• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বাংলাদেশ

২৮৪৭ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই: শিক্ষামন্ত্রী

আমার শহর ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ০২
logo

২৮৪৭ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই: শিক্ষামন্ত্রী

আমার শহর ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ০২
Photo

সারাদেশে দুই হাজার ৮৪৭টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১১তম দিনে সকালের সেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই।

সারাদেশে বিদ্যালয়বিহীন গ্রামের সংখ্যা- ঢাকা বিভাগে ৭১৭টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮১৮টি, রাজশাহী বিভাগে ৩৫৫টি, রংপুর বিভাগে ৩৭টি, খুলনা বিভাগে ৩৪৯টি, বরিশাল বিভাগে ৪৫টি, সিলেট বিভাগে ২৬০টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৬৬টি। সর্বমোট ২৮৪৭টি। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ভবিষ্যতে এসব গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব এলে প্রয়োজনীয়তা সংক্রান্ত শর্তাদি বিবেচনা সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জাল সনদধারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করা হচ্ছে: শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে জাল সনদধারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে সম্পন্ন এবং আর্থিক স্বচ্ছতা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে সম্পন্ন করার উদ্যোগ, আর্থিক স্বচ্ছতা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন, জাল সনদধারী শিক্ষক চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের র‌্যাঙ্কিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রযুক্তি নির্ভর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’, ফ্রি ওয়াই-ফাই এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণসহ সমন্বিত প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিক্ষক স্বল্পতা নিরসনে শূন্য পদের তালিকা পিএসসিতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তিনি আরও জানান, শিক্ষা ব্যবস্থায় সুশাসন নিশ্চিত করতে ‘ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম’ চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষক উপস্থিতি, পাঠদান কার্যক্রম এবং একাডেমিক তদারকি জোরদার করা হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ইমপ্যাক্ট ইভ্যালুয়েশন’ বা প্রভাব মূল্যায়নের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘অ্যাক্সিলারেটিং সেকেন্ডারি এডুকেশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও মনিটরিং ব্যবস্থা প্রবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্তকরণ এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার।

৪০৫৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ হয়নি: সরকারি অর্থায়নে এখনও ৪ হাজার ৫৯ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারা দেশে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন মোট ২৪ হাজার ৩২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে এখনও ভবন নির্মাণ করা হয়নি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪ হাজার ৫৯টি। এ পরিপ্রেক্ষিতে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার পর্যায়ক্রমে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শুধু একটি নির্দিষ্ট উপজেলায় একসঙ্গে একাধিক ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত বর্তমানে গ্রহণ করা হয়নি। চলতি অর্থবছরে প্রতি সংসদীয় আসনে একটি স্কুল, একটি কলেজ এবং একটি বেসরকারি মাদ্রাসা/বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

নীতিগত সিদ্ধান্ত হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হবে: সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী বেসরকারি কলেজ সরকারিকরণ বা জাতীয়করণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়ে থাকে। পরবর্তীতে জাতীয়করণ করা কলেজগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত শর্তাবলী যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে এবং প্রযোজ্য বিধি-বিধান অনুসরণ করে তাদের চাকরি জাতীয়করণ করা হয়। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং নীতিনির্ধারণী বিষয়।

এ ধরনের সিদ্ধান্ত কেবল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একক এখতিয়ারভুক্ত নয়; বরং সরকারের সামগ্রিক আর্থিক সক্ষমতা, বিদ্যমান নীতিমালা এবং জাতীয় বাজেটের সঙ্গে এটি ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে সর্বমোট ৩৪ হাজার ১২৯ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৪ জন শিক্ষক এবং ২ লাখ ৬ হাজার ৬৯৯ জন কর্মচারী কর্মরত আছেন। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পরিসংখ্যান তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী: দেশে ১৮ হাজার ৫৭৮টি বেসরকারি স্কুল রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ২ লাখ ৬৫ হাজার ৬৭৮ জন এবং কর্মচারী ৯৬ হাজার ৮৯২ জন। স্কুল এন্ড কলেজ: দেশে ১ হাজার ৪৯৩টি স্কুল এবং কলেজ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ৫৯ হাজার ৭৯৭ জন এবং কর্মচারী ২০ হাজার ৭৮২ জন। কলেজ: দেশে ২ হাজার ৭৩৮টি কলেজ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ৮৬ হাজার ৬৪৬ জন; কর্মচারী ৩১,৯৫৬ জন। মাদ্রাসা: দেশে ৯ হাজার ২৯৩টি মাদ্রাসা রয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭১ জন এবং কর্মচারী ৪৫ হাজার ৫২৪ জন। কারিগরি ও ভোকেশনাল: দেশে ২ হাজার ২৭টি ভোকেশনার ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ২২ হাজার ৫০২ জন এবং কর্মচারী ১১ হাজার ৫৪৫ জন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Thumbnail image

সারাদেশে দুই হাজার ৮৪৭টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১১তম দিনে সকালের সেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই।

সারাদেশে বিদ্যালয়বিহীন গ্রামের সংখ্যা- ঢাকা বিভাগে ৭১৭টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮১৮টি, রাজশাহী বিভাগে ৩৫৫টি, রংপুর বিভাগে ৩৭টি, খুলনা বিভাগে ৩৪৯টি, বরিশাল বিভাগে ৪৫টি, সিলেট বিভাগে ২৬০টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৬৬টি। সর্বমোট ২৮৪৭টি। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ভবিষ্যতে এসব গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব এলে প্রয়োজনীয়তা সংক্রান্ত শর্তাদি বিবেচনা সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জাল সনদধারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করা হচ্ছে: শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে জাল সনদধারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে সম্পন্ন এবং আর্থিক স্বচ্ছতা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে সম্পন্ন করার উদ্যোগ, আর্থিক স্বচ্ছতা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন, জাল সনদধারী শিক্ষক চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের র‌্যাঙ্কিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রযুক্তি নির্ভর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’, ফ্রি ওয়াই-ফাই এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণসহ সমন্বিত প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিক্ষক স্বল্পতা নিরসনে শূন্য পদের তালিকা পিএসসিতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তিনি আরও জানান, শিক্ষা ব্যবস্থায় সুশাসন নিশ্চিত করতে ‘ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম’ চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষক উপস্থিতি, পাঠদান কার্যক্রম এবং একাডেমিক তদারকি জোরদার করা হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ইমপ্যাক্ট ইভ্যালুয়েশন’ বা প্রভাব মূল্যায়নের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘অ্যাক্সিলারেটিং সেকেন্ডারি এডুকেশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও মনিটরিং ব্যবস্থা প্রবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্তকরণ এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার।

৪০৫৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ হয়নি: সরকারি অর্থায়নে এখনও ৪ হাজার ৫৯ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারা দেশে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন মোট ২৪ হাজার ৩২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে এখনও ভবন নির্মাণ করা হয়নি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪ হাজার ৫৯টি। এ পরিপ্রেক্ষিতে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার পর্যায়ক্রমে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শুধু একটি নির্দিষ্ট উপজেলায় একসঙ্গে একাধিক ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত বর্তমানে গ্রহণ করা হয়নি। চলতি অর্থবছরে প্রতি সংসদীয় আসনে একটি স্কুল, একটি কলেজ এবং একটি বেসরকারি মাদ্রাসা/বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

নীতিগত সিদ্ধান্ত হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হবে: সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী বেসরকারি কলেজ সরকারিকরণ বা জাতীয়করণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়ে থাকে। পরবর্তীতে জাতীয়করণ করা কলেজগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত শর্তাবলী যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে এবং প্রযোজ্য বিধি-বিধান অনুসরণ করে তাদের চাকরি জাতীয়করণ করা হয়। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং নীতিনির্ধারণী বিষয়।

এ ধরনের সিদ্ধান্ত কেবল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একক এখতিয়ারভুক্ত নয়; বরং সরকারের সামগ্রিক আর্থিক সক্ষমতা, বিদ্যমান নীতিমালা এবং জাতীয় বাজেটের সঙ্গে এটি ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে সর্বমোট ৩৪ হাজার ১২৯ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৪ জন শিক্ষক এবং ২ লাখ ৬ হাজার ৬৯৯ জন কর্মচারী কর্মরত আছেন। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পরিসংখ্যান তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী: দেশে ১৮ হাজার ৫৭৮টি বেসরকারি স্কুল রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ২ লাখ ৬৫ হাজার ৬৭৮ জন এবং কর্মচারী ৯৬ হাজার ৮৯২ জন। স্কুল এন্ড কলেজ: দেশে ১ হাজার ৪৯৩টি স্কুল এবং কলেজ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ৫৯ হাজার ৭৯৭ জন এবং কর্মচারী ২০ হাজার ৭৮২ জন। কলেজ: দেশে ২ হাজার ৭৩৮টি কলেজ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ৮৬ হাজার ৬৪৬ জন; কর্মচারী ৩১,৯৫৬ জন। মাদ্রাসা: দেশে ৯ হাজার ২৯৩টি মাদ্রাসা রয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭১ জন এবং কর্মচারী ৪৫ হাজার ৫২৪ জন। কারিগরি ও ভোকেশনাল: দেশে ২ হাজার ২৭টি ভোকেশনার ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ২২ হাজার ৫০২ জন এবং কর্মচারী ১১ হাজার ৫৪৫ জন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

বিগত দুই সরকারের ব্যর্থতায় হাম বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমানবাহিনীর প্রধানের সাক্ষাৎ

৩

৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

৪

২৮৪৭ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই: শিক্ষামন্ত্রী

৫

নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

সম্পর্কিত

বিগত দুই সরকারের ব্যর্থতায় হাম বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিগত দুই সরকারের ব্যর্থতায় হাম বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমানবাহিনীর প্রধানের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমানবাহিনীর প্রধানের সাক্ষাৎ

৭ ঘণ্টা আগে
৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে
নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

৭ ঘণ্টা আগে