আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সফটওয়্যারের সম্ভাব্য ত্রুটির কারণে বিশ্বব্যাপী ফ্লাইটে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। তীব্র সৌর বিকিরণে উড়োজাহাজ নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে। এয়ারবাস বহরের অর্ধেক, প্রায় ছয়হাজার এ৩২০ উড়োজাহাজ এতে প্রভাবিত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দ্রুত একটি সফটওয়্যার হালনাগাদের পর বেশির ভাগ ফ্লাইট আবার চালু হবার সম্ভাবনা রয়েছে। এয়ারবাস জানিয়েছে, শুধু এ৩২০ নয়, তাদের এ৩১৮, এ৩১৯ ও এ৩২১ মডেলেও এ সমস্যা শনাক্ত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, আকস্মিক সংকটের কারণে কিছু বিঘ্ন এবং কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল হতে পারে। যদিও বিমানবন্দরগুলোতে প্রভাব তুলনামূলকভাবে সীমিত বলে মনে হচ্ছে। প্রায় পাঁচ হাজার ১০০ উড়োজাহাজে তিন ঘণ্টার মতো সময় নিয়ে সফটওয়্যার হালনাগাদের মাধ্যমে সমস্যাটি সমাধান করা সম্ভব বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বাকি ৯০০ পুরোনো উড়োজাহাজে অনবোর্ড কমপিউটার সম্পূর্ণ বদলাতে হবে। কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এগুলোতে যাত্রী বহন করা যাবে না। প্রতিস্থাপনযোগ্য কমপিউটার কত দ্রুত পাওয়া যায়, তার ওপর সময় নির্ভর করবে। এই পরিস্থিতিতে আরোহীদের সমস্যার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে এয়ারবাস। বিমান চলাচল বিশ্লেষক স্যালি গেথিন বিবিসিকে বলেন, পরিস্থিতি “অত্যন্ত অস্বাভাবিক”। যাত্রীদের জন্য বিঘ্নের মাত্রা নির্ভর করবে সফটওয়্যার আপডেট নিয়ে বিভিন্ন এয়ারলাইনের “পৃথক পদ্ধতির” ওপর। বিভিন্ন এয়ারলাইনে প্রভাবের মাত্রাও ভিন্ন। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ এ সমস্যায় কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। উইজ এয়ার ও এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে হালনাগাদের কাজ শুরু করেছে। যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত প্রভাব সীমিত। লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দর কিছু বিঘ্নের খবর পাওয়া গেলেও, হিথ্রো কোনও ফ্লাইট বাতিলের কথা জানায়নি। ম্যানচেস্টার বিমানবন্দর উল্লেখযোগ্য সমস্যা প্রত্যাশা করছে না। পাবলিক ডাটা অনুযায়ী, এয়ার ফ্রান্স সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে তাদের প্যারিস হাব থেকে ও সেখানে যাওয়ার ৫০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে বিবিসিকে জানান সাংবাদিক সাইমন ক্যালডার। এদিকে ইজিজেট বলেছে, তারা কিছুটা জটিলতা আশঙ্কা করছে। তবে পরে জানায়, অনেক উড়োজাহাজে হালনাগাদ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং গতকাল শনিবার পূর্ণ সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকো যাওয়ার পথে একটি ফ্লাইট হঠাৎ উচ্চতা হারানোর ঘটনা তদন্ত করতে গিয়েই সমস্যা শনাক্ত হয় বলে জানিয়েছে এয়ারবাস। জেটব্লু এয়ারওয়েজের ওই ফ্লাইটটি অন্তত ১৫ জন আহত হওয়ার পর ফ্লোরিডায় জরুরি অবতরণ করে। আমেরিকান এয়ারলাইন্স বলেছে, তাদের ৩৪০টি উড়োজাহাজ প্রভাবিত হয়েছে এবং কিছুটা বিলম্ব হতে পারে। তবে বেশির ভাগ হালনাগাদ শুক্রবার বা শনিবারের মধ্যে শেষ হবে। ডেল্টা এয়ারলাইনস বলেছে, তাদের কার্যক্রমে প্রভাব সীমিত হবে বলে তারা মনে করছে। যুক্তরাজ্যের সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির নীতি পরিচালক টিম জনসন বলেছেন, এয়ারবাসের নোটিশটির ফলে আগামী কয়েক দিন কিছু ফ্লাইট বিঘ্ন, বিলম্ব বা বাতিল হতে পারে। তিনি আরও বলেন, কঠোর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার কারণে ফ্লাইট এখনও সবচেয়ে নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থাগুলোর একটি, এবং এ ধরনের ব্যাপক স্থগিতাদেশ অত্যন্ত বিরল।

সফটওয়্যারের সম্ভাব্য ত্রুটির কারণে বিশ্বব্যাপী ফ্লাইটে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। তীব্র সৌর বিকিরণে উড়োজাহাজ নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে। এয়ারবাস বহরের অর্ধেক, প্রায় ছয়হাজার এ৩২০ উড়োজাহাজ এতে প্রভাবিত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দ্রুত একটি সফটওয়্যার হালনাগাদের পর বেশির ভাগ ফ্লাইট আবার চালু হবার সম্ভাবনা রয়েছে। এয়ারবাস জানিয়েছে, শুধু এ৩২০ নয়, তাদের এ৩১৮, এ৩১৯ ও এ৩২১ মডেলেও এ সমস্যা শনাক্ত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, আকস্মিক সংকটের কারণে কিছু বিঘ্ন এবং কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল হতে পারে। যদিও বিমানবন্দরগুলোতে প্রভাব তুলনামূলকভাবে সীমিত বলে মনে হচ্ছে। প্রায় পাঁচ হাজার ১০০ উড়োজাহাজে তিন ঘণ্টার মতো সময় নিয়ে সফটওয়্যার হালনাগাদের মাধ্যমে সমস্যাটি সমাধান করা সম্ভব বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বাকি ৯০০ পুরোনো উড়োজাহাজে অনবোর্ড কমপিউটার সম্পূর্ণ বদলাতে হবে। কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এগুলোতে যাত্রী বহন করা যাবে না। প্রতিস্থাপনযোগ্য কমপিউটার কত দ্রুত পাওয়া যায়, তার ওপর সময় নির্ভর করবে। এই পরিস্থিতিতে আরোহীদের সমস্যার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে এয়ারবাস। বিমান চলাচল বিশ্লেষক স্যালি গেথিন বিবিসিকে বলেন, পরিস্থিতি “অত্যন্ত অস্বাভাবিক”। যাত্রীদের জন্য বিঘ্নের মাত্রা নির্ভর করবে সফটওয়্যার আপডেট নিয়ে বিভিন্ন এয়ারলাইনের “পৃথক পদ্ধতির” ওপর। বিভিন্ন এয়ারলাইনে প্রভাবের মাত্রাও ভিন্ন। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ এ সমস্যায় কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। উইজ এয়ার ও এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে হালনাগাদের কাজ শুরু করেছে। যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত প্রভাব সীমিত। লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দর কিছু বিঘ্নের খবর পাওয়া গেলেও, হিথ্রো কোনও ফ্লাইট বাতিলের কথা জানায়নি। ম্যানচেস্টার বিমানবন্দর উল্লেখযোগ্য সমস্যা প্রত্যাশা করছে না। পাবলিক ডাটা অনুযায়ী, এয়ার ফ্রান্স সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে তাদের প্যারিস হাব থেকে ও সেখানে যাওয়ার ৫০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে বিবিসিকে জানান সাংবাদিক সাইমন ক্যালডার। এদিকে ইজিজেট বলেছে, তারা কিছুটা জটিলতা আশঙ্কা করছে। তবে পরে জানায়, অনেক উড়োজাহাজে হালনাগাদ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং গতকাল শনিবার পূর্ণ সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকো যাওয়ার পথে একটি ফ্লাইট হঠাৎ উচ্চতা হারানোর ঘটনা তদন্ত করতে গিয়েই সমস্যা শনাক্ত হয় বলে জানিয়েছে এয়ারবাস। জেটব্লু এয়ারওয়েজের ওই ফ্লাইটটি অন্তত ১৫ জন আহত হওয়ার পর ফ্লোরিডায় জরুরি অবতরণ করে। আমেরিকান এয়ারলাইন্স বলেছে, তাদের ৩৪০টি উড়োজাহাজ প্রভাবিত হয়েছে এবং কিছুটা বিলম্ব হতে পারে। তবে বেশির ভাগ হালনাগাদ শুক্রবার বা শনিবারের মধ্যে শেষ হবে। ডেল্টা এয়ারলাইনস বলেছে, তাদের কার্যক্রমে প্রভাব সীমিত হবে বলে তারা মনে করছে। যুক্তরাজ্যের সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির নীতি পরিচালক টিম জনসন বলেছেন, এয়ারবাসের নোটিশটির ফলে আগামী কয়েক দিন কিছু ফ্লাইট বিঘ্ন, বিলম্ব বা বাতিল হতে পারে। তিনি আরও বলেন, কঠোর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার কারণে ফ্লাইট এখনও সবচেয়ে নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থাগুলোর একটি, এবং এ ধরনের ব্যাপক স্থগিতাদেশ অত্যন্ত বিরল।