আমার শহর ডেস্ক

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও সচেতন জাতি গঠন করা সম্ভব। তাই সরকার খেলাধুলাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ‘খেলাধুলা বাড়ায় প্রাণ, হৃদয় থাকে শক্তিমান’ স্লোগানে মিরপুরে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক গণমুখী সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সে লক্ষ্যে অল্প সময়ের মধ্যে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার প্রায় ৮০ শতাংশই নারী স্বাস্থ্যকর্মী হবেন। তারা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া ও জটিল রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করবেন।
তিনি আরও বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার ইতোমধ্যে ১২৯ জন জাতীয় খেলোয়াড়কে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ডের আওতায় এনেছে। অল্প সময়ের মধ্যে আরও ৫০০ জন খেলোয়াড়কে এ সুবিধার আওতায় আনা হবে। এ ছাড়া আগামী ৩০ এপ্রিল থেকে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের নিয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
একইসঙ্গে চতুর্থ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত আটটি ইভেন্টে খেলাধুলাকে শ্রেণিকক্ষে বাধ্যতামূলক করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যেখানে অন্যান্য বিষয়ের মতো খেলাধুলাতেও মূল্যায়ন ব্যবস্থা থাকবে। বক্তব্যের শেষে প্রতিমন্ত্রী জাতীয় হার্ট ফাউন্ডেশনের মতো প্রতিষ্ঠান বিভাগীয় পর্যায়েও গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং এক্ষেত্রে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও সচেতন জাতি গঠন করা সম্ভব। তাই সরকার খেলাধুলাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ‘খেলাধুলা বাড়ায় প্রাণ, হৃদয় থাকে শক্তিমান’ স্লোগানে মিরপুরে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক গণমুখী সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সে লক্ষ্যে অল্প সময়ের মধ্যে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার প্রায় ৮০ শতাংশই নারী স্বাস্থ্যকর্মী হবেন। তারা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া ও জটিল রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করবেন।
তিনি আরও বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার ইতোমধ্যে ১২৯ জন জাতীয় খেলোয়াড়কে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ডের আওতায় এনেছে। অল্প সময়ের মধ্যে আরও ৫০০ জন খেলোয়াড়কে এ সুবিধার আওতায় আনা হবে। এ ছাড়া আগামী ৩০ এপ্রিল থেকে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের নিয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
একইসঙ্গে চতুর্থ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত আটটি ইভেন্টে খেলাধুলাকে শ্রেণিকক্ষে বাধ্যতামূলক করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যেখানে অন্যান্য বিষয়ের মতো খেলাধুলাতেও মূল্যায়ন ব্যবস্থা থাকবে। বক্তব্যের শেষে প্রতিমন্ত্রী জাতীয় হার্ট ফাউন্ডেশনের মতো প্রতিষ্ঠান বিভাগীয় পর্যায়েও গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং এক্ষেত্রে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।