• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বিশ্ব

কলকাতায় হোটেলে আগুনে নয় বাংলাদেশির মৃত্যু, বলছে পুলিশ

কলকাতায় নিহত বাংলাদেশিরা সকলেই গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য

আমার শহর ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১২: ৫০
logo

কলকাতায় হোটেলে আগুনে নয় বাংলাদেশির মৃত্যু, বলছে পুলিশ

আমার শহর ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১২: ৫০
Photo

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ ৯ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আহত অন্তত আটজন। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ। একই তথ্য দিয়েছে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস।

গতকাল মঙ্গলবাররাত দুইটার দিকে ‘শিখা ইন’ নামের ওই আবাসিক হোটেলে আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেলের অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন।

আহত ব্যক্তিদের কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, হতাহত হওয়া ব্যক্তিরা হোটেলটির আবাসিক অতিথি ছিলেন। তাঁরা বাংলাদেশের নাগরিক। চিকিৎসার জন্য তাঁরা কলকাতায় এসেছিলেন। উঠেছিলেন মির্জা গালিব স্ট্রিটের তিনতলার হোটেল শিখা ইনে।

কলকাতার ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের একেবারে পাশেই হোটেলটির অবস্থান। পাঁচতলা এই হোটেল ভবনের প্রতিটি তালায় রয়েছে বিভিন্ন হোটেল, বিভিন্ন নামে।

শিখা ইন হোটেলের এক আবাসিক অতিথি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, গতকাল মঙ্গলবার রাত দুইটার দিকে এ আগুন লাগে তিনতলায়। ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা হোটেল। মানুষ আটকে পড়েন। হোটেলে ঢোকার পথ ছিল সরু ও অপ্রশস্ত। ছিল না অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা। এসব ছাড়াই হোটেলটি চলছিল।

নিহত ব্যক্তিদের নাম এখনো জানায়নি কলকাতা পুলিশ। তবে তারা বলেছে, ৯ জন মারা গেছেন, ৮ জন গুরুতর আহত। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক।

কলকাতা পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে ভারতের দ্য হিন্দু পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, আগুনে ৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক মারা গেছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশিরা আছেন।

কলকাতার ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের পাশে হোটেলটির অবস্থান। আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন। তাঁরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে হোটেলের আবাসিক অতিথিদের উদ্ধারের চেষ্টা করেন। ফায়ার সার্ভিস ধারণা করছে, শর্টসার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।

ভবনটিতে বিভিন্ন নামে আরও কয়েকটি আবাসিক হোটেল রয়েছে, যেখানে মূলত বাংলাদেশ থেকে যাওয়া পর্যটক ও রোগীরা অবস্থান করেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় ভবনটিতে মোট কতজন ছিলেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে পাঁচতলা এ হোটেল ভবনের প্রতিটি তলায় আরও আবাসিক হোটেল আছে বিভিন্ন নামে। স্থানীয় লোকজন বলছেন, এখানে মূলত বাংলাদেশিরা বেশি আসেন। এসব হোটেলে থেকে তাঁরা চিকিৎসা করান।

Thumbnail image

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ ৯ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আহত অন্তত আটজন। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ। একই তথ্য দিয়েছে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস।

গতকাল মঙ্গলবাররাত দুইটার দিকে ‘শিখা ইন’ নামের ওই আবাসিক হোটেলে আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেলের অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন।

আহত ব্যক্তিদের কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, হতাহত হওয়া ব্যক্তিরা হোটেলটির আবাসিক অতিথি ছিলেন। তাঁরা বাংলাদেশের নাগরিক। চিকিৎসার জন্য তাঁরা কলকাতায় এসেছিলেন। উঠেছিলেন মির্জা গালিব স্ট্রিটের তিনতলার হোটেল শিখা ইনে।

কলকাতার ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের একেবারে পাশেই হোটেলটির অবস্থান। পাঁচতলা এই হোটেল ভবনের প্রতিটি তালায় রয়েছে বিভিন্ন হোটেল, বিভিন্ন নামে।

শিখা ইন হোটেলের এক আবাসিক অতিথি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, গতকাল মঙ্গলবার রাত দুইটার দিকে এ আগুন লাগে তিনতলায়। ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা হোটেল। মানুষ আটকে পড়েন। হোটেলে ঢোকার পথ ছিল সরু ও অপ্রশস্ত। ছিল না অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা। এসব ছাড়াই হোটেলটি চলছিল।

নিহত ব্যক্তিদের নাম এখনো জানায়নি কলকাতা পুলিশ। তবে তারা বলেছে, ৯ জন মারা গেছেন, ৮ জন গুরুতর আহত। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক।

কলকাতা পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে ভারতের দ্য হিন্দু পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, আগুনে ৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক মারা গেছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশিরা আছেন।

কলকাতার ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের পাশে হোটেলটির অবস্থান। আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন। তাঁরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে হোটেলের আবাসিক অতিথিদের উদ্ধারের চেষ্টা করেন। ফায়ার সার্ভিস ধারণা করছে, শর্টসার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।

ভবনটিতে বিভিন্ন নামে আরও কয়েকটি আবাসিক হোটেল রয়েছে, যেখানে মূলত বাংলাদেশ থেকে যাওয়া পর্যটক ও রোগীরা অবস্থান করেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় ভবনটিতে মোট কতজন ছিলেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে পাঁচতলা এ হোটেল ভবনের প্রতিটি তলায় আরও আবাসিক হোটেল আছে বিভিন্ন নামে। স্থানীয় লোকজন বলছেন, এখানে মূলত বাংলাদেশিরা বেশি আসেন। এসব হোটেলে থেকে তাঁরা চিকিৎসা করান।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

কলকাতায় হোটেলে আগুনে নয় বাংলাদেশির মৃত্যু, বলছে পুলিশ

২

‘ফ্যালকন স্ট্রাইক’ নামে নতুন ফ্রন্ট খোলার ঘোষণা দিলো মার্কিন বাহিনী

৩

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২৪১, ধ্বংসস্তূপে জীবিতদের খুঁজছেন উদ্ধারকারীরা

৪

সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় ১১ বেসামরিক নাগরিক আহত

৫

ভারতের আসামে ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৯৫

সম্পর্কিত

‘ফ্যালকন স্ট্রাইক’ নামে নতুন ফ্রন্ট খোলার ঘোষণা দিলো মার্কিন বাহিনী

‘ফ্যালকন স্ট্রাইক’ নামে নতুন ফ্রন্ট খোলার ঘোষণা দিলো মার্কিন বাহিনী

৫ দিন আগে
কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২৪১, ধ্বংসস্তূপে জীবিতদের খুঁজছেন উদ্ধারকারীরা

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২৪১, ধ্বংসস্তূপে জীবিতদের খুঁজছেন উদ্ধারকারীরা

৭ দিন আগে
সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় ১১ বেসামরিক নাগরিক আহত

সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় ১১ বেসামরিক নাগরিক আহত

১২ দিন আগে
ভারতের আসামে ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৯৫

ভারতের আসামে ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৯৫

১৩ দিন আগে