আমার শহর ডেস্ক

কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছে। এতে পদ্মা সেতুতে যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা তিন দিনে সেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ১ লাখ ১৯ হাজারের বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ২১ লাখ টাকারও বেশি, যা গত বছরের তুলনায় বেশি।
পদ্মা সেতুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়াদ নিলয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ মার্চ পদ্মা সেতু দিয়ে ৩৮ হাজার ৫১৭টি যানবাহন পারাপার হয় এবং টোল আদায় হয় ৪ কোটি ১৮ লাখ ৬০ হাজার ৯০০ টাকা। এ ছাড়া ১৮ মার্চ ৪১ হাজার ৮৮৫টি যানবাহন চলাচল করে, টোল আদায় হয় ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ২৫০ টাকা। আর গতকাল বৃহস্পতিবার ৩৯ হাজার ২৮০টি যানবাহন পারাপারের বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬৫০ টাকা।
গত মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা তিন দিনে সেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ১ লাখ ১৯ হাজারের বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকা যা গত বছরের তুলনায় বেশি।
পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়াদ কালের কণ্ঠকে জানান, দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। টোল প্লাজায় বড় যানবাহনের জন্য সাতটি ও মোটরসাইকেলের জন্য তিনটি আলাদা টোল বুথ চালু রাখা হয়েছে।
ফলে দ্রুত টোল আদায় সম্ভব হচ্ছে ও যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছে। এতে পদ্মা সেতুতে যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা তিন দিনে সেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ১ লাখ ১৯ হাজারের বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ২১ লাখ টাকারও বেশি, যা গত বছরের তুলনায় বেশি।
পদ্মা সেতুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়াদ নিলয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ মার্চ পদ্মা সেতু দিয়ে ৩৮ হাজার ৫১৭টি যানবাহন পারাপার হয় এবং টোল আদায় হয় ৪ কোটি ১৮ লাখ ৬০ হাজার ৯০০ টাকা। এ ছাড়া ১৮ মার্চ ৪১ হাজার ৮৮৫টি যানবাহন চলাচল করে, টোল আদায় হয় ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ২৫০ টাকা। আর গতকাল বৃহস্পতিবার ৩৯ হাজার ২৮০টি যানবাহন পারাপারের বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬৫০ টাকা।
গত মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা তিন দিনে সেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ১ লাখ ১৯ হাজারের বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকা যা গত বছরের তুলনায় বেশি।
পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়াদ কালের কণ্ঠকে জানান, দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। টোল প্লাজায় বড় যানবাহনের জন্য সাতটি ও মোটরসাইকেলের জন্য তিনটি আলাদা টোল বুথ চালু রাখা হয়েছে।
ফলে দ্রুত টোল আদায় সম্ভব হচ্ছে ও যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।