নিজস্ব প্রতিবেদক

বৈরি আবহাওয়া, অতি বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি করেছেন কুমিল্লার শিক্ষার্থীরা। শিক্ষামন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতিবাদে কুমিল্লায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নগরের কান্দিরপাড় পূবালী চত্বর ও কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সামনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের দিকে অগ্রসর হলে আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) ফাতেমা তুজ জোহরা ও কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটকের বাইরে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—দুর্যোগ পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রাখা, ১৩ জুলাই বৈরি আবহাওয়ার কারণে যারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। তাঁরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করেন।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, টানা বৃষ্টি, বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে অনেক পরীক্ষার্থী চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছেন। অনেক এলাকায় সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এবং যানবাহন সঙ্কটের কারণে সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছানো অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেয়া শিক্ষার্থীদের প্রতি অবিচার।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা আরো অভিযোগ করেন, শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। ওই মন্তব্যের জন্যও তারা প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি কিছু শিক্ষার্থী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতেও স্লোগান দেন।
উল্লেখ, গতকাল সোমবার টানা ভারী বৃষ্টিতে কুমিল্লা নগরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রসহ কয়েকটি কেন্দ্রে কোমরসমান পানি পাড়ি দিয়ে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়। এ ঘটনায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা এ পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন।
তবে আজ রাতে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ এক সংবাদ সম্মেলনে গতকাল সোমবারের জলাবদ্ধতার মধ্যে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার্থী পানি পড়া নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে কারও অবহেলা থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান বলেন, আমি মঙ্গলবার আন্তঃবোর্ডের সভায় ছিলাম। তাই আন্দোলন সর্ম্পকে জানি না। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানাব।

বৈরি আবহাওয়া, অতি বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি করেছেন কুমিল্লার শিক্ষার্থীরা। শিক্ষামন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতিবাদে কুমিল্লায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নগরের কান্দিরপাড় পূবালী চত্বর ও কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সামনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের দিকে অগ্রসর হলে আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) ফাতেমা তুজ জোহরা ও কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটকের বাইরে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—দুর্যোগ পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রাখা, ১৩ জুলাই বৈরি আবহাওয়ার কারণে যারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। তাঁরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করেন।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, টানা বৃষ্টি, বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে অনেক পরীক্ষার্থী চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছেন। অনেক এলাকায় সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এবং যানবাহন সঙ্কটের কারণে সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছানো অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেয়া শিক্ষার্থীদের প্রতি অবিচার।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা আরো অভিযোগ করেন, শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। ওই মন্তব্যের জন্যও তারা প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি কিছু শিক্ষার্থী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতেও স্লোগান দেন।
উল্লেখ, গতকাল সোমবার টানা ভারী বৃষ্টিতে কুমিল্লা নগরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রসহ কয়েকটি কেন্দ্রে কোমরসমান পানি পাড়ি দিয়ে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়। এ ঘটনায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা এ পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন।
তবে আজ রাতে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ এক সংবাদ সম্মেলনে গতকাল সোমবারের জলাবদ্ধতার মধ্যে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার্থী পানি পড়া নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে কারও অবহেলা থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান বলেন, আমি মঙ্গলবার আন্তঃবোর্ডের সভায় ছিলাম। তাই আন্দোলন সর্ম্পকে জানি না। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানাব।