নিজস্ব প্রতিবেদক

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে জনগণের প্রকৃত কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
গতকাল সোমবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভায় সভাপতিত্বকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, যেসব প্রকল্প প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে, সেগুলোর কারণ চিহ্নিত করতে হবে এবং দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।
মন্ত্রী ভবিষ্যতে প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনকল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর জোর দেন।
কৃষি উৎপাদন টেকসই রাখতে তিনি জমির উর্বরতা পুনরুদ্ধার এবং মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত সার ব্যবহারের ফলে মাটির অম্লতা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মাটির ক্ষতির পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন ব্যয়ও বাড়াচ্ছে। মন্ত্রী এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে মাটির অম্লতা হ্রাসে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দেন।
সভায় জানানো হয়, চলতি অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির অগ্রগতি ৪২.১৮ শতাংশ। সভায় কৃষি সচিব রফিকুল-ই মোহামেদসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অধীন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে জনগণের প্রকৃত কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
গতকাল সোমবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভায় সভাপতিত্বকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, যেসব প্রকল্প প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে, সেগুলোর কারণ চিহ্নিত করতে হবে এবং দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।
মন্ত্রী ভবিষ্যতে প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনকল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর জোর দেন।
কৃষি উৎপাদন টেকসই রাখতে তিনি জমির উর্বরতা পুনরুদ্ধার এবং মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত সার ব্যবহারের ফলে মাটির অম্লতা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মাটির ক্ষতির পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন ব্যয়ও বাড়াচ্ছে। মন্ত্রী এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে মাটির অম্লতা হ্রাসে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দেন।
সভায় জানানো হয়, চলতি অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির অগ্রগতি ৪২.১৮ শতাংশ। সভায় কৃষি সচিব রফিকুল-ই মোহামেদসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অধীন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।