আমার শহর ডেস্ক

পাকিস্তানের একটি আদালত তোশাখানা-২ দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবিকে আরও ১৭ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন। গত শনিবার এই রায় দেন বিশেষ আদালত। রাওয়ালপিন্ডির উচ্চ নিরাপত্তাসম্পন্ন আদিয়ালা কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতের বিচারক শাহরুখ আরজুমান্দ এই রায় ঘোষণা করেন। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান বর্তমানে সেখানেই বন্দি আছেন।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ইমরান খান এবং বুশরা বিবিকে পাকিস্তান দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা (বিশ্বাসভঙ্গ) অনুযায়ী ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় আরও সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত তাদের প্রত্যেককে ১৬ দশমিক ৪ মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি জরিমানাও করেছেন। রায়ে বলা হয়েছে, ‘সাজা প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত ইমরান আহমেদ খান নিয়াজির বার্ধক্য এবং বুশরা ইমরান খান একজন নারী হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করেছেন। এই দুটি কারণ বিবেচনা করেই কম সাজা প্রদানের মাধ্যমে একটি নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা হয়েছে।
৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে। ২০২২ সালের এপ্রিলে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়েছে। তোশাখানা-২ মামলাটি ২০২১ সালে সৌদি সরকারের কাছ থেকে এই দম্পতি যে রাষ্ট্রীয় উপহার পেয়েছিলেন, তাতে কথিত জালিয়াতির সঙ্গে সম্পর্কিত। ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট তোশাখানা দুর্নীতি মামলায় ইমরানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এর পর ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি ইমরানকে ১০ বছরের জেল দিয়েছেন দেশটির আদালত। দেশের গোপন তথ্য পাচার করার অভিযোগ এনে তাঁর বিরুদ্ধে এই রায় দেওয়া হয়। এ ছাড়া তোশাখানা-২ দুর্নীতি মামলায় ২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ইমরান ও বুশরাকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।
এদিকে ইমরানের ব্যক্তিগত চিকিৎসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন রাওয়ালপিন্ডির একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি)। শনিবার উভয় পক্ষের যুক্তি শোনার পর আদালত এই সিদ্ধান্ত জানান।

পাকিস্তানের একটি আদালত তোশাখানা-২ দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবিকে আরও ১৭ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন। গত শনিবার এই রায় দেন বিশেষ আদালত। রাওয়ালপিন্ডির উচ্চ নিরাপত্তাসম্পন্ন আদিয়ালা কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতের বিচারক শাহরুখ আরজুমান্দ এই রায় ঘোষণা করেন। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান বর্তমানে সেখানেই বন্দি আছেন।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ইমরান খান এবং বুশরা বিবিকে পাকিস্তান দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা (বিশ্বাসভঙ্গ) অনুযায়ী ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় আরও সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত তাদের প্রত্যেককে ১৬ দশমিক ৪ মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি জরিমানাও করেছেন। রায়ে বলা হয়েছে, ‘সাজা প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত ইমরান আহমেদ খান নিয়াজির বার্ধক্য এবং বুশরা ইমরান খান একজন নারী হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করেছেন। এই দুটি কারণ বিবেচনা করেই কম সাজা প্রদানের মাধ্যমে একটি নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা হয়েছে।
৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে। ২০২২ সালের এপ্রিলে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়েছে। তোশাখানা-২ মামলাটি ২০২১ সালে সৌদি সরকারের কাছ থেকে এই দম্পতি যে রাষ্ট্রীয় উপহার পেয়েছিলেন, তাতে কথিত জালিয়াতির সঙ্গে সম্পর্কিত। ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট তোশাখানা দুর্নীতি মামলায় ইমরানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এর পর ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি ইমরানকে ১০ বছরের জেল দিয়েছেন দেশটির আদালত। দেশের গোপন তথ্য পাচার করার অভিযোগ এনে তাঁর বিরুদ্ধে এই রায় দেওয়া হয়। এ ছাড়া তোশাখানা-২ দুর্নীতি মামলায় ২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ইমরান ও বুশরাকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।
এদিকে ইমরানের ব্যক্তিগত চিকিৎসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন রাওয়ালপিন্ডির একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি)। শনিবার উভয় পক্ষের যুক্তি শোনার পর আদালত এই সিদ্ধান্ত জানান।