আমার শহর ডেস্ক

দেশে এখনো ‘মব কালচার’ থেকে মুক্ত হতে না পারলেও এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মনোভাবের সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘খুবই সন্তুষ্ট’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘‘আমরা এখনও মব কালচার থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি। আমরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপারে এখনও নিরাপদ নই। এবং কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খুবই সন্তুষ্ট, তিনি বলেছেন যে এটির উন্নতি হচ্ছে।’’
আইনশৃঙ্খলার উন্নতি না করে উল্টো ‘সন্তুষ্ট’ থাকাকে ‘ভীতিকারক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এ ব্যবসায়ী নেতা। তিনি বলেন, ‘‘যদি এটি তাইই হয়, তবে এটি একটি ‘বড় ভীতিকারক’। ভীতি জাগানিয়া বিষয় আপনারা জানেন আমাদের সবার জন্য।
বিশেষ করে তাদের জন্য যারা এখানে টাকা বিনিয়োগ করবে।’’ আজ রোববার আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের উপর বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডি আয়োজিত আলোচনায় কথা বলছিলেন তিনি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর শুরুতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয়ে বলেছিলেন দেশে ‘মব কালচার শেষ’।
তিনি বলেছিলেন, ‘‘বাংলাদেশে মব কালচারকে আর কোনোভাবে উৎসাহিত করা যাবে না। দাবি দাওয়া থাকবে, তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় উত্থাপন করতে হবে। মিছিল সমাবেশ করতে পারবে, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি অব্যাহত থাকবে কিন্তু দাবি আদায়ের ক্ষেত্রে মহাসড়ক বন্ধ করা যাবে না। দাবি আদায়ের জন্য মব কালচার এটা সহ্য করা হবে না।’’
গেল মাসে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে রাজারবাগে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মব কালচার বন্ধে বিদ্যমান আইন সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নানা মহলের উদ্বেগ ও সমালোচনার মধ্যে এবার সরাসরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করলেন পারভেজ।
ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে নানামুখী ইতিবাচক প্রস্তাব বাজেটে থাকলেও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব শঙ্কা রয়েছে তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এসব তুলে ধরেন তৈরি পোশাক রপ্তানি খাতের এ ব্যবসায়ী নেতা। তিনি এ সময় জ্বালানি সরবারাহের সংকট কাটানো এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর ও আমলাতন্ত্রের সংস্কার ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পের টিকে থাকা নিয়েই শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘‘বিদ্যমান শিল্পগুলো ‘টিকে থাকতে পারছে না’- এটি একটি বড় সমস্যা। এবং কেন তারা টিকে থাকতে পারছে না? নম্বর এক, জ্বালানি সংকট।’’
এটি এতটাই তীব্র যে জ্বালানি ছাড়া শিল্প চিন্তা করতে পারে না- আমি বলতে চাচ্ছি। ব্যাংকের সুদের হার বেশি, সেটিও একটি ‘মাথাব্যথা’। এবং তারপর ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়াও কঠিন কারণ সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে প্রচুর বাজেট অর্থায়নে ঋণ নিচ্ছে।" তার ভাষ্য, ‘‘প্রবৃদ্ধি আমাদের কাছে এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ যে বিদ্যমান শিল্পকে টিকে থাকতে হবে। এবং সেটির জন্য জ্বালানি হলো সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা। এবং আমরা দেখতে পাচ্ছি না যে এক্ষেত্রে সরকারের আসলে কর্মপরিকল্পনা কী যে কীভাবে তারা বিদ্যমান জ্বালানি নিশ্চিত করতে যাচ্ছে। শুধু নবায়নযোগ্য জ্বালানি বর্তমান শিল্পকে টিকিয়ে রাখার গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা দিতে পারে না।’’ তিনি পরবর্তী সমস্যা প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘তারপর এনবিআর। এনবিআর ইস্যু।
আমি মনে করি যে প্রত্যেকে এমনকি এফডিআই যারা এনেছেন অর্থাৎ বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও এনবিআর সম্পর্কে অভিযোগ করছে। আমি মনে করি যে সংস্কার আমরা বাজেট প্রণয়নে এর কিছু দেখতে পাচ্ছি।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, সঠিক সঠিক সংস্কার করা হয়নি। সেটি আমাদের স্বীকার করতে হবে। কারণ এটি সঠিকভাবে করা হয়নি। সুতরাং এইখানে সংস্কার প্রয়োজন।’’ গেল ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট ঘোষণা দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

দেশে এখনো ‘মব কালচার’ থেকে মুক্ত হতে না পারলেও এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মনোভাবের সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘খুবই সন্তুষ্ট’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘‘আমরা এখনও মব কালচার থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি। আমরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপারে এখনও নিরাপদ নই। এবং কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খুবই সন্তুষ্ট, তিনি বলেছেন যে এটির উন্নতি হচ্ছে।’’
আইনশৃঙ্খলার উন্নতি না করে উল্টো ‘সন্তুষ্ট’ থাকাকে ‘ভীতিকারক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এ ব্যবসায়ী নেতা। তিনি বলেন, ‘‘যদি এটি তাইই হয়, তবে এটি একটি ‘বড় ভীতিকারক’। ভীতি জাগানিয়া বিষয় আপনারা জানেন আমাদের সবার জন্য।
বিশেষ করে তাদের জন্য যারা এখানে টাকা বিনিয়োগ করবে।’’ আজ রোববার আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের উপর বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডি আয়োজিত আলোচনায় কথা বলছিলেন তিনি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর শুরুতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয়ে বলেছিলেন দেশে ‘মব কালচার শেষ’।
তিনি বলেছিলেন, ‘‘বাংলাদেশে মব কালচারকে আর কোনোভাবে উৎসাহিত করা যাবে না। দাবি দাওয়া থাকবে, তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় উত্থাপন করতে হবে। মিছিল সমাবেশ করতে পারবে, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি অব্যাহত থাকবে কিন্তু দাবি আদায়ের ক্ষেত্রে মহাসড়ক বন্ধ করা যাবে না। দাবি আদায়ের জন্য মব কালচার এটা সহ্য করা হবে না।’’
গেল মাসে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে রাজারবাগে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মব কালচার বন্ধে বিদ্যমান আইন সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নানা মহলের উদ্বেগ ও সমালোচনার মধ্যে এবার সরাসরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করলেন পারভেজ।
ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে নানামুখী ইতিবাচক প্রস্তাব বাজেটে থাকলেও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব শঙ্কা রয়েছে তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এসব তুলে ধরেন তৈরি পোশাক রপ্তানি খাতের এ ব্যবসায়ী নেতা। তিনি এ সময় জ্বালানি সরবারাহের সংকট কাটানো এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর ও আমলাতন্ত্রের সংস্কার ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পের টিকে থাকা নিয়েই শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘‘বিদ্যমান শিল্পগুলো ‘টিকে থাকতে পারছে না’- এটি একটি বড় সমস্যা। এবং কেন তারা টিকে থাকতে পারছে না? নম্বর এক, জ্বালানি সংকট।’’
এটি এতটাই তীব্র যে জ্বালানি ছাড়া শিল্প চিন্তা করতে পারে না- আমি বলতে চাচ্ছি। ব্যাংকের সুদের হার বেশি, সেটিও একটি ‘মাথাব্যথা’। এবং তারপর ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়াও কঠিন কারণ সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে প্রচুর বাজেট অর্থায়নে ঋণ নিচ্ছে।" তার ভাষ্য, ‘‘প্রবৃদ্ধি আমাদের কাছে এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ যে বিদ্যমান শিল্পকে টিকে থাকতে হবে। এবং সেটির জন্য জ্বালানি হলো সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা। এবং আমরা দেখতে পাচ্ছি না যে এক্ষেত্রে সরকারের আসলে কর্মপরিকল্পনা কী যে কীভাবে তারা বিদ্যমান জ্বালানি নিশ্চিত করতে যাচ্ছে। শুধু নবায়নযোগ্য জ্বালানি বর্তমান শিল্পকে টিকিয়ে রাখার গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা দিতে পারে না।’’ তিনি পরবর্তী সমস্যা প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘তারপর এনবিআর। এনবিআর ইস্যু।
আমি মনে করি যে প্রত্যেকে এমনকি এফডিআই যারা এনেছেন অর্থাৎ বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও এনবিআর সম্পর্কে অভিযোগ করছে। আমি মনে করি যে সংস্কার আমরা বাজেট প্রণয়নে এর কিছু দেখতে পাচ্ছি।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, সঠিক সঠিক সংস্কার করা হয়নি। সেটি আমাদের স্বীকার করতে হবে। কারণ এটি সঠিকভাবে করা হয়নি। সুতরাং এইখানে সংস্কার প্রয়োজন।’’ গেল ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট ঘোষণা দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।