নিজস্ব প্রতিবেদক

অযত্ন অবহেলায় বেহাল টমছমব্রিজ পোস্টাল কলোনি। কুমিল্লা নগরের টমছমব্রিজ-কোটবাড়ি সড়কের উত্তর পাশে সাত একর জায়গা নিয়ে এই কলোনি। বাংলাদেশ ডাক বিভাগে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের আবাসন ব্যবস্থা ছিল একসময়। ডিজিএম পোস্ট মাস্টার জেনারেলের আবাসিক কোয়ার্টারও এখানে। এখানে রয়েছে প্রাচীন আমলের রাজা সূর্য পাল দিঘী ও রাজা সূর্য পাল আমলের মঠ।
গতকাল শুক্রবার পড়ন্ত বিকেলে ওই এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে কোনও ধরনের সীমানা প্রাচীর নেই। একটি ভবনের দরজা জানালা সব লুটপাট হয়ে গিয়েছে। রাজা সূর্য পাল আমলের মঠে পরজীবী উদ্ভিদ বাসা বেধেঁছে। মঠটি পরিত্যক্ত। আছে বিশাল দিঘী। দিঘীর পশ্চিম পাড়ে মসজিদ। আরও আছে পরিত্যক্ত আবাসিক কোয়ার্টারও। ওই কোয়ার্টারের দোতলায় আলো জ্বলছে। বিকেলে ছেলেরা সেখানে খেলাধুলা করে। রাতে ছিনতাইকারী ও মাদকাসক্তরা সেখানে অবস্থান নেয়।
দীর্ঘ ৪০ বৎসর কলোনির পাশে বসবাসকারী কুমিল্লা কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ মো. হুমায়ুন কবীর মাসউদ বলেন, একদা এখানে ডাক বিভাগের কর্মকর্তা ,কর্মচারী , তাঁদের সন্তানেরা মাঠে খেলাধুলা করত। কলোনি ছিল সরগরম। এখানে রয়েছে নানা প্রজাতির বৃক্ষরাজি। কিন্তু অযত্ন অবহেলায় এই কলোনি পরে আছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পুকুরের পশ্চিম পাড়ে পাবলিক-প্রাইভেট যৌথ উদ্যোগে একটি মসজিদ। সেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ হয়।
ডাক বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কয়েকজনের ভাষ্য, ডাক বিভাগের মত এ জায়গার স্থাপনাও বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এখানে নতুন ভবন হলে আমরা পরিবার নিয়ে থাকতে পারতাম। অন্তত ৭০০ শতক জায়গা এখানে আছে।
স্থানীয়রা মনে করেন, সরকারি হলেও মূল্যবান এই জায়গাটি রক্ষণাবেক্ষণ ও ডেভেলপমেন্ট করা গেলে অরক্ষিত, বেদখল ও বেহাল দশা থেকে মুক্তি পাবে একসময়ের জনাকীর্ণ এই কলোনি।
কুমিল্লা বিভাগের ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল মো. তরিকুল ইসলামের মুঠোফোনে গতকাল রাতে একাধিকবার ফোন করেও তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

অযত্ন অবহেলায় বেহাল টমছমব্রিজ পোস্টাল কলোনি। কুমিল্লা নগরের টমছমব্রিজ-কোটবাড়ি সড়কের উত্তর পাশে সাত একর জায়গা নিয়ে এই কলোনি। বাংলাদেশ ডাক বিভাগে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের আবাসন ব্যবস্থা ছিল একসময়। ডিজিএম পোস্ট মাস্টার জেনারেলের আবাসিক কোয়ার্টারও এখানে। এখানে রয়েছে প্রাচীন আমলের রাজা সূর্য পাল দিঘী ও রাজা সূর্য পাল আমলের মঠ।
গতকাল শুক্রবার পড়ন্ত বিকেলে ওই এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে কোনও ধরনের সীমানা প্রাচীর নেই। একটি ভবনের দরজা জানালা সব লুটপাট হয়ে গিয়েছে। রাজা সূর্য পাল আমলের মঠে পরজীবী উদ্ভিদ বাসা বেধেঁছে। মঠটি পরিত্যক্ত। আছে বিশাল দিঘী। দিঘীর পশ্চিম পাড়ে মসজিদ। আরও আছে পরিত্যক্ত আবাসিক কোয়ার্টারও। ওই কোয়ার্টারের দোতলায় আলো জ্বলছে। বিকেলে ছেলেরা সেখানে খেলাধুলা করে। রাতে ছিনতাইকারী ও মাদকাসক্তরা সেখানে অবস্থান নেয়।
দীর্ঘ ৪০ বৎসর কলোনির পাশে বসবাসকারী কুমিল্লা কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ মো. হুমায়ুন কবীর মাসউদ বলেন, একদা এখানে ডাক বিভাগের কর্মকর্তা ,কর্মচারী , তাঁদের সন্তানেরা মাঠে খেলাধুলা করত। কলোনি ছিল সরগরম। এখানে রয়েছে নানা প্রজাতির বৃক্ষরাজি। কিন্তু অযত্ন অবহেলায় এই কলোনি পরে আছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পুকুরের পশ্চিম পাড়ে পাবলিক-প্রাইভেট যৌথ উদ্যোগে একটি মসজিদ। সেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ হয়।
ডাক বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কয়েকজনের ভাষ্য, ডাক বিভাগের মত এ জায়গার স্থাপনাও বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এখানে নতুন ভবন হলে আমরা পরিবার নিয়ে থাকতে পারতাম। অন্তত ৭০০ শতক জায়গা এখানে আছে।
স্থানীয়রা মনে করেন, সরকারি হলেও মূল্যবান এই জায়গাটি রক্ষণাবেক্ষণ ও ডেভেলপমেন্ট করা গেলে অরক্ষিত, বেদখল ও বেহাল দশা থেকে মুক্তি পাবে একসময়ের জনাকীর্ণ এই কলোনি।
কুমিল্লা বিভাগের ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল মো. তরিকুল ইসলামের মুঠোফোনে গতকাল রাতে একাধিকবার ফোন করেও তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।