নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদপুরের সাহিত্য সংগঠন সাহিত্য মঞ্চ প্রবর্তিত ‘মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেছেন প্রাবন্ধিক-গবেষক মামুন সিদ্দিকী। তিনি প্রবন্ধ ও গবেষণায় এ পুরস্কার অর্জন করলেন।
চাঁদপুর সাহিত্য সম্মেলন-২০২৬ এবং মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার প্রদান একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়ে। গত শুক্রবার বিকেল চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমি মিলনায়তনে টানা পঞ্চম বারের মতো সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলার শতাধিক লেখক-সাহিত্যিক-সংস্কৃতিকর্মী এতে অংশগ্রহণ করেন।
সাহিত্য সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি এবং কবি হাসান হাফিজ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন লেখক-সাংবাদিক মিজান মালিক, প্রধান আলোচক ছিলেন কবি-সম্পাদক জামসেদ ওয়াজেদ, মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক কাদের পলাশ। এই পর্বে সভাপতিত্ব করেন সাহিত্য মঞ্চের সাবেক সভাপতি মাইনুল ইসলাম মানিক।
উদ্বোধকের বক্তব্যে কবি হাসান হাফিজ বলেন, ‘সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন শুধু চাঁদপুর নয়, পুরো বাংলাদেশের বাঙালি মুসলমানের জন্য সম্পদ। তাঁকে উপলক্ষ্য করে এই আয়োজনের জন্য চাঁদপুর সাহিত্য মঞ্চকে ধন্যবাদ জানাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘কীর্তিমান মানুষদেরকে সম্মানিত না করবো, ততদিন আমরা নিজেরাই দরিদ্র থেকে যাবো।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সুযোগ্য কন্যা বেগম নুরজাহানের সাথে আমার অনেক শৈশব স্মৃতি রয়েছে। আমাদের বাড়িতে নিয়মিত বেগম পত্রিকা রাখা হতো। যা পড়ে আমরা অনেক কিছু শিখেছি। আমাদের মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত নারী সমাজের মাঝে বেগম পত্রিকায় একটি সাহিত্যের অসাধারণ বীজ বপন করেছি।'
পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় গবেষক মামুন সিদ্দিকী বলেন, বাংলার প্রগতিশীল সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা তথা বাঙালি মুসলমানের আধুনিকায়নে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন-সম্পাদিত সওগাত ঐতিহাসিক ভ‚মিকা রেখেছিল। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের শতবর্ষে তাঁর নামাঙ্কিত সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্তিতে আজ নতুনভাবে দায়বদ্ধ হলাম। বাংলার বুদ্ধিবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক জাগরণ বিষয়ে গবেষণার মাধ্যমে এ কাজ অব্যাহত রাখার প্রয়াস নেবো।'
কবি ও প্রাবন্ধিক মিজান খানের সভাপতিত্বে সাহিত্য সম্মেলনের প্রথম পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ‘চাঁদপুরের সাহিত্য আন্দোলন: একাল-সেকাল’ শীর্ষক লিখিত প্রবন্ধ পাঠ করেন কবি ও গল্পকার ইলিয়াস ফারুকী। চাঁদপুর এবং দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কবি-লেখকবৃন্দ তাদের স্বরচিত সাহিত্য পাঠ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৫ গুণী লেখকেকে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। মামুন সিদ্দিকী ছাড়াও পুরস্কৃত হন কবিতায় আইউব সৈয়দ, কথাসাহিত্যে দিলারা মেসবাহ, শিশু সাহিত্যে অমল সাহা, লেখক ও সংগঠক গাজী গিয়াস উদ্দিন।
সম্মেলনের শুরুতে সাহিত্য একাডেমী প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে অতিথিবৃন্দ চাঁদপুর সাহিত্য সম্মেলন ২০২৫ এর শুভ উদ্বোধন করেন।

চাঁদপুরের সাহিত্য সংগঠন সাহিত্য মঞ্চ প্রবর্তিত ‘মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেছেন প্রাবন্ধিক-গবেষক মামুন সিদ্দিকী। তিনি প্রবন্ধ ও গবেষণায় এ পুরস্কার অর্জন করলেন।
চাঁদপুর সাহিত্য সম্মেলন-২০২৬ এবং মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার প্রদান একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়ে। গত শুক্রবার বিকেল চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমি মিলনায়তনে টানা পঞ্চম বারের মতো সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলার শতাধিক লেখক-সাহিত্যিক-সংস্কৃতিকর্মী এতে অংশগ্রহণ করেন।
সাহিত্য সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি এবং কবি হাসান হাফিজ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন লেখক-সাংবাদিক মিজান মালিক, প্রধান আলোচক ছিলেন কবি-সম্পাদক জামসেদ ওয়াজেদ, মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক কাদের পলাশ। এই পর্বে সভাপতিত্ব করেন সাহিত্য মঞ্চের সাবেক সভাপতি মাইনুল ইসলাম মানিক।
উদ্বোধকের বক্তব্যে কবি হাসান হাফিজ বলেন, ‘সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন শুধু চাঁদপুর নয়, পুরো বাংলাদেশের বাঙালি মুসলমানের জন্য সম্পদ। তাঁকে উপলক্ষ্য করে এই আয়োজনের জন্য চাঁদপুর সাহিত্য মঞ্চকে ধন্যবাদ জানাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘কীর্তিমান মানুষদেরকে সম্মানিত না করবো, ততদিন আমরা নিজেরাই দরিদ্র থেকে যাবো।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সুযোগ্য কন্যা বেগম নুরজাহানের সাথে আমার অনেক শৈশব স্মৃতি রয়েছে। আমাদের বাড়িতে নিয়মিত বেগম পত্রিকা রাখা হতো। যা পড়ে আমরা অনেক কিছু শিখেছি। আমাদের মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত নারী সমাজের মাঝে বেগম পত্রিকায় একটি সাহিত্যের অসাধারণ বীজ বপন করেছি।'
পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় গবেষক মামুন সিদ্দিকী বলেন, বাংলার প্রগতিশীল সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা তথা বাঙালি মুসলমানের আধুনিকায়নে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন-সম্পাদিত সওগাত ঐতিহাসিক ভ‚মিকা রেখেছিল। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের শতবর্ষে তাঁর নামাঙ্কিত সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্তিতে আজ নতুনভাবে দায়বদ্ধ হলাম। বাংলার বুদ্ধিবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক জাগরণ বিষয়ে গবেষণার মাধ্যমে এ কাজ অব্যাহত রাখার প্রয়াস নেবো।'
কবি ও প্রাবন্ধিক মিজান খানের সভাপতিত্বে সাহিত্য সম্মেলনের প্রথম পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ‘চাঁদপুরের সাহিত্য আন্দোলন: একাল-সেকাল’ শীর্ষক লিখিত প্রবন্ধ পাঠ করেন কবি ও গল্পকার ইলিয়াস ফারুকী। চাঁদপুর এবং দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কবি-লেখকবৃন্দ তাদের স্বরচিত সাহিত্য পাঠ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৫ গুণী লেখকেকে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। মামুন সিদ্দিকী ছাড়াও পুরস্কৃত হন কবিতায় আইউব সৈয়দ, কথাসাহিত্যে দিলারা মেসবাহ, শিশু সাহিত্যে অমল সাহা, লেখক ও সংগঠক গাজী গিয়াস উদ্দিন।
সম্মেলনের শুরুতে সাহিত্য একাডেমী প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে অতিথিবৃন্দ চাঁদপুর সাহিত্য সম্মেলন ২০২৫ এর শুভ উদ্বোধন করেন।