গাজীউল হক সোহাগ

আজ বসন্ত। লাল ও হলুদ রঙের দিন। প্রকৃতির পুনর্জন্মেও ঋতু। নানা রঙের ছোঁয়া। মেয়েরা লাল ও হলুদ শাড়ি পরে। মাথায় ও চুলে গোলাপ, গাঁদা ফুলের পসরা সাজায়। ছেলেরা লাল ও হলুদ পাঞ্জাবি পরে। রঙে রঙে বসন্ত কে তুলে ধরে মানব মানবী। বসন্ত মানে গায়ে হলুদেও রঙ। প্রকৃতিতেও ভিন্ন আমেজ দেখা যায় এই ঋতুতে। গাছে গাছে শিমুল পলাশের ছড়াছড়ি। বসন্তের নানা প্রজাতির ফুল। দখিনা সমীরণ। বসন্তের মাতাল হাওয়া।

কবি, লেখক, গায়ক ও চিত্রশিল্পীর চোখে এই ঋতুর বন্দনাও কম নয়। কবির ভাষায় বলা হয়- ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্ত।

বসন্ত কে ঋতুর রাজা বলা হয়। ফাগুনের হাওয়ায় বসন্ত প্রাণে ছুঁয়ে যায়, দোলা দেয়। রাজ্যের সব ভালোবাসা এই দিনে জাগ্রত হয়। উতলে পড়ে। রিকশায় করে ঘুরাঘুরি। বসন্তের রঙিন দিনে মনোলোভা স্থানে গিয়ে দুজনের একসঙ্গে পায়ে পায়ে হাঁটা মন কে করে তুলে চাঙা।

এই ঋতুতে গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়। ফুল ফুটে। বসন্তের রঙে রঙিন হয়ে ওঠে চারপাশ। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে দলবেঁধে ছেলেমেয়েরা আড্ডা জমায়। পাড়া মহল্লা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো দিনটি মহাসমারোহে পালন করছে। গতকাল রাত ১২ টার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বসন্তের নানা পোস্ট দিয়েছেন নেটিজেনেরা।

এদিকে এই দিনে বিভিন্ন স্থানে কনর্সাট করে। নাচে গানে আবৃত্তিতে মুখর করে তোলে। ফুলের দোকানগুলোতে বিক্রিও বেড়েছে দেদারছে। কুমিল্লা নগরের ফ্যাশন হাউজ আড়ং, রঙ, বিশ্বরঙ, অঞ্জনস এই দিনে শাড়ি পাঞ্জাবি ও থ্রিপিচ করেছে।

বসন্ত বাংলা বছরের ছয় ঋতুর শেষ ঋতু। ফাল্গুন ও চৈত্র এই দুই মাস নিয়ে বসন্তকাল। এই ঋতু শ্রেষ্ঠ ঋতু। বসন্তে মানুষের প্রাণে যেমন দোলা দেয়, তেমনি প্রাণিকূল ও গাছগাছালিও নিজেদের মেলে ধরে।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, হুমায়ুন আহমেদ, বাউলশাহ আবদুল করিমের লেখায় বসন্ত ফুটে উঠেছে।


আজ বসন্ত। লাল ও হলুদ রঙের দিন। প্রকৃতির পুনর্জন্মেও ঋতু। নানা রঙের ছোঁয়া। মেয়েরা লাল ও হলুদ শাড়ি পরে। মাথায় ও চুলে গোলাপ, গাঁদা ফুলের পসরা সাজায়। ছেলেরা লাল ও হলুদ পাঞ্জাবি পরে। রঙে রঙে বসন্ত কে তুলে ধরে মানব মানবী। বসন্ত মানে গায়ে হলুদেও রঙ। প্রকৃতিতেও ভিন্ন আমেজ দেখা যায় এই ঋতুতে। গাছে গাছে শিমুল পলাশের ছড়াছড়ি। বসন্তের নানা প্রজাতির ফুল। দখিনা সমীরণ। বসন্তের মাতাল হাওয়া।

কবি, লেখক, গায়ক ও চিত্রশিল্পীর চোখে এই ঋতুর বন্দনাও কম নয়। কবির ভাষায় বলা হয়- ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্ত।

বসন্ত কে ঋতুর রাজা বলা হয়। ফাগুনের হাওয়ায় বসন্ত প্রাণে ছুঁয়ে যায়, দোলা দেয়। রাজ্যের সব ভালোবাসা এই দিনে জাগ্রত হয়। উতলে পড়ে। রিকশায় করে ঘুরাঘুরি। বসন্তের রঙিন দিনে মনোলোভা স্থানে গিয়ে দুজনের একসঙ্গে পায়ে পায়ে হাঁটা মন কে করে তুলে চাঙা।

এই ঋতুতে গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়। ফুল ফুটে। বসন্তের রঙে রঙিন হয়ে ওঠে চারপাশ। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে দলবেঁধে ছেলেমেয়েরা আড্ডা জমায়। পাড়া মহল্লা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো দিনটি মহাসমারোহে পালন করছে। গতকাল রাত ১২ টার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বসন্তের নানা পোস্ট দিয়েছেন নেটিজেনেরা।

এদিকে এই দিনে বিভিন্ন স্থানে কনর্সাট করে। নাচে গানে আবৃত্তিতে মুখর করে তোলে। ফুলের দোকানগুলোতে বিক্রিও বেড়েছে দেদারছে। কুমিল্লা নগরের ফ্যাশন হাউজ আড়ং, রঙ, বিশ্বরঙ, অঞ্জনস এই দিনে শাড়ি পাঞ্জাবি ও থ্রিপিচ করেছে।

বসন্ত বাংলা বছরের ছয় ঋতুর শেষ ঋতু। ফাল্গুন ও চৈত্র এই দুই মাস নিয়ে বসন্তকাল। এই ঋতু শ্রেষ্ঠ ঋতু। বসন্তে মানুষের প্রাণে যেমন দোলা দেয়, তেমনি প্রাণিকূল ও গাছগাছালিও নিজেদের মেলে ধরে।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, হুমায়ুন আহমেদ, বাউলশাহ আবদুল করিমের লেখায় বসন্ত ফুটে উঠেছে।
