আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শোক অনুষ্ঠান পিছিয়েছে দেশটির সরকার।
আজ ইরানের ফারস নিউজ এজেন্সিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাজধানী তেহরানের মেয়র আলীরেজা জাকানি।
এর আগে ইরানের সরকার জানিয়েছিল, আরবি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের প্রথম ১০ দিনের মধ্যে হবে সর্বোচ্চ নেতার রাষ্ট্রীয় শোক অনুষ্ঠান। সেই হিসেবে চলতি জুন মাসের মাঝামাঝি এ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল।
তবে এবার মেয়র আলীরেজা জাকানি জানিয়েছেন, খামেনির রাষ্ট্রীয় শোক অনুষ্ঠান হবে মহররমের দ্বিতীয় ১০ দিনের যেকোনও সময়ে।
অর্থাৎ ইংরেজি বর্ষপঞ্জি অনুসারে, ২৬ জুন থেকে ৫ জুলাই-এই ১০ দিনের মধ্যে হবে খামেনির শোক অনুষ্ঠান। জানা গেছে, পবিত্র আশুরার কারণে খামেনির শোক অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।
প্রসংগত, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির অবসান ঘটাতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি একযোগে ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সেদিনই খামেনি ও তার পরিবারের একাধিক সদস্য প্রাণ হারান। এ ছাড়া ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাও সেই হামলায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই হামলায় গুরুতর আহত হন খামেনির ছেলে ও ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। খামেনির মরদেহ সংরক্ষিত অবস্থায় আছে, এখনও দাফন হয়নি।
ইরানের সরকার জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় শোক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার মরদেহ দাফন করা হবে। এর আগে গত ৪ মার্চ থেকে তিন দিনব্যাপী খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছিল ইরানি কর্তৃপক্ষ। তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকায় আয়োজনের প্রস্তুতিতে জটিলতা দেখা দেয়। পরে সে পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শোক অনুষ্ঠান পিছিয়েছে দেশটির সরকার।
আজ ইরানের ফারস নিউজ এজেন্সিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাজধানী তেহরানের মেয়র আলীরেজা জাকানি।
এর আগে ইরানের সরকার জানিয়েছিল, আরবি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের প্রথম ১০ দিনের মধ্যে হবে সর্বোচ্চ নেতার রাষ্ট্রীয় শোক অনুষ্ঠান। সেই হিসেবে চলতি জুন মাসের মাঝামাঝি এ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল।
তবে এবার মেয়র আলীরেজা জাকানি জানিয়েছেন, খামেনির রাষ্ট্রীয় শোক অনুষ্ঠান হবে মহররমের দ্বিতীয় ১০ দিনের যেকোনও সময়ে।
অর্থাৎ ইংরেজি বর্ষপঞ্জি অনুসারে, ২৬ জুন থেকে ৫ জুলাই-এই ১০ দিনের মধ্যে হবে খামেনির শোক অনুষ্ঠান। জানা গেছে, পবিত্র আশুরার কারণে খামেনির শোক অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।
প্রসংগত, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির অবসান ঘটাতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি একযোগে ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সেদিনই খামেনি ও তার পরিবারের একাধিক সদস্য প্রাণ হারান। এ ছাড়া ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাও সেই হামলায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই হামলায় গুরুতর আহত হন খামেনির ছেলে ও ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। খামেনির মরদেহ সংরক্ষিত অবস্থায় আছে, এখনও দাফন হয়নি।
ইরানের সরকার জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় শোক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার মরদেহ দাফন করা হবে। এর আগে গত ৪ মার্চ থেকে তিন দিনব্যাপী খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছিল ইরানি কর্তৃপক্ষ। তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকায় আয়োজনের প্রস্তুতিতে জটিলতা দেখা দেয়। পরে সে পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়।