আমার শহর ডেস্ক

আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনের আগে আমরা কথা দিয়েছিলাম, হতদরিদ্র নারী প্রধান পরিবারকে আমরা ফ্যামিলি কার্ড দেবো। আজ আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়েছে। তাই আজকের দিনটি আমার এবং দলের কাছে একটি ঐতিহাসিক ও আবেগের দিন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি স্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তারেক রহমান বলেন, সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চায়। নির্বাচনে আমরা ফ্যামিলি কার্ডের ওয়াদা দিয়েছিলাম। এক মাসের আগেই আমরা তা পূরণ করতে পেরেছি। সেই জন্য শুকরিয়া আদায় করছি। আজকের দিনটি আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ, স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক দিন। কারণ, আপনাদের প্রত্যক্ষ ভোটে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই আমরা জবাবদিহি করতে বাধ্য। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাদেরকে যদি ক্ষমতায়ন না করা যায়, তবে দেশ সামনের দিকে এগুবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রথমে পাইলট প্রকল্প হাতে নিতে হয়েছে। কারণ, সরকারের কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। সে অনুযায়ী, আমাদের পরিকল্পনা নিতে হয়। আমরা কথা দিচ্ছি পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে আরও চার কোটি নারী প্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিয়ে আসবো।
আজ মঙ্গলবার প্রথম ধাপে কড়াইল ও ভাষানটেকের ১৫ হাজার নারীকে কার্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানান সরকার প্রধান। তিনি বলেন, শুধু ফ্যামিলি কার্ডই নয়, দায়িত্বগ্রহণের পর একাধিক প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যে পূরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে। আগামী মাসে কৃষক কার্ডও বিতরণ শুরু হবে।

আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনের আগে আমরা কথা দিয়েছিলাম, হতদরিদ্র নারী প্রধান পরিবারকে আমরা ফ্যামিলি কার্ড দেবো। আজ আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়েছে। তাই আজকের দিনটি আমার এবং দলের কাছে একটি ঐতিহাসিক ও আবেগের দিন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি স্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তারেক রহমান বলেন, সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চায়। নির্বাচনে আমরা ফ্যামিলি কার্ডের ওয়াদা দিয়েছিলাম। এক মাসের আগেই আমরা তা পূরণ করতে পেরেছি। সেই জন্য শুকরিয়া আদায় করছি। আজকের দিনটি আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ, স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক দিন। কারণ, আপনাদের প্রত্যক্ষ ভোটে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই আমরা জবাবদিহি করতে বাধ্য। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাদেরকে যদি ক্ষমতায়ন না করা যায়, তবে দেশ সামনের দিকে এগুবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রথমে পাইলট প্রকল্প হাতে নিতে হয়েছে। কারণ, সরকারের কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। সে অনুযায়ী, আমাদের পরিকল্পনা নিতে হয়। আমরা কথা দিচ্ছি পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে আরও চার কোটি নারী প্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিয়ে আসবো।
আজ মঙ্গলবার প্রথম ধাপে কড়াইল ও ভাষানটেকের ১৫ হাজার নারীকে কার্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানান সরকার প্রধান। তিনি বলেন, শুধু ফ্যামিলি কার্ডই নয়, দায়িত্বগ্রহণের পর একাধিক প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যে পূরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে। আগামী মাসে কৃষক কার্ডও বিতরণ শুরু হবে।