স্বর্গ রায়

গ্রুপ পর্ব শেষে ৬ গোল নিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন লিওনেল মেসি। তার পেছনে ৪ গোল করে আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও আর্লিং হালান্ড। এখন পর্যন্ত ব্রাজিলের নেইমার চমক দেখাতে পারেনি। তিনি প্রথম রাউন্ডের শেষ ম্যাচে ২০ মিনিটের মতো খেলেছেন। নকআউট পর্বে তাদের পারফরম্যান্সই নির্ধারণ করতে পারে গোল্ডেন বুটের ভাগ্য। এখন রাউন্ড অব ৩২ এ অর্থাৎ নকআউটে কারা বেশি গোল করবেন সেদিকে তাকিয়ে আছে ফুটবল বিশ্ব। গতকাল ২৮ জুন রাত থেকে রাউন্ড অব ৩২ এর খেলা শুরু হয়েছে। আগামী ৪ জুলাই পর্যন্ত এই খেলা চলবে। তবে ৪ জুলাই রাউন্ড অব ১৬ এর দুইটি ম্যাচ আছে।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে মোট ২২৩ মিনিট খেলেছেন এবং ৬ টি গোল করেছেন। তবে লিওনেল মেসির কোনো অ্যাসিস্ট নেই। যেখানে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করার পর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষেও জোড়া গোল এবং জর্ডানের বিপক্ষে গতকাল সকালে ১ টি গোল করেছেন। এ নিয়ে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। শুধু তাই নয়, গ্রæপ পর্বে ছয় গোল করে ১৯৯৪ সালের পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এক বিশ্বকাপের গ্রæপ পর্বে ছয় গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। বিশ্বকাপে বক্সের বাইরে থেকে তার গোলসংখ্যা এখন সাতটি, যা গত ৬০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
কিলিয়ান এমবাপ্পে ফ্রান্সের হয়ে মোট ২৯০ মিনিট খেলেছেন এবং ৪ টি গোল করার পাশাপাশি ২ টি অ্যাসিস্টও করেছেন। এই নিয়ে বিশ্বকাপে তাঁর সর্বমোট গোলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬টি, যার ফলে তিনি জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দারুণ ফর্মে থাকা এমবাপ্পে প্রথম ম্যাচে সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন। এরপর ইরাকের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেও তিনি আরও দুই গোল আদায় করে নেন। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে কোনো গোল না পেলেও দুইটি অ্যাসিস্ট করেন, গোল্ডেন বুটের দৌড়ে তিনি ৪টি গোল নিয়ে শীর্ষ প্রতিযোগীদের একজন।
এমবাপ্পের পাশাপাশি সর্বশেষ ব্যালন ডি’অরজয়ী উসমান দেম্বেলে ফ্রান্সের হয়ে মোট ২২৫ মিনিট খেলেছেন। এতে ৪ টি গোল এবং ১ টি অ্যাসিস্ট করেছেন। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে সেনেগালের বিপক্ষে গোলশূন্য থাকলেও, ইরাকের বিপক্ষে একটি এবং নরওয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করে তিনি এই মাইলফলক স্পর্শ করেন। নরওয়ের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয়ে দেম্বেলে ম্যাচের ৭ম, ২০তম ও ৩২তম মিনিটে গোল করে বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম দ্রæততম হ্যাটট্রিকের রেকর্ড গড়েন। এই ৪ গোল নিয়ে তিনি এবারের আসরে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও দারুণ অবস্থানে রয়েছেন।
চলতি বিশ্বকাপে ব্রাজিল জাতীয় দলের আক্রমণভাগের খেলোয়াড় ভিনিসিয়ুস জুনিয়র মোট ২৯৩ মিনিট খেলেছেন এবং ৪ টি গোল করার পাশাপাশি ১ টি অ্যাসিস্টও করেছেন। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই ম্যাচসেরা হয়েছেন ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। নেইমারের অনুপস্থিতিতে তিনিই দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং সেটা সফলভাবেই। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা ছিল। ভিনিসিয়ুসের গোলে সেই ম্যাচটি ড্র হয়। পরবর্তী ম্যাচ হাইতির বিপক্ষে তিনি ১ টি গোল এবং ১ টি অ্যাসিস্ট করেছেন। তৃতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি জোড়া গোল করেন। ভিনির মধ্যে ফুটবলের রাজা কালো মানিকের ছায়া দেখতে পান ব্রাজিল ভক্তরা।
নরওয়ের আর্লিং হলান্ডও রয়েছেন দুর্দান্ত ছন্দে। এই বিশ্বকাপে তিনি মোট ২০৭ মিনিট খেলেছেন এবং ৪ টি গোল করেছেন। ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোলের পর সেনেগালের বিপক্ষেও দুটি গোল করেছেন তিনি। ফলে নিজের প্রথম দুই বিশ্বকাপ ম্যাচেই দুটি করে গোল করার বিরল কীর্তি গড়েছেন এই স্ট্রাইকার। তবে দলের নকআউট পর্ব নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় ফ্রান্সের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচে তিনি খেলেননি।
টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে একাধিক গোল করা উল্লেখযোগ্য খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছেন: ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো: তিনি পর্তুগালের হয়ে অসাধারণ পারফর্ম করে দুইটি গোল করেছেন। ফোলারিন বালোগান: যুক্তরাষ্ট্রের এই স্ট্রাইকারও টুর্নামেন্টে জোড়া গোল (২টি) করেছেন। কাই হাভার্টজ: জার্মানির এই ফরোয়ার্ডও দুইটি গোল করেছেন। ইসমায়েল সাইবারি: মরক্কোর হয়ে দুর্দান্ত খেলে তিনি গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে আফ্রিকার সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে ২টি গোল করেছেন।
জানতে চাইলে কুমিল্লার বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়া লেখক বদরুল হুদা জেনু বলেন, যোগ্যতা সম্পন্ন খেলোয়াড়রা যোগ্য খেলা খেলছে। গোল করছে। স্পেনের ইয়ামাল ও ব্রাজিলের রায়ান দুইজন তরুণ, তাঁরাও আগামী দিনে এগিয়ে আসছে।

গ্রুপ পর্ব শেষে ৬ গোল নিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন লিওনেল মেসি। তার পেছনে ৪ গোল করে আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও আর্লিং হালান্ড। এখন পর্যন্ত ব্রাজিলের নেইমার চমক দেখাতে পারেনি। তিনি প্রথম রাউন্ডের শেষ ম্যাচে ২০ মিনিটের মতো খেলেছেন। নকআউট পর্বে তাদের পারফরম্যান্সই নির্ধারণ করতে পারে গোল্ডেন বুটের ভাগ্য। এখন রাউন্ড অব ৩২ এ অর্থাৎ নকআউটে কারা বেশি গোল করবেন সেদিকে তাকিয়ে আছে ফুটবল বিশ্ব। গতকাল ২৮ জুন রাত থেকে রাউন্ড অব ৩২ এর খেলা শুরু হয়েছে। আগামী ৪ জুলাই পর্যন্ত এই খেলা চলবে। তবে ৪ জুলাই রাউন্ড অব ১৬ এর দুইটি ম্যাচ আছে।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে মোট ২২৩ মিনিট খেলেছেন এবং ৬ টি গোল করেছেন। তবে লিওনেল মেসির কোনো অ্যাসিস্ট নেই। যেখানে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করার পর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষেও জোড়া গোল এবং জর্ডানের বিপক্ষে গতকাল সকালে ১ টি গোল করেছেন। এ নিয়ে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। শুধু তাই নয়, গ্রæপ পর্বে ছয় গোল করে ১৯৯৪ সালের পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এক বিশ্বকাপের গ্রæপ পর্বে ছয় গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। বিশ্বকাপে বক্সের বাইরে থেকে তার গোলসংখ্যা এখন সাতটি, যা গত ৬০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
কিলিয়ান এমবাপ্পে ফ্রান্সের হয়ে মোট ২৯০ মিনিট খেলেছেন এবং ৪ টি গোল করার পাশাপাশি ২ টি অ্যাসিস্টও করেছেন। এই নিয়ে বিশ্বকাপে তাঁর সর্বমোট গোলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬টি, যার ফলে তিনি জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দারুণ ফর্মে থাকা এমবাপ্পে প্রথম ম্যাচে সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন। এরপর ইরাকের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেও তিনি আরও দুই গোল আদায় করে নেন। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে কোনো গোল না পেলেও দুইটি অ্যাসিস্ট করেন, গোল্ডেন বুটের দৌড়ে তিনি ৪টি গোল নিয়ে শীর্ষ প্রতিযোগীদের একজন।
এমবাপ্পের পাশাপাশি সর্বশেষ ব্যালন ডি’অরজয়ী উসমান দেম্বেলে ফ্রান্সের হয়ে মোট ২২৫ মিনিট খেলেছেন। এতে ৪ টি গোল এবং ১ টি অ্যাসিস্ট করেছেন। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে সেনেগালের বিপক্ষে গোলশূন্য থাকলেও, ইরাকের বিপক্ষে একটি এবং নরওয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করে তিনি এই মাইলফলক স্পর্শ করেন। নরওয়ের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয়ে দেম্বেলে ম্যাচের ৭ম, ২০তম ও ৩২তম মিনিটে গোল করে বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম দ্রæততম হ্যাটট্রিকের রেকর্ড গড়েন। এই ৪ গোল নিয়ে তিনি এবারের আসরে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও দারুণ অবস্থানে রয়েছেন।
চলতি বিশ্বকাপে ব্রাজিল জাতীয় দলের আক্রমণভাগের খেলোয়াড় ভিনিসিয়ুস জুনিয়র মোট ২৯৩ মিনিট খেলেছেন এবং ৪ টি গোল করার পাশাপাশি ১ টি অ্যাসিস্টও করেছেন। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই ম্যাচসেরা হয়েছেন ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। নেইমারের অনুপস্থিতিতে তিনিই দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং সেটা সফলভাবেই। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা ছিল। ভিনিসিয়ুসের গোলে সেই ম্যাচটি ড্র হয়। পরবর্তী ম্যাচ হাইতির বিপক্ষে তিনি ১ টি গোল এবং ১ টি অ্যাসিস্ট করেছেন। তৃতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি জোড়া গোল করেন। ভিনির মধ্যে ফুটবলের রাজা কালো মানিকের ছায়া দেখতে পান ব্রাজিল ভক্তরা।
নরওয়ের আর্লিং হলান্ডও রয়েছেন দুর্দান্ত ছন্দে। এই বিশ্বকাপে তিনি মোট ২০৭ মিনিট খেলেছেন এবং ৪ টি গোল করেছেন। ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোলের পর সেনেগালের বিপক্ষেও দুটি গোল করেছেন তিনি। ফলে নিজের প্রথম দুই বিশ্বকাপ ম্যাচেই দুটি করে গোল করার বিরল কীর্তি গড়েছেন এই স্ট্রাইকার। তবে দলের নকআউট পর্ব নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় ফ্রান্সের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচে তিনি খেলেননি।
টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে একাধিক গোল করা উল্লেখযোগ্য খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছেন: ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো: তিনি পর্তুগালের হয়ে অসাধারণ পারফর্ম করে দুইটি গোল করেছেন। ফোলারিন বালোগান: যুক্তরাষ্ট্রের এই স্ট্রাইকারও টুর্নামেন্টে জোড়া গোল (২টি) করেছেন। কাই হাভার্টজ: জার্মানির এই ফরোয়ার্ডও দুইটি গোল করেছেন। ইসমায়েল সাইবারি: মরক্কোর হয়ে দুর্দান্ত খেলে তিনি গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে আফ্রিকার সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে ২টি গোল করেছেন।
জানতে চাইলে কুমিল্লার বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়া লেখক বদরুল হুদা জেনু বলেন, যোগ্যতা সম্পন্ন খেলোয়াড়রা যোগ্য খেলা খেলছে। গোল করছে। স্পেনের ইয়ামাল ও ব্রাজিলের রায়ান দুইজন তরুণ, তাঁরাও আগামী দিনে এগিয়ে আসছে।