ফিফা বিশ্বকাপ
আমার শহর স্পোর্টস ডেস্ক

গ্রুপসেরা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হয় পর্তুগাল ও কলম্বিয়া। উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে গোল আদায় করতে পারেনি কোনো দলই। ফলে ম্যাচটি গোলশূন্য ব্যবধানেই ড্র হয়েছে। আর এই ড্রয়ের মাধ্যমে কলম্বিয়া গ্রুপসেরা ও পর্তুগাল রানারআপ হয়ে নকআউট পর্বে পা রাখলো।
৩ ম্যাচে দুটি জয় ও একটি ড্রয়ে কলম্বিয়ার সংগ্রহ সর্বোচ্চ ৭ পয়েন্ট। সমান তিনটি ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে অবস্থান করছে পর্তুগিজরা। এদিকে ৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে কঙ্গো। এই তিন দলই ‘কে’ গ্রুপ থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে।
পর্তুগাল ও কলম্বিয়ার এই ৯০ মিনিটের যুদ্ধ গোলশূন্য হলেও মাঠে ছড়াল চরম উত্তেজনা ও রোমাঞ্চ। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে দুই দলই একে অপরকে ব্যতিব্যস্ত করে রেখেছিল। বিশেষ করে কলম্বিয়ার বিধ্বংসী আক্রমণের সামনে পর্তুগিজ ডিফেন্সকে আজ বেশ কয়েকবার কাঁপতে দেখা গেছে। পুরো ম্যাচে পর্তুগালের ১৩টি শটের বিপরীতে রেকর্ড ২৪টি শট নিয়েছিল কলম্বিয়া। ম্যাচের দ্বিতীয়াল্ধের একদম শেষ দিকে মাঠে তৈরি হয়েছিল এক চরম নাটকীয় মুহূর্ত, যখন দাভিনসন সানচেজ চমৎকার এক শটে বল জালে জড়িয়ে কলম্বিয়াকে জয় উদযাপনের উপলক্ষ এনে দিয়েছিলেন। তবে পর্তুগিজ সমর্থকদের স্বস্তি দিয়ে রেফারি অফসাইডের কারণে সেই গোলটি বাতিল করে দেন, যার ফলে নিশ্চিত হারের হাত থেকে বেঁচে যায় রবার্তো মার্তিনেজের দল।
প্রথমার্ধের ডেডলক ভাঙতে ও মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে বিরতির পর পর্তুগিজ ডাগআউটে জোড়া পরিবর্তন এনেছিলেন কোচ। রুবেন নেভেস ও জোয়াও কানসেলোর পরিবর্তে মাঠে নামানো হয়েছিল দিয়োগো দালোত ও জোয়াও নেভেসকে। এই পরিবর্তনের পর পর্তুগাল আক্রমণে কিছুটা ধার বাড়ালেও কলম্বিয়ার জমাট ডিফেন্স ভাঙা সম্ভব হয়নি। গোলহীন এই ড্র নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের মুকুট হাতছাড়া হলেও রোনালদোদের মূল লক্ষ্য শেষ ৩২ নিশ্চিত হয়েছে। এখন ফুটবলপ্রেমীদের সব উন্মাদনা আছড়ে পড়ছে নকআউটের সেই মেগা ফিক্সচারের ওপর, যেখানে বিশ্বমঞ্চে শেষবারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন রিয়াল মাদ্রিদের দুই সাবেক সতীর্থ সিআরসেভেন ও লুকা মদরিচ।

গ্রুপসেরা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হয় পর্তুগাল ও কলম্বিয়া। উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে গোল আদায় করতে পারেনি কোনো দলই। ফলে ম্যাচটি গোলশূন্য ব্যবধানেই ড্র হয়েছে। আর এই ড্রয়ের মাধ্যমে কলম্বিয়া গ্রুপসেরা ও পর্তুগাল রানারআপ হয়ে নকআউট পর্বে পা রাখলো।
৩ ম্যাচে দুটি জয় ও একটি ড্রয়ে কলম্বিয়ার সংগ্রহ সর্বোচ্চ ৭ পয়েন্ট। সমান তিনটি ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে অবস্থান করছে পর্তুগিজরা। এদিকে ৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে কঙ্গো। এই তিন দলই ‘কে’ গ্রুপ থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে।
পর্তুগাল ও কলম্বিয়ার এই ৯০ মিনিটের যুদ্ধ গোলশূন্য হলেও মাঠে ছড়াল চরম উত্তেজনা ও রোমাঞ্চ। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে দুই দলই একে অপরকে ব্যতিব্যস্ত করে রেখেছিল। বিশেষ করে কলম্বিয়ার বিধ্বংসী আক্রমণের সামনে পর্তুগিজ ডিফেন্সকে আজ বেশ কয়েকবার কাঁপতে দেখা গেছে। পুরো ম্যাচে পর্তুগালের ১৩টি শটের বিপরীতে রেকর্ড ২৪টি শট নিয়েছিল কলম্বিয়া। ম্যাচের দ্বিতীয়াল্ধের একদম শেষ দিকে মাঠে তৈরি হয়েছিল এক চরম নাটকীয় মুহূর্ত, যখন দাভিনসন সানচেজ চমৎকার এক শটে বল জালে জড়িয়ে কলম্বিয়াকে জয় উদযাপনের উপলক্ষ এনে দিয়েছিলেন। তবে পর্তুগিজ সমর্থকদের স্বস্তি দিয়ে রেফারি অফসাইডের কারণে সেই গোলটি বাতিল করে দেন, যার ফলে নিশ্চিত হারের হাত থেকে বেঁচে যায় রবার্তো মার্তিনেজের দল।
প্রথমার্ধের ডেডলক ভাঙতে ও মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে বিরতির পর পর্তুগিজ ডাগআউটে জোড়া পরিবর্তন এনেছিলেন কোচ। রুবেন নেভেস ও জোয়াও কানসেলোর পরিবর্তে মাঠে নামানো হয়েছিল দিয়োগো দালোত ও জোয়াও নেভেসকে। এই পরিবর্তনের পর পর্তুগাল আক্রমণে কিছুটা ধার বাড়ালেও কলম্বিয়ার জমাট ডিফেন্স ভাঙা সম্ভব হয়নি। গোলহীন এই ড্র নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের মুকুট হাতছাড়া হলেও রোনালদোদের মূল লক্ষ্য শেষ ৩২ নিশ্চিত হয়েছে। এখন ফুটবলপ্রেমীদের সব উন্মাদনা আছড়ে পড়ছে নকআউটের সেই মেগা ফিক্সচারের ওপর, যেখানে বিশ্বমঞ্চে শেষবারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন রিয়াল মাদ্রিদের দুই সাবেক সতীর্থ সিআরসেভেন ও লুকা মদরিচ।