আমার শহর ডেস্ক

দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন ও সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
আজ মঙ্গলবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, স্বাস্থ্য খাতে জনবল সংকট দূর করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ধাপে ধাপে নিয়োগ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিসিএসের মাধ্যমে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ৪৮তম বিসিএসের মাধ্যমে দুই হাজার ৯৮৪ জন সহকারী সার্জন ও ২৭৯ জন ডেন্টাল সার্জন, ৪৪তম বিসিএসের মাধ্যমে ১৮ জন সহকারী সার্জন (এমবিবিএস) ও ২২ জন ডেন্টাল সার্জন এবং ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর ২৭তম বিসিএসের মাধ্যমে ১৬২ জন সহকারী সার্জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জনবল পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, সেখানে চিকিৎসকসহ অন্যান্য কর্মকর্তা/কর্মচারীর মোট ১৯৬টি পদের মধ্যে বর্তমানে ১৩৮ জন কর্মরত আছেন এবং ৫৮টি পদ শূন্য রয়েছে। চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মচারীর বিভিন্ন পদে এখনো শূন্যতা রয়েছে। এছাড়া চিকিৎসকদের প্রথম থেকে নবম গ্রেড পর্যন্ত মোট ৩১ পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ২১ জন এবং ১০টি পদ শূন্য রয়েছে। নার্সদের ক্ষেত্রে মোট ৩৬টি পদের মধ্যে ৩৫টিতে জনবল আছে এবং একটি পদ শূন্য রয়েছে। ১১তম থেকে ১৬তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের মোট ১০২ পদের মধ্যে ৬৭টিতে জনবল আছে এবং ৩৫টি পদ শূন্য রয়েছে। ১৭তম থেকে ২০তম গ্রেডে মোট ২৭টি পদের বিপরীতে ১৫টি জনবল আছে এবং ১২ পদ শূন্য রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, এসব শূন্য পদ পূরণের কার্যক্রম ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে নিয়োগ ও পদায়নের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে সব পদ পূরণ করা হবে।
করোনা ভ্যাকসিন কেনায় খরচ ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা: করোনা মহামারিতে দেশের মানুষের সুরক্ষায় ভ্যাকসিন কেনা বাবদ এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনা মহামারি মোকাবিলায় ভ্যাকসিনসহ করোনা সরঞ্জামাদি আমদানি ও কেনাকাটার জন্য ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ২৯৭ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। এ বরাদ্দ থেকে এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন কেনায় ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
ভ্যাকসিন কার্যক্রমের অন্যান্য খাতের ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য সিরিঞ্জ ক্রয় বাবদ ৩০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে পরিবহন খরচ বাবদ ১৯ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৩৫৪ টাকা এবং সিরিঞ্জ শিপিং ও চার্জ হিসেবে ৯৯ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮০ টাকা ব্যয় হয়।
ভ্যাকসিন আমদানিতে কোনও অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভ্যাকসিন ক্রয় ও সংরক্ষণ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে সরকার সর্বদা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ সংক্রান্ত কোনও অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে দেশ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সক্ষম হয়েছে।

দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন ও সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
আজ মঙ্গলবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, স্বাস্থ্য খাতে জনবল সংকট দূর করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ধাপে ধাপে নিয়োগ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিসিএসের মাধ্যমে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ৪৮তম বিসিএসের মাধ্যমে দুই হাজার ৯৮৪ জন সহকারী সার্জন ও ২৭৯ জন ডেন্টাল সার্জন, ৪৪তম বিসিএসের মাধ্যমে ১৮ জন সহকারী সার্জন (এমবিবিএস) ও ২২ জন ডেন্টাল সার্জন এবং ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর ২৭তম বিসিএসের মাধ্যমে ১৬২ জন সহকারী সার্জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জনবল পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, সেখানে চিকিৎসকসহ অন্যান্য কর্মকর্তা/কর্মচারীর মোট ১৯৬টি পদের মধ্যে বর্তমানে ১৩৮ জন কর্মরত আছেন এবং ৫৮টি পদ শূন্য রয়েছে। চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মচারীর বিভিন্ন পদে এখনো শূন্যতা রয়েছে। এছাড়া চিকিৎসকদের প্রথম থেকে নবম গ্রেড পর্যন্ত মোট ৩১ পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ২১ জন এবং ১০টি পদ শূন্য রয়েছে। নার্সদের ক্ষেত্রে মোট ৩৬টি পদের মধ্যে ৩৫টিতে জনবল আছে এবং একটি পদ শূন্য রয়েছে। ১১তম থেকে ১৬তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের মোট ১০২ পদের মধ্যে ৬৭টিতে জনবল আছে এবং ৩৫টি পদ শূন্য রয়েছে। ১৭তম থেকে ২০তম গ্রেডে মোট ২৭টি পদের বিপরীতে ১৫টি জনবল আছে এবং ১২ পদ শূন্য রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, এসব শূন্য পদ পূরণের কার্যক্রম ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে নিয়োগ ও পদায়নের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে সব পদ পূরণ করা হবে।
করোনা ভ্যাকসিন কেনায় খরচ ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা: করোনা মহামারিতে দেশের মানুষের সুরক্ষায় ভ্যাকসিন কেনা বাবদ এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনা মহামারি মোকাবিলায় ভ্যাকসিনসহ করোনা সরঞ্জামাদি আমদানি ও কেনাকাটার জন্য ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ২৯৭ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। এ বরাদ্দ থেকে এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন কেনায় ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
ভ্যাকসিন কার্যক্রমের অন্যান্য খাতের ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য সিরিঞ্জ ক্রয় বাবদ ৩০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে পরিবহন খরচ বাবদ ১৯ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৩৫৪ টাকা এবং সিরিঞ্জ শিপিং ও চার্জ হিসেবে ৯৯ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮০ টাকা ব্যয় হয়।
ভ্যাকসিন আমদানিতে কোনও অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভ্যাকসিন ক্রয় ও সংরক্ষণ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে সরকার সর্বদা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ সংক্রান্ত কোনও অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে দেশ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সক্ষম হয়েছে।