আমার শহর ডেস্ক

বিএনপি নেতা-কর্মীদের পেছনে রাডার ফিট করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া এলাকায় নেহা নদী খননকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি চাই, বিএনপি নেতারা যেন ঠিক রাস্তায় চলে। আমি কিন্তু তাদের পেছনে রাডার ফিট করে দিয়েছি। সেই রাডার সব জায়গায় ঘুরছে। কে কী করছে, আমি সব জেনে যাব। কাউকে ক্ষমা করব না। পরিষ্কার কথা, নেতৃত্ব যাবে, আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।’
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কদিন আগে দিনাজপুরের কাহারোলে এসেছিলেন। সেখানে তিনি এসেছিলেন খাল কাটতে। এই খাল কাটা তাঁর বাবা শুরু করেছিলেন ১৯৭৬ সালের দিকে। খাল কাটা যদি অব্যাহত থাকত, তাহলে আমাদের পানির সমস্যা থাকত না। আমরা এই এলাকার মানুষ খুব পানি সমস্যায় থাকি।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখানে আসার সময় দেখলাম, গমগুলো পড়ে গেছে। বৃষ্টি হয়েছে, গম পড়ে গেছে। এখন কী করবেন, আমাদের কৃষকদের ভাগ্যই এটা। যেবার আমরা মনের আশা নিয়ে গম লাগাই, বৃষ্টি হলে গম নষ্ট হয়ে যায়। আর যদি শীত কমে যায়, তবু গম নষ্ট হয়। ভুট্টার ক্ষতি হয়। এবার যাঁরা আলু লাগাইছেন, তাঁরা তো শুয়ে গেছেন।
এই সমস্যা আমরা বুঝি বলেই, আমাদের নেতা তারেক রহমান নির্বাচনের আগে কতগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার মধ্যে একটা হলো, কৃষকেরা ঋণগ্রস্ত হয়ে যান। অনেকে ব্যাংক থেকে লোন নেন, শোধ করতে পারেন না। সেই অবস্থার পরিবর্তন করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি ক্ষমতায় এসে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করে দিয়েছিলেন। একইভাবে তারেক রহমান সেই কাজগুলো করছেন, যা কৃষকদের সাহায্য করবে। তিনি শুধু ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করেননি, প্রতিটি পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থাও করেছেন।’
দেশে ২০ হাজার খাল খনন করা হবে—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষ্য উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘তার কাজ করে দেখান। সবাইকে অনুরোধ করব, যাঁরা বিএনপি করেন, সরকারি কর্মকর্তাদের বলি, পানি উন্নয়নের কর্মকর্তাদের বলি, যাঁরা কাজটা করছেন, তাঁদের বলি—সৎভাবে খালটা কাটবেন।’
জামায়াতের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বেশি কিছুসংখ্যক নেতা বের হয়েছে, তারা বেহেশতের টিকিট দিচ্ছে। এবার তারা তো বেহেশতে নিতে পারল না। সমস্যা নেই, আমরা আমাদের কাজ দিয়ে ইনশা আল্লাহ বেহেশতে যাব। একটা কথা মনে রাখবেন, ধর্মটাকে বিক্রি করে কিছু করা যায় না। ধর্মটা মানুষের অন্তরের ব্যাপার। দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ ধার্মিক, ধর্মকে তারা ভালোবাসেন, শ্রদ্ধা করেন, সম্মান করেন কিন্তু ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা পছন্দ করেন না।’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘শৃঙ্খলা ছাড়া জাতি ওপরে উঠতে পারে না। এখন একটা বড় সংকট দেখা দিয়েছে, তেল নেই। ইরান আর যুক্তরাষ্ট্রুইসরাইলের যুদ্ধের তেলের সরবরাহ কমে গেছে। এখানে একটি পেট্রলপাম্প ছেলেরা ভেঙে দিয়েছে। অভিযোগ থাকলে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বলো, পাম্প ভাঙবে কেন। কোনো মব তৈরি করতে দেওয়া হবে না। মবকে কঠিনহস্তে দমন করা হবে। সবাই সাবধানে থাকবেন, গায়ের জোরে, আইনের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করবেন না।’
জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তোফায়েল হোসেন প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ড উত্তরাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ সরফরাজ বান্দা, ঠাকুরগাঁওয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান প্রমুখ।
নেহা নদীর ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার খনন করার জন্য খরচ ধরা হয়েছে ১ কোটি ১৪ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

বিএনপি নেতা-কর্মীদের পেছনে রাডার ফিট করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া এলাকায় নেহা নদী খননকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি চাই, বিএনপি নেতারা যেন ঠিক রাস্তায় চলে। আমি কিন্তু তাদের পেছনে রাডার ফিট করে দিয়েছি। সেই রাডার সব জায়গায় ঘুরছে। কে কী করছে, আমি সব জেনে যাব। কাউকে ক্ষমা করব না। পরিষ্কার কথা, নেতৃত্ব যাবে, আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।’
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কদিন আগে দিনাজপুরের কাহারোলে এসেছিলেন। সেখানে তিনি এসেছিলেন খাল কাটতে। এই খাল কাটা তাঁর বাবা শুরু করেছিলেন ১৯৭৬ সালের দিকে। খাল কাটা যদি অব্যাহত থাকত, তাহলে আমাদের পানির সমস্যা থাকত না। আমরা এই এলাকার মানুষ খুব পানি সমস্যায় থাকি।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখানে আসার সময় দেখলাম, গমগুলো পড়ে গেছে। বৃষ্টি হয়েছে, গম পড়ে গেছে। এখন কী করবেন, আমাদের কৃষকদের ভাগ্যই এটা। যেবার আমরা মনের আশা নিয়ে গম লাগাই, বৃষ্টি হলে গম নষ্ট হয়ে যায়। আর যদি শীত কমে যায়, তবু গম নষ্ট হয়। ভুট্টার ক্ষতি হয়। এবার যাঁরা আলু লাগাইছেন, তাঁরা তো শুয়ে গেছেন।
এই সমস্যা আমরা বুঝি বলেই, আমাদের নেতা তারেক রহমান নির্বাচনের আগে কতগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার মধ্যে একটা হলো, কৃষকেরা ঋণগ্রস্ত হয়ে যান। অনেকে ব্যাংক থেকে লোন নেন, শোধ করতে পারেন না। সেই অবস্থার পরিবর্তন করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি ক্ষমতায় এসে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করে দিয়েছিলেন। একইভাবে তারেক রহমান সেই কাজগুলো করছেন, যা কৃষকদের সাহায্য করবে। তিনি শুধু ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করেননি, প্রতিটি পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থাও করেছেন।’
দেশে ২০ হাজার খাল খনন করা হবে—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষ্য উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘তার কাজ করে দেখান। সবাইকে অনুরোধ করব, যাঁরা বিএনপি করেন, সরকারি কর্মকর্তাদের বলি, পানি উন্নয়নের কর্মকর্তাদের বলি, যাঁরা কাজটা করছেন, তাঁদের বলি—সৎভাবে খালটা কাটবেন।’
জামায়াতের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বেশি কিছুসংখ্যক নেতা বের হয়েছে, তারা বেহেশতের টিকিট দিচ্ছে। এবার তারা তো বেহেশতে নিতে পারল না। সমস্যা নেই, আমরা আমাদের কাজ দিয়ে ইনশা আল্লাহ বেহেশতে যাব। একটা কথা মনে রাখবেন, ধর্মটাকে বিক্রি করে কিছু করা যায় না। ধর্মটা মানুষের অন্তরের ব্যাপার। দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ ধার্মিক, ধর্মকে তারা ভালোবাসেন, শ্রদ্ধা করেন, সম্মান করেন কিন্তু ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা পছন্দ করেন না।’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘শৃঙ্খলা ছাড়া জাতি ওপরে উঠতে পারে না। এখন একটা বড় সংকট দেখা দিয়েছে, তেল নেই। ইরান আর যুক্তরাষ্ট্রুইসরাইলের যুদ্ধের তেলের সরবরাহ কমে গেছে। এখানে একটি পেট্রলপাম্প ছেলেরা ভেঙে দিয়েছে। অভিযোগ থাকলে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বলো, পাম্প ভাঙবে কেন। কোনো মব তৈরি করতে দেওয়া হবে না। মবকে কঠিনহস্তে দমন করা হবে। সবাই সাবধানে থাকবেন, গায়ের জোরে, আইনের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করবেন না।’
জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তোফায়েল হোসেন প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ড উত্তরাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ সরফরাজ বান্দা, ঠাকুরগাঁওয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান প্রমুখ।
নেহা নদীর ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার খনন করার জন্য খরচ ধরা হয়েছে ১ কোটি ১৪ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।