আমার শহর ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী জুনে একটি বন্ধু রাষ্ট্র সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তবে এখনও নির্দিষ্ট কোনো দেশ চূড়ান্ত হয়নি। সম্ভাব্য সফরসূচিতে চীন ও ভারত রয়েছে বলে জানা গেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, সফরের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটু অপেক্ষা করতে হবে। কোন দেশে সফর হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। সফর নির্ধারণের ক্ষেত্রে উভয় দেশের সুবিধা, সংশ্লিষ্ট দেশের প্রধানমন্ত্রী বা শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। চীন সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে বলেও জানান তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, তিস্তা অঞ্চলের মানুষের জন্য এই প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর সমাধানে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এছাড়া, ভারত থেকে ‘পুশইন’ নিয়ে শঙ্কা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আসামের মুখ্যমন্ত্রী এ ধরনের মন্তব্য করার পর বাংলাদেশ সরকার কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদেশের সঙ্গে তুলনা করলে মার্কিন চুক্তি ভালো বোঝা যাবে: অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তি আলোচনা-সমালোচনার শেষ নেই। চুক্তিটি বাতিলের জন্য অনেকেই জানাচ্ছেন আহবান। এবার চুক্তিটি নিয়ে মুখ খুলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টার মতে, অন্যদেশের সঙ্গে তুলনা করলে মার্কিন চুক্তি ভালো বোঝা যাবে। খলিলুর রহমান বলেছেন, মার্কিন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হওয়া খুব ভালো। যেকোনো চুক্তি নিয়ে মুক্ত আলোচনা হওয়াই উচিত। আমরা একা এই চুক্তি করিনি, বিশ্বের অন্যান্য দেশও করেছে। ইন্দোনেশিয়া এরকম ২৩১টি শর্তে রাজি হয়েছে। সুতরাং, বাংলাদেশের চুক্তিটি যখন পাঠ করবেন তখন ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়াসহ অন্য যারা চুক্তি করেছে তাদেরটা পাশে নিয়ে পাঠ করলে জিনিসটা ভালো বুঝবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা তুলনা করে দেখেন আমরা কি পেয়েছি, কি পাইনি। এই আলোচনাটা ওভাবে হওয়া উচিত। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র সব দেশকে বলেছে যে তোমাদের রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ যেমন আমাদের ৩৯ বা ৩৭ শতাংশ দিয়েছিল, অন্য সব দেশ দিয়েছে, নেগোশিয়েট করেছে, কেউ ২০ পেয়েছে যেমন ভিয়েতনাম। আর আমরা ১৯ পেয়েছি। সবার এই এগ্রিমেন্টগুলো পাবলিক স্পেসে এখন পাওয়া যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আপনারা বাংলাদেশের এগ্রিমেন্ট ও অন্যান্য দেশের এগ্রিমেন্ট তুলনা করে পড়েন। তাহলে বুঝবেন যে আমরা কি রেট পেয়েছি, পলিসিতে আমরা কি কি বিষয়ে তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছি। অন্যরাও কি চুক্তি করেছে। অন্যদের পারচেস কমিটমেন্ট কত? আমাদের কত, সব মিলিয়ে দেখেন। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর তিস্তা চুক্তি নিয়ে অগ্রসর হওয়া যাবে কি না এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, সেখানে এখনও সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তারা কি ভাবছেন কি করবেন সেটা তারা যদি না জানান তাদের মাইন্ড রিড করার কাজ আমার না।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী জুনে একটি বন্ধু রাষ্ট্র সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তবে এখনও নির্দিষ্ট কোনো দেশ চূড়ান্ত হয়নি। সম্ভাব্য সফরসূচিতে চীন ও ভারত রয়েছে বলে জানা গেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, সফরের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটু অপেক্ষা করতে হবে। কোন দেশে সফর হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। সফর নির্ধারণের ক্ষেত্রে উভয় দেশের সুবিধা, সংশ্লিষ্ট দেশের প্রধানমন্ত্রী বা শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। চীন সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে বলেও জানান তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, তিস্তা অঞ্চলের মানুষের জন্য এই প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর সমাধানে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এছাড়া, ভারত থেকে ‘পুশইন’ নিয়ে শঙ্কা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আসামের মুখ্যমন্ত্রী এ ধরনের মন্তব্য করার পর বাংলাদেশ সরকার কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদেশের সঙ্গে তুলনা করলে মার্কিন চুক্তি ভালো বোঝা যাবে: অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তি আলোচনা-সমালোচনার শেষ নেই। চুক্তিটি বাতিলের জন্য অনেকেই জানাচ্ছেন আহবান। এবার চুক্তিটি নিয়ে মুখ খুলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টার মতে, অন্যদেশের সঙ্গে তুলনা করলে মার্কিন চুক্তি ভালো বোঝা যাবে। খলিলুর রহমান বলেছেন, মার্কিন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হওয়া খুব ভালো। যেকোনো চুক্তি নিয়ে মুক্ত আলোচনা হওয়াই উচিত। আমরা একা এই চুক্তি করিনি, বিশ্বের অন্যান্য দেশও করেছে। ইন্দোনেশিয়া এরকম ২৩১টি শর্তে রাজি হয়েছে। সুতরাং, বাংলাদেশের চুক্তিটি যখন পাঠ করবেন তখন ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়াসহ অন্য যারা চুক্তি করেছে তাদেরটা পাশে নিয়ে পাঠ করলে জিনিসটা ভালো বুঝবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা তুলনা করে দেখেন আমরা কি পেয়েছি, কি পাইনি। এই আলোচনাটা ওভাবে হওয়া উচিত। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র সব দেশকে বলেছে যে তোমাদের রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ যেমন আমাদের ৩৯ বা ৩৭ শতাংশ দিয়েছিল, অন্য সব দেশ দিয়েছে, নেগোশিয়েট করেছে, কেউ ২০ পেয়েছে যেমন ভিয়েতনাম। আর আমরা ১৯ পেয়েছি। সবার এই এগ্রিমেন্টগুলো পাবলিক স্পেসে এখন পাওয়া যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আপনারা বাংলাদেশের এগ্রিমেন্ট ও অন্যান্য দেশের এগ্রিমেন্ট তুলনা করে পড়েন। তাহলে বুঝবেন যে আমরা কি রেট পেয়েছি, পলিসিতে আমরা কি কি বিষয়ে তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছি। অন্যরাও কি চুক্তি করেছে। অন্যদের পারচেস কমিটমেন্ট কত? আমাদের কত, সব মিলিয়ে দেখেন। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর তিস্তা চুক্তি নিয়ে অগ্রসর হওয়া যাবে কি না এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, সেখানে এখনও সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তারা কি ভাবছেন কি করবেন সেটা তারা যদি না জানান তাদের মাইন্ড রিড করার কাজ আমার না।