আমার শহর ডেস্ক

বন্ধ ও লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাগুলো চালু করতে আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আপনারা এগিয়ে যান, সমৃদ্ধ হোন। আমরা আপনাদের সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা করব।’ গতকাল শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আয়োজিত এক রোড-শোতে ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আশ্বাস দেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তাফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু) বাসসকে জানান, শিল্প মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বন্ধ ও অকার্যকর কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবনে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করাই ছিল এ রোড-শোর মূল উদ্দেশ্য।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি রাজনৈতিক সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পথ তৈরি করা।
তবে তিনি বলেন, একা সরকারের পক্ষে এ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। ‘বাস্তবতা হলো, আমরা একসঙ্গে সব সমস্যার সমাধান করতে পারব না। তবে ধীরে ধীরে এবং পরিকল্পিতভাবে সেগুলোর সমাধান করা সম্ভব,’ বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে হওয়া আলোচনা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই, আসুন, আমরা সবাই মিলে পরিবর্তন আনি।’ তিনি বলেন, ‘সমস্যা আছে, চ্যালেঞ্জও আছে। কিন্তু আমরা এটাও উপলব্ধি করেছি যে, সবাই একসঙ্গে কাজ করলে এসব বাধা অতিক্রম করা সম্ভব।’ অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী নেতা ও বিনিয়োগকারীদের সামনে ৪৪টি কারখানার বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপনায় কারখানাগুলোর অবস্থান, বিদ্যমান অবকাঠামো, বিনিয়োগ প্রণোদনা, পরিবহন-সংযোগ এবং উৎপাদন সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।
পরে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন এবং প্রায় ৫০টি প্রশ্ন করেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেসব প্রশ্নের জবাব দেন।
অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে প্রাণ-আরএফএল, এসিআই লিমিটেড, ওয়ালটন, মেঘনা গ্রæপ অব ইন্ডাস্ট্রি, রানার, টি কে গ্রুপ, ব্র্যাক, নাবিল গ্রুপ, স্কয়ার গ্রুপ, ট্রান্সকম গ্রুপ, আকিজ গ্রুপ এবং লাল তীরের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
এছাড়া জাপানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এর মধ্যে ছিল মারুবেনি করপোরেশন, টয়োটা সুশো করপোরেশন, সুমিতোমো করপোরেশন, এমইউএফজি ব্যাংক লিমিটেড, মিতসুই অ্যান্ড কো. (এশিয়া প্যাসিফিক) পিটিই লিমিটেড, সোজিৎস এশিয়া পিটিই লিমিটেড, জেট্রো বাংলাদেশ কার্যালয় এবং বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের কর্মকর্তারা।

বন্ধ ও লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাগুলো চালু করতে আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আপনারা এগিয়ে যান, সমৃদ্ধ হোন। আমরা আপনাদের সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা করব।’ গতকাল শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আয়োজিত এক রোড-শোতে ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আশ্বাস দেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তাফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু) বাসসকে জানান, শিল্প মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বন্ধ ও অকার্যকর কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবনে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করাই ছিল এ রোড-শোর মূল উদ্দেশ্য।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি রাজনৈতিক সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পথ তৈরি করা।
তবে তিনি বলেন, একা সরকারের পক্ষে এ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। ‘বাস্তবতা হলো, আমরা একসঙ্গে সব সমস্যার সমাধান করতে পারব না। তবে ধীরে ধীরে এবং পরিকল্পিতভাবে সেগুলোর সমাধান করা সম্ভব,’ বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে হওয়া আলোচনা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই, আসুন, আমরা সবাই মিলে পরিবর্তন আনি।’ তিনি বলেন, ‘সমস্যা আছে, চ্যালেঞ্জও আছে। কিন্তু আমরা এটাও উপলব্ধি করেছি যে, সবাই একসঙ্গে কাজ করলে এসব বাধা অতিক্রম করা সম্ভব।’ অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী নেতা ও বিনিয়োগকারীদের সামনে ৪৪টি কারখানার বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপনায় কারখানাগুলোর অবস্থান, বিদ্যমান অবকাঠামো, বিনিয়োগ প্রণোদনা, পরিবহন-সংযোগ এবং উৎপাদন সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।
পরে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন এবং প্রায় ৫০টি প্রশ্ন করেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেসব প্রশ্নের জবাব দেন।
অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে প্রাণ-আরএফএল, এসিআই লিমিটেড, ওয়ালটন, মেঘনা গ্রæপ অব ইন্ডাস্ট্রি, রানার, টি কে গ্রুপ, ব্র্যাক, নাবিল গ্রুপ, স্কয়ার গ্রুপ, ট্রান্সকম গ্রুপ, আকিজ গ্রুপ এবং লাল তীরের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
এছাড়া জাপানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এর মধ্যে ছিল মারুবেনি করপোরেশন, টয়োটা সুশো করপোরেশন, সুমিতোমো করপোরেশন, এমইউএফজি ব্যাংক লিমিটেড, মিতসুই অ্যান্ড কো. (এশিয়া প্যাসিফিক) পিটিই লিমিটেড, সোজিৎস এশিয়া পিটিই লিমিটেড, জেট্রো বাংলাদেশ কার্যালয় এবং বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের কর্মকর্তারা।