আমার শহর আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে শুধু নেপালেই ৬১৬ জনের মরদেহ মিলেছে। আর চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম মতে, তিব্বতে এখন পর্যন্ত সাতজনের নিহতের খবর পাওয়া গেছে। দুই দেশ মিলিয়ে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ২ হাজার ৪৮২ জন।
আজ শনিবার সকাল পর্যন্ত বিশ্ব গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৬১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ১ হাজার ৯২৪ জন। অন্যদিকে, চীনের তিব্বতে বন্যা ও ভূমিধসে সাতজন নিহত এবং ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে দুই দেশ মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ৬২৩ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ২ হাজার ৪৮২ জনে দাঁড়িয়েছে।

গত বুধবার হিমালয়ের নেপাল-চীন সীমান্ত এলাকায় হিমবাহ ধসের পর ভয়াবহ পানির স্রোত নেমে আসে। এতে নদীর তীরবর্তী এলাকা, সড়ক, সেতু, ঘরবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চীন ও নেপালের গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত বাণিজ্যকেন্দ্র গিরংও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে।
বন্যার পর পাহাড়ি ধ্বংসাবশেষে একটি নতুন হ্রদ তৈরি হয়েছে। সেখান থেকে পানি উপচে পড়ায় আরও বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়। এ কারণে উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে ব্যাহত হলেও পরে আবার তা শুরু করা হয়।
নেপাল ও চীনের উদ্ধারকারী দলগুলো ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নিখোঁজদের সন্ধান করছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, যোগাযোগব্যবস্থার ক্ষতি এবং নতুন করে বন্যার আশঙ্কা উদ্ধারকাজকে কঠিন করে তুলেছে।
সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স,

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে শুধু নেপালেই ৬১৬ জনের মরদেহ মিলেছে। আর চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম মতে, তিব্বতে এখন পর্যন্ত সাতজনের নিহতের খবর পাওয়া গেছে। দুই দেশ মিলিয়ে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ২ হাজার ৪৮২ জন।
আজ শনিবার সকাল পর্যন্ত বিশ্ব গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৬১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ১ হাজার ৯২৪ জন। অন্যদিকে, চীনের তিব্বতে বন্যা ও ভূমিধসে সাতজন নিহত এবং ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে দুই দেশ মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ৬২৩ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ২ হাজার ৪৮২ জনে দাঁড়িয়েছে।

গত বুধবার হিমালয়ের নেপাল-চীন সীমান্ত এলাকায় হিমবাহ ধসের পর ভয়াবহ পানির স্রোত নেমে আসে। এতে নদীর তীরবর্তী এলাকা, সড়ক, সেতু, ঘরবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চীন ও নেপালের গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত বাণিজ্যকেন্দ্র গিরংও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে।
বন্যার পর পাহাড়ি ধ্বংসাবশেষে একটি নতুন হ্রদ তৈরি হয়েছে। সেখান থেকে পানি উপচে পড়ায় আরও বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়। এ কারণে উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে ব্যাহত হলেও পরে আবার তা শুরু করা হয়।
নেপাল ও চীনের উদ্ধারকারী দলগুলো ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নিখোঁজদের সন্ধান করছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, যোগাযোগব্যবস্থার ক্ষতি এবং নতুন করে বন্যার আশঙ্কা উদ্ধারকাজকে কঠিন করে তুলেছে।
সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স,