আমার শহর ডেস্ক

বাংলাদেশ থেকে আগামী বছরের মধ্যে জনশক্তি রপ্তানি ১ লাখে উন্নীত করার বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এ প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে রাশিয়া।
গতকাল সোমবার মস্কোয় অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি বিভিন্ন খাতে রাশিয়ায় কর্মরত। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শিগগির সম্পন্ন হবে বলে উভয়পক্ষ আশা করছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম ভূইয়া এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, বৈঠকে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যের পরিমাণ সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম বলে মত দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বিশেষ করে রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও ওষুধ রপ্তানি দ্রুত বাড়ানোর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ থেকে একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রাশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানাতে আগ্রহ প্রকাশ করে রুশ পক্ষ।
বৈঠকে প্রযুক্তিখাতে সহযোগিতা, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। ড. খলিলুর রহমান কৃষি ও স্বাস্থ্যখাতে এআই প্রযুক্তির প্রয়োগ বিষয়ে রাশিয়ার একটি প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের প্রস্তাব দেন। রুশ কর্তৃপক্ষ এ প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।
এছাড়া বাংলাদেশের জাতীয় এআই নীতিমালা প্রণয়ন এবং এআই বিষয়ে উৎকর্ষ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া।
বৈঠক শেষে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সম্মানে এক মধ্যাহ্নভোজ আয়োজন করেন।
মধ্যাহ্নভোজে দুই দেশের প্রতিনিধিরা অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।
বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং সহযোগিতার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। উভয়পক্ষই এই সম্পর্ককে আগামী দিনে আরো শক্তিশালী, গতিশীল ও ফলপ্রসূ পর্যায়ে উন্নীত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত সাত বছরের মধ্যে এই প্রথম বাংলাদেশ থেকে এত উচ্চপর্যায়ের কোনো প্রতিনিধিদলকে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার জন্য রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এই সফর বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব, পারস্পরিক আস্থা এবং দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরো সুদৃঢ় করার অভিন্ন আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে আগামী বছরের মধ্যে জনশক্তি রপ্তানি ১ লাখে উন্নীত করার বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এ প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে রাশিয়া।
গতকাল সোমবার মস্কোয় অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি বিভিন্ন খাতে রাশিয়ায় কর্মরত। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শিগগির সম্পন্ন হবে বলে উভয়পক্ষ আশা করছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম ভূইয়া এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, বৈঠকে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যের পরিমাণ সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম বলে মত দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বিশেষ করে রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও ওষুধ রপ্তানি দ্রুত বাড়ানোর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ থেকে একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রাশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানাতে আগ্রহ প্রকাশ করে রুশ পক্ষ।
বৈঠকে প্রযুক্তিখাতে সহযোগিতা, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। ড. খলিলুর রহমান কৃষি ও স্বাস্থ্যখাতে এআই প্রযুক্তির প্রয়োগ বিষয়ে রাশিয়ার একটি প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের প্রস্তাব দেন। রুশ কর্তৃপক্ষ এ প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।
এছাড়া বাংলাদেশের জাতীয় এআই নীতিমালা প্রণয়ন এবং এআই বিষয়ে উৎকর্ষ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া।
বৈঠক শেষে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সম্মানে এক মধ্যাহ্নভোজ আয়োজন করেন।
মধ্যাহ্নভোজে দুই দেশের প্রতিনিধিরা অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।
বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং সহযোগিতার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। উভয়পক্ষই এই সম্পর্ককে আগামী দিনে আরো শক্তিশালী, গতিশীল ও ফলপ্রসূ পর্যায়ে উন্নীত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত সাত বছরের মধ্যে এই প্রথম বাংলাদেশ থেকে এত উচ্চপর্যায়ের কোনো প্রতিনিধিদলকে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার জন্য রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এই সফর বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব, পারস্পরিক আস্থা এবং দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরো সুদৃঢ় করার অভিন্ন আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।