলেন ইতিহাসের সাক্ষী। ইন্টার মায়ামির প্রথম এমএলএস কাপ জেতায় দুটি অ্যাসিস্ট করে মেসি রাখলেন মুখ্য ভূমিকা। ফ্লোরিডার চেজ স্টেডিয়ামে ভ্যানকুইবার হোয়াইটক্যাপসকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা তুলল মায়ামি। মাঠে দারুণ প্রভাব বিস্তার করে হয়েছেন মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ারের পুরস্কার। প্রথম গোলটি আত্মঘাতী। তবে সেটিতে শট নেন তাদেও আলেন্দে। তার কাছে শট নেওয়ার জন্য বল পাঠান মেসি। দ্বিতীয় গোলটি ৭১ মিনিটে রদ্রিগো ডি পল করেন মেসির দারুণ পাসে। অতিরিক্ত সময়ে আলেন্দে গোল করলে ৩-১ ব্যবধানে নিশ্চিত হয় শিরোপা। এই গোলের অ্যাসিস্টও করেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তী। ম্যাচশেষে মেসি বলেন, ‘তিন বছর আগে এমএলএসে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আজ আমরা এমএলএস চ্যাম্পিয়ন। দল পুরো মৌসুমে অসাধারণ পরিশ্রম করেছে। এটি সেই মুহূর্ত, যার জন্য আমরা সবাই অপেক্ষা করছিলাম। খুবই ভালো লাগছে।’ ২০২৩ সালে মায়ামিতে যোগ দিয়ে মেসি কাটিয়েছেন প্রায় আড়াই বছর। লিগস কাপ জিতলেও পৌঁছাতে পারেনি প্রথম মৌসুমে প্লে-অফে। পরের বছর ২০২৪ সালে রেকর্ড ৭৪ পয়েন্টে সাপোর্টার্স শিল্ড জিতলেও অপূর্ণ ছিল এমএলএস কাপের শিরোপা। অবশেষে স্বপ্নপূরণ হয়েছে মায়ামির। কোচ হাভিয়ের মাশেরানো বলেন, ‘মৌসুমজুড়ে মেসি শুধু গোল-অ্যাসিস্টে নয়, ডিফেন্সেও দারুণ ছিল। শেষ কয়েক ম্যাচে তার অতিরিক্ত প্রেসিংই বলে দেয়, এই শিরোপা তার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’