আমার শহর ডেস্ক

ফিলিং স্টেশনে ভিড় করার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই বলে মনে করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, মানুষের উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ আছে। তবে সরবরাহ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। মার্চে কোনো সরবরাহুসংকট নেই। এপ্রিল ও মে মাসের সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রস্তুতি চলছে। এ ছাড়া আপাতত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই সরকারের।
জ্বালানি তেলুসংক্রান্ত সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফিলিং স্টেশনে মূলত পেট্রল ও অকটেনের জন্য ভিড় করছে। অথচ পেট্রল শতভাগ দেশে উৎপাদন হয়। অকটেনের সিংহভাগ দেশে উৎপাদন হয়। শিগগিরই সবার উৎকণ্ঠা কেটে যাবে। মোটরসাইকেল দিয়ে যাঁরা রাইড শেয়ার করেন, তাঁদের ২০০ টাকার পরিবর্তে (দুই লিটার) তেল সরবরাহের সীমা পাঁচ লিটার করে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ইতিমধ্যে এপ্রিল ও মে মাসের পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিকল্প উৎস হিসেবে আফ্রিকা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল আমদানির বিষয়েও কাজ চলছে। বাংলাদেশে তেলের সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে ভারত সরকারকে অনানুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

ফিলিং স্টেশনে ভিড় করার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই বলে মনে করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, মানুষের উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ আছে। তবে সরবরাহ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। মার্চে কোনো সরবরাহুসংকট নেই। এপ্রিল ও মে মাসের সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রস্তুতি চলছে। এ ছাড়া আপাতত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই সরকারের।
জ্বালানি তেলুসংক্রান্ত সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফিলিং স্টেশনে মূলত পেট্রল ও অকটেনের জন্য ভিড় করছে। অথচ পেট্রল শতভাগ দেশে উৎপাদন হয়। অকটেনের সিংহভাগ দেশে উৎপাদন হয়। শিগগিরই সবার উৎকণ্ঠা কেটে যাবে। মোটরসাইকেল দিয়ে যাঁরা রাইড শেয়ার করেন, তাঁদের ২০০ টাকার পরিবর্তে (দুই লিটার) তেল সরবরাহের সীমা পাঁচ লিটার করে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ইতিমধ্যে এপ্রিল ও মে মাসের পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিকল্প উৎস হিসেবে আফ্রিকা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল আমদানির বিষয়েও কাজ চলছে। বাংলাদেশে তেলের সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে ভারত সরকারকে অনানুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।